নাফ নদীর মোহনায় জালিয়ার দ্বীপে তৈরি হবে পর্যটনকেন্দ্র

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৫৯, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৫৯, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮

নাফ ট্যুরিজম পার্কের নকশানাফ নদীর মোহনায় বাংলাদেশ অংশে টেকনাফ উপজেলার জালিয়ার দ্বীপের আয়তন ২৭১ দশমিক ৯৩ একর। সঙ্গে রয়েছে বন বিভাগের ২১ দশমিক ১২ একর জমি। দ্বীপের একপাশে মিয়ানমার, অন্যপাশে বাংলাদেশের নেটং পাহাড়। এই দ্বীপে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এজন্য ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী থাইল্যান্ডের সিয়াম সিয়াম ইন্টারন্যাশনাল।

জানা গেছে, নাফ ট্যুরিজম পার্কে স্থাপন করা হবে তারকা হোটেল, জিমনেসিয়ামসহ অ্যাপার্টমেন্ট, রিসোর্ট, বিনোদন পার্ক, লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট থিয়েটার ও মিউজিয়াম, বোলিং সেন্টার, ঘূর্ণায়মান রেস্টুরেন্ট, মেগা শপিং মল, সিনেমা হল, ওয়াটার স্পোর্টস বিচ, গলফ ক্লাব, কেবল কার, মিউজিক্যাল ওয়াটার ফাউন্টেইন। পর্যটকদের জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা দিতে থাকবে ক্যাবল কার, প্যারা সেইলিং, স্কুবা ডাইভিং, সি-ক্রুসিং।

জালিয়ার দ্বীপ (ছবি: সংগৃহীত)পর্যটনকেন্দ্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা রয়েছে সিয়াম সিয়াম ইন্টারন্যাশনালের। থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি পর্যটনকেন্দ্র, ওয়াটার পার্কসহ বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করেছে। বাংলাদেশে ফ্যান্টাসি কিংডম ও ফয়’স লেক, কক্সবাজারের রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট স্থাপনের কাজও করেছে তারা।

জানা গেছে, গত বছর জার্মানভিত্তিক ইউনিকনসাল্টের মাধ্যমে নাফ ট্যুরিজম পার্কের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সমীক্ষা করা হয়। নাফ ট্যুরিজম পার্কের উন্নয়ন কাজ পাঁচ বছরে সম্পন্ন হবে ধাপে ধাপে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে ১২ হাজার মানুষের।

সমঝোতা স্মারকে সই (ছবি: সংগৃহীত)নাফ ট্যুরিজম পার্ক গড়তে ইতোমধ্যে সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী সদস্য হারুনুর রশীদ ও সিয়াম সিয়াম ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কিয়াটকাটি সোমিয়ুথ।

এ প্রসঙ্গে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেছেন, ‘সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের বিকাশে জালিয়ার দ্বীপকে ট্যুরিজম পার্কে রূপান্তর করা হবে। এজন্য পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে। এই পার্কের জন্য ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের চূড়ান্ত নকশার কাজ সমাপ্তির পথে।’

/সিএ/জেএইচ/
টপ