behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

পানামা পেপারসটিআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দুর্নীতি ফাঁস

বিদেশ ডেস্ক১৪:০১, এপ্রিল ০৬, ২০১৬

পানামা পেপারস এর মাধ্যমে ফাঁস হয়েছে চিলির খোদ এক দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্মকর্তার দুর্নীতির তথ্য। ফাঁসকৃত তথ্যে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে আসায় পদত্যাগ করেছেন চিলির ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রধান। উল্লেখ্য, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বজুড়ে করপোরেট ও রাজনৈতিক দুর্নীতি নিয়ে কাজ করে।
পানামা পেপারস-এ প্রকাশিত তথ্যমতে, চিলির ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রধান দেলাভিউ পাঁচটি অফশোর মেকি কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত। এক টুইটার বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার পরিদর্শক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ‘গনজালো দেলাভিউ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল চিলির প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদপত্র জমা দিয়েছেন। যা পরিচালনা পর্ষদ গ্রহণ করেছে।’
লাতিন আঞ্চলের সংবাদমাধ্যম টেলিসুর জানিয়েছে, রবিবার প্রকাশিত পানামা পেপারস-এ লাতিন অঞ্চলের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং ডানপন্থী রাজনীতিবিদের অর্থপাচার এবং কর ফাঁকির তথ্য উঠে এসেছে। পানামা পেপারস-এ প্রকাশিত রাজনীতিবিদদের মধ্যে রয়েছেন – আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মাউরিসিও মাকরি, ম্যাক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিকে পেনা নিতো, পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পদপ্রার্থী কেইকো ফুজিমোরি এবং ব্রাজিলের পার্লামেন্ট সদস্য এডুয়ার্ডো কুনহা। ওই তালিকায় বিশ্বব্যাপী ক্ষমতাধর এবং ধণিকশ্রেণির অনেকের নামই উঠে এসেছে।
পানামা পেপারস থেকে দেখা যায়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মোট ৭২ জন বর্তমান ও সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান তাদের নিজেদের দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক, লিবিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান মুয়াম্মার গাদ্দাফি, আইসল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সিগমুন্ডুর ডেভিড গুনলাউগসন, সৌদি বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজ এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। আরও রয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের বাবার নাম, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর আত্মীয়ের নাম। এছাড়া এক ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচারের সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীর নামও রয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে জার্মানির মিউনিখের একটি পত্রিকা জিড্ডয়েশ সাইটুঙ্গ একটি বেনামা সূত্র থেকে মোস্যাক ফনসেকা-র বিপুল তথ্যভাণ্ডারের সন্ধান পায়। তারা ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস বা আইসিআইজে-র মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি জানায়। প্রায় এক বছর ধরে ৮০টি দেশের সাংবাদিকরা ওইসব নথি ঘেঁটে তথ্যগুলোকে পৃথক করে সাজান।

ওই তথ্যভাণ্ডারের পরিমাণ ২০১০ সালে উইকিলিকসের ফাঁস করা নথির চেয়েও বেশি। ২০১৩ সালে সাংবাদিকদের কাছে এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা নথির চেয়েও এ সংখ্যা ঢের বেশি। মোস্যাক ফনসেকা-র অভ্যন্তরীণ ডাটাবেজ থেকে ফাঁস হয় ১১.৫ মিলিয়ন নথি এবং ২ দশমিক ৬ টেরাবাইট তথ্য। তবে নথিগুলোর সংগ্রাহক ও প্রকাশকারীর নাম জানানো হয়নি।  সূত্র: টেলিসুর।

/এসএ/বিএ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ