বিশ্বের সেরা ৫০ সৈকতের তালিকায় ভারতের রাধানগর বিচ

Send
নাদিয়া নাহরিন
প্রকাশিত : ২২:০৯, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪৪, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

রাধানগর বিচবিশ্বে চোখজুড়ানো সৈকতের অভাব নেই। এর মধ্যে ২০১৮ সালের সেরা ৫০টি সৈকতের তালিকা প্রকাশিত হলো। ১২০০’রও বেশি পর্যটন বিষয়ক সাংবাদিক, সম্পাদক, ব্লগার ও সংস্থার মতামত নিয়ে এটি তৈরি করেছে কানাডার ভ্রমণ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ফ্লাইট নেটওয়ার্ক। চারপাশের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জনশূন্য আর বালি ও কাঁচের মতো স্বচ্ছ জলের গুণমান বিচার করা সাজানো হয়েছে এই তালিকা।

শীর্ষে আছে গ্রিসের জাকিনতস দ্বীপের নাভাগিও বিচ। এরপরেই স্থান পেয়েছে অস্ট্রেলিয়ার হুইটসানডে দ্বীপের হোয়াইট হ্যাভেনি বিচ। তিন নম্বরে রয়েছে ফিলিপাইনের এল নিদো। চারে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিলের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাইয়া দ্যু সেন্তু। পাঁচ নম্বরটি মেক্সিকোর তুলুম বিচের দখলে।

উপমহাদেশ থেকে কেবল ভারতের রাধানগর বিচ। এটি আছে ২৬ নম্বরে। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের হ্যাভলক দ্বীপে এই সৈকতের অবস্থান। মূল বিমানবন্দর থেকে সামুদ্রিক বিমান ও ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চড়ে সেখানে যাওয়া যায়। বছরে গড়ে ১১২ দিন রোদ্দুর হাসে রাধানগর বিচে। সাংবাদিক সোমা দাস বলেন, ঘন বনাঞ্চল, কোমল বালি ও পুদিনা জল পেতে এই সৈকতের বিকল্প নেই।’

থাইল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমে ক্রাবিতে রেইলে বিচএশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে ফিলিপাইনের এল নিদো তথা হিডেন বিচ আছে তিন নম্বরে। এছাড়া থাইল্যান্ডের মায়া বিচ ৯ নম্বরে ও রেইলে বিচ আছে ১৪ নম্বরে। ভিয়েতনামের বাই খেম বিচ ৪৩ নম্বরে, ইন্দোনেশিয়ার পায়ানেমো বিচ ৪৬ নম্বরে, মিয়ানমারের নাপালি বিচ রয়েছে ৪৭ নম্বরে।

তালিকায় সর্বাধিক ছয়টি করে সৈকত স্থান পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারটি সাগরপাড় রয়েছে মেক্সিকোর। দক্ষিণ আফ্রিকার তিনটি সৈকত স্থান করে নিয়েছে তালিকায়।

বিশ্বের সেরা ৫০ সৈকত
গ্রিসের নাভাগিও বিচ১. নাভাগিও বিচ (গ্রিস)
২. হোয়াইট হ্যাভেন বিচ (অস্ট্রেলিয়া)
৩. এল নিদো (ফিলিপাইন)
৪. প্রাইয়া দ্যু সেন্তু (ব্রাজিল)
৫. তুলুম বিচ (মেক্সিকো)
৬. গ্রেস বে (টার্ক অ্যান্ড সায়কোস, ক্যারিবীয় দ্বীপ)
৭. সেভেন মাইল বিচ (কেমেন দ্বীপ, ক্যারিবীয় সাগর)
৮. আঁস সোর্স দারজ্যঁ (সিসিলি)
৯. মায়া বিচ (থাইল্যান্ড)
১০. বারাদেরো বিচ (কিউবা)
১১. দিয়ানি বিচ (কেনিয়া)
বাহামাসের পিংক স্যান্ডস বিচ১২. পিংক স্যান্ডস বিচ (বাহামাস)
১৩. আঁস লাজিও (সিসিলি)
১৪. রেইলে বিচ (থাইল্যান্ড)
১৫. প্লিয়াইয়া নর্তে (মেক্সিকো)
১৬. নয়েৎজি বিচ (দক্ষিণ আফ্রিকা)
মেক্সিকোর বালান্দ্রা বিচ১৭. বালান্দ্রা বিচ (মেক্সিকো)
১৮. রেনিসফিয়ারা বিচ (আইসল্যান্ড)
১৯. হনোকালানি বিচ (যুক্তরাষ্ট্র)
ডমিনিকান রিপাবলিকের বাভারো বিচ২০. বাভারো বিচ (ডমিনিকান রিপাবলিক)
২১. কফি বে (দক্ষিণ আফ্রিকা)
২২. প্লাৎজা ডি ফরমেন্টর (স্পেন)
২৩. লানিকাই বিচ (যুক্তরাষ্ট্র)
২৪. ম্যালমক বিচ (আরুবা)
২৫. মাতিরা বিচ (বোরা বোরা)
২৬. রাধানগর বিচ (ভারত)
মেক্সিকোর আইলা হলবক্স২৭. আইলা হলবক্স (মেক্সিকো)
২৮. হাফ মুন কে (বাহামাস)
২৯. ম্যানুয়েল আন্তোনিও বিচ (কোস্টারিকা)
৩০. ব্লিঙ্কি বিচ (অস্ট্রেলিয়া)
৩১. লং বিচ (কানাডা)
৩২. ক্যাম্পস বে বিচ (দক্ষিণ আফ্রিকা)
অস্ট্রেলিয়ার হায়ামস বিচ৩৩. হায়ামস বিচ (অস্ট্রেলিয়া)
৩৪. ক্যাবল বিচ (অস্ট্রেলিয়া)
৩৫. লাকি বে (অস্ট্রেলিয়া)
৩৬. শ্যাম্পেন বিচ (ভানুয়াতু)
ফ্লামেঙ্কো বিচে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত দুটি ট্যাংক৩৭. ফ্লামেঙ্কো বিচ (পুয়ের্তোরিকো)
৩৮. হনোপু বিচ (যুক্তরাষ্ট্র)
৩৯. বোম্যান’স বিচ (যুক্তরাষ্ট্র)
৪০. কমপর্তা বিচ (পর্তুগাল)
৪১. জায়ান্ট’স কজওয়ে (যুক্তরাজ্য)
৪২. ক্যালক দ্যু সুজিতো (ফ্রান্স)
৪৩. বাই খেম বিচ (ভিয়েতনাম)
৪৪. ওয়াইনগ্লাস বে (অস্ট্রেলিয়া)
৪৫. ল্যাগুনা বিচ (যুক্তরাষ্ট্র)
৪৬. পায়ানেমো বিচ (ইন্দোনেশিয়া)
মিয়ানমারের নাপালি বিচ৪৭. নাপালি বিচ (মিয়ানমার)
৪৮. গ্র্যান্ড আঁস (গ্রেনাডা)
৪৯. বাথশেবা বিচ (বারবাডোজ)
৫০. ক্যানন বিচ (যুক্তরাষ্ট্র)

সূত্র: ডেইলি মেইল

/জেএইচ/
টপ