behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

পানামা পেপারস-এ আমার নাম ভুলভাবে এসেছে: অমিতাভ

বিদেশ ডেস্ক০৯:০২, এপ্রিল ০৬, ২০১৬

পানামা পেপারস-এ নিজের নাম থাকার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আলোচিত প্রতিষ্ঠান মোস্যাক ফনসেকা’র সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নাকচ করে দেন তিনি।

অমিতাভ বচ্চন বলেন, ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা পানামা পেপারসের বরাত দিয়ে সি বাল্ক শিপিং কোম্পানি লিমিটেড, লেডি শিপিং লিমিটেড, ট্রেজার শিপিং লিমিটেড এবং ট্রাম্প শিপিং লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে আমার নাম উল্লেখ করেছে। আমি কখনোই ওই কোম্পানিগুলোর পরিচালক ছিলাম না। হতে পারে আমার নামটি ভুলভাবে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে-বিদেশে যে অর্থ আমি খরচ করেছি তার সব করই পরিশোধ করেছি। কর দিয়েই আইনগতভাবে দেশের বাইরে অর্থ প্রেরণ করেছি।’

পানামা পেপারস-এ উঠে এসেছে অমিতাভের পুত্রবধূ বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের নামও। তবে গত সোমবার ঐশ্বরিয়ার মিডিয়া পরামর্শক তা অস্বীকার করে বলেন, ওই নথিগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

অমিতাভ বচ্চন।

পানামা পেপারসে কর ফাঁকি ও গসম্পদ গোপনের তালিকায় রয়েছেন বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রায়, ডিএলএফ স্বত্বাধিকারী কেপি সিং ও তার পরিবারের আরও ৯ সদস্য, অ্যাপোলো টায়ারস, ইন্ডিয়ান বুলস থেকে আদানি গ্রুপের গৌতম আদানি ও তার বড় ভাই বিনোদ আদানির নাম। দুই রাজনৈতিক ব্যক্তির মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিশির বাজোরিয়া এবং লোকসত্ত্বা পার্টির দিল্লি ইউনিটের সাবেক প্রধান অনুরাগ কেজরিওয়ালের নাম। মোস্যাক ফনসেকার সঙ্গে ভারতের সরকার এবং দেশটির কর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টতার কথাও উঠে এসেছে ফাঁস হওয়া নথিতে।

‘পানামা পেপারস’ এমন এক সময়ে প্রকাশিত হয় যখন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম বি শাহ-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তদল ব্ল্যাক মানি’র ওপর অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন তৈরি করছে।

এর আগে গতবছর ‘সুইস লিকস’-এ দেখা যায়, ১ হাজার ১০০ জনেরও বেশি ভারতীয়ের এইচএসবিসি জেনেভায় গোপন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আর ওই ঘটনাটি ভারত থেকে অর্থপাচারের বিষয়টিকে আবারও সামনে তুলে ধরে।

প্রায় এক বছর আগে জার্মানির মিউনিখের একটি পত্রিকা জিড্ডয়েটশ সাইটুঙ্গ একটি বেনামা সূত্র থেকে এই বিপুল তথ্যভাণ্ডারের সন্ধান পায়। তারা  ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস বা আইসিআইজের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি জানায়। তবে নথিগুলোর সংগ্রাহক ও প্রকাশকারীর নাম জানানো হয়নি।

মোস্যাক ফনসেকার প্রধান কার্যালয় পানামায় অবস্থিত, যেখানে ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার হাজারো কারসাজির সুযোগ রয়েছে। ওই ফাঁস হওয়া নথিকে ‘পানামা পেপারস’ নামে অভিহিত করা হচ্ছে। ওই আইনী প্রতিষ্ঠানটির মক্কেল ছড়িয়ে রয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্ট ফি নেওয়ার মাধ্যমে মক্কেলদের বেনামে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। এর মাধ্যমে তারা ওই অপ্রদর্শিত আয়কে বৈধ উপায়ে ব্যবহারের সুযোগ পান। ওই আইনী প্রতিষ্ঠানই এসব বেনামী কোম্পানির দেখাশুনা করে থাকে। সূত্র: এনডিটিভি, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

/এমপি/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ