৯৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার রাতে খোলা থাকছে ফরবিডেন সিটি

Send
জার্নি ডেস্ক
প্রকাশিত : ২০:০০, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪১, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯

রাতে ফরবিডেন সিটিচীনের বেইজিংয়ে প্যালেস মিউজিয়াম বেশিরভাগ মানুষের কাছে ফরবিডেন সিটি নামে পরিচিত। ঐতিহাসিক এই স্থানে দাঁড়িয়ে রাতের আকাশে রঙ-বেরঙের লণ্ঠন সামনে থেকে দেখার স্বপ্ন অনেকের। তাদের জন্য এমন দুর্লভ সুযোগ এসেছে।

৯৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার পর্যটকদের জন্য চীনের প্যালেস মিউজিয়ামের দরজা রাতেও খোলা থাকছে। তবে তা কেবল দুই রাতের জন্য। আজ মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ও বুধবার সেখানে উদযাপন করা হবে লণ্ঠন উৎসব। এর মাধ্যমে চীনের বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী নতুন বছরের ছুটি শেষ হবে।

ফরবিডেন সিটির নির্দিষ্ট কিছু বিভাগ শুধু রাতে ঘুরে দেখার জন্য খোলা থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে মেরিডিয়ান গেট এক্সিবিশন হল, গেট অব সুপ্রিম হারমোনি, ইস্ট ওয়াল ও গেট অব ডিভাইন মাইট। লণ্ঠন প্রদর্শনী আর সিম্ফোনি অর্কেস্ট্রা পরিবেশনাও উপভোগ করা যাচ্ছে। প্রাচীন চীনা চিত্রকর্ম ভবনের ছাদে প্রজেক্টরে দেখানো হবে।

পর্যটকদের জন্য ফরবিডেন সিটি শীতকালে বিকাল সাড়ে ৪টায় বন্ধ হয়ে যায়। গ্রীষ্মে অবশ্য আধঘণ্টা বেশি খোলা থাকে। তবে আজ ও আগামীকাল চোখধাঁধানো এই ল্যান্ডমার্ক রাতেও দেখার সুযোগ মিলছে।

১৪২০ সালে ফরবিডেন সিটি গড়ে ওঠে। এটি ছিল চীনের রাজাদের ঠিকানা। ৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চীনের রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এই স্থাপনা। প্রাচীনকালে ফরবিডেন সিটিতে লণ্ঠন উৎসব করা ছিল রাজপরিবারের ঐতিহ্য।

বেশিরভাগ অংশ কাঠের হওয়ায় আগুন দিয়ে জ্বালানো লণ্ঠনের কারণে এর প্রাচীন স্থাপত্য সুরক্ষার বিষয়ে সজাগ উৎসব আয়োজকরা। তাই এবারের উৎসবে ঐতিহ্যবাহী কাগজের লণ্ঠন ও লাল মোমবাতির পরিবর্তে এলইডি বাতি ব্যবহার হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উইবোতে এই আয়োজন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। চীনা সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্যালেস মিউজিয়াম অসংখ্য চাইনিজ টিভি সিরিজ ও উপন্যাসে উঠে এসেছে।

ফরবিডেন সিটিতে বেড়ানোর টিকিট অনলাইনে বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছিল। এ কারণে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে প্যালেস মিউজিয়ামের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত চাপ থাকায় সাময়িক থমকে গিয়েছিল।
জুয়ানকিনজাইবিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা প্যালেস মিউজিয়ামে ভিড় করেন। তাদের জন্য ২০২০ সালে চালু হবে চানলং গার্ডেন। এতে জুয়ানকিনজাই নামক জায়গায় থাকছে বিশ্রামের জায়গা, পৃথক প্রাইভেট থিয়েটার ও অভ্যর্থনা কক্ষ





সূত্র: সিএনএন

 

/জেএইচ/
টপ