দম বন্ধ করে দেওয়া ১০ ছবি!

Send
জার্নি ডেস্ক
প্রকাশিত : ২১:২২, এপ্রিল ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:২৬, এপ্রিল ২১, ২০১৯

কথায় আছে, ভয়কে জয় করুন। কিন্তু নিচের ছবিগুলো দেখলে অনেক আত্মবিশ্বাসী পর্বতারোহীরও ঘাম ছুটে যাবে! কারণ বিশ্বজুড়ে এমন দুঃসাহসী কাজ খুব কম মানুষ করে দেখিয়েছেন। বুক দুরুদুরু করা কিছু রুদ্ধশ্বাস ছবি দেখি চলুন। চোখ ছানাবড়া হয়ে যাওয়া কিংবা দম বন্ধ করে দেওয়ার মতোই সব!

টোবি সিগার* যুক্তরাজ্যে দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের ইংরেজ অঞ্চলের মহকুমা সারে’র গডালমিং শহরে থাকেন টোবি সেগার। ২১ বছর বয়সী এই তরুণ নরওয়ের ট্রলটাঙ্গা পর্বতের কিনারে ব্যাক-ফ্লিপ (ডিগবাজি) করার মুহূর্তে ছবিটি তোলা। মাটি থেকে এই জায়গা ২ হাজার ৩০০ ফুট (৭০০) মিটার উঁচুতে। গিরিচূড়াটির কিনারের অংশ পুরোপুরি সমতল। এর ঠিক নিচে বয়ে চলছে নরওয়ের লেক রিংডালসভানেটের উত্তর অংশ।

লাইভ জেএন* লাইভ জেএন নামে পরিচিত একজন ডেয়ারডেভিল অনেক উঁচুতে একটি ক্রেনে দুই হাত ধরে ঝুলে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটির খোলা আকাশে দুঃসাহসিক কাজটি করে দেখিয়েছেন তিনি। তার পায়ের নিচে দেখা যাচ্ছে লং আই ল্যান্ড ইউনিভার্সিটির (এলআইইউ) গোলাপি ক্যাম্পাস ভবন।

আন্দ্রেজ সিসিয়েলস্কির তোলা ছবি* উঁচু ভবনের ছাদ থেকে ঝুঁকি নিয়েই দিন ও রাতের নিউ ইয়র্ক সিটির ছবি তুলতে চেয়েছেন জার্মানির মিউনিখের পর্যটক আন্দ্রেজ সিসিয়েলস্কি। ছাদে বসে পা দুটো বাইরে রেখে লম্বালম্বি তোলা ছবিটি দেখলে মাথা ঘুরে যেতে পারে! এতে টাইমস স্কয়ার দেখা যাচ্ছে।

মেলিসা কর্নেক্সল ও জেমস দম্পতি* কনের সাহস আছে বলতে হবে! যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যে ক্যাথেড্রাল লেজের কার্নিশে দাঁড়িয়ে থাকা বর জেমসের এক হাত ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় ঝুলে আছেন মেলিসা কর্নেক্সল। ৪০০ মিটার উঁচুতে স্বামীর ওপর পুরো বিশ্বাস রেখে ঝুঁকি নিয়েছেন তিনি। সেখানে ঘণ্টায় ৪৫ মাইল বেগে হাওয়া বইছিল। তাদের ওই মুহূর্তের ছবিটি তুলেছেন ফিলব্রিক ফটোগ্রাফির জায় ও ভিকি। তবে চতুরতার সঙ্গে দম্পতির জন্য রাখা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যেতে পেরেছেন তারা। মেলিসা ও জেমস দম্পতি যেন পড়ে না যান সেজন্য তাদের বিশেষভাবে দড়ি দিয়ে বেঁধে দিয়েছিলেন ক্লাইম্বিং গাইড মার্ক শভেন।

রুশ ডেয়ারডেভিল* রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে একটি ক্রেনের ওপর এক রুশ ডেয়ারডেভিল বিশ্রাম নিচ্ছেন। চোখ ছানাবড়া করে দেওয়া ছবিটি তুলেছেন আইভান সেমেনভ। বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা বন্ধুদের ছবি তুলে থাকেন ২৩ বছর বয়সী এই তরুণ।

দিমিত্রি চারনিশ ও তার প্রেমিকা পলিনা* দুবাইয়ের আকাশচুম্বি একটি ভবনের শীর্ষে দিমিত্রি চারনিশ ও তার প্রেমিকা পলিনা (বাঁয়ে)। ২২ বছর বয়সী মস্কোর বাসিন্দা দিমিত্রি জানতেন, তার ভালোবাসার মানুষের দুবাইয়ের উঁচু ভবন দেখার ইচ্ছে ছিল। তাই পলিনার সেই বাসনা পূর্ণ করলেন তিনি। অনুমতিহীন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বিশ্বের লম্বা ভবনগুলো চষে বেড়ানোর জন্য দিমিত্রির পরিচিতি আছে।

পিট হুইটেকার* বাদুড়ের মতো উল্টো দিকে ঝুলে আছেন পিট হুইটেকার! ইংল্যান্ডের শেফিল্ডের বাসিন্দা তিনি। বন্ধু টম র্যা ন্ডালকে নিয়ে আমেরিকার উটাহ অঙ্গরাজ্যের ক্যানিয়নল্যান্ডস ন্যাশনাল পার্কে গিয়েছিলেন ২৭ বছর বয়সী এই পেশাদার পর্বতারোহী। মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া ছবিটি সেখানেই তোলা।

ম্যাট ডিগিন্স* উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ঘেঁষে স্কটল্যান্ডের ওকনি দ্বীপ। সেখানে একসঙ্গে পর্বত আরোহন করতে বেরিয়েছিলেন ম্যাট ডিগিন্স ও পল ট্যাটারসাল। পাহাড়ের একটি স্তূপে বিপজ্জনকভাবে ওঠার সময় ম্যাটের ছবিটি তোলেন ডেভ কাথবার্টসন। বিবিসি’র সিরিজ ব্রিটেনস অ্যানসেন্ট ক্যাপিটাল: সিক্রেটস অব ওর্কনির শুটিংয়ে সহায়তা করতে গিয়েছিলেন এই আলোকচিত্রী।

ডেভিড থমাস নেলমেস* যুক্তরাজ্যে ইংল্যান্ডের লিডস শহরের বাসিন্দা ডেভিড থমাস নেলমেস দুবাইয়ে ৭০ তলা উঁচু একটি ভবনের ছাদে দৌড়ানোর সময় ছবিটি তোলা। ২৩ বছর বয়সী এই ডেয়ারডেভিল আগে জিমন্যাস্ট ও ফ্রিরানার হিসেবে কাজ করতেন। তার কোনও ডরভয় আছে বলে মনে হয় না!

অ্যাডাম স্টার্ন* ফিলিপাইনে বারাকুডা লেকে পানির নিচে পাহাড় বেয়ে উঠে উচ্চতার ভয় কাটিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পেশাদার ফ্রিডাইভার অ্যাডাম স্টার্ন। পর্বতারোহী হিসেবে বিশ্বে ওপরের সারিতে আছে ২৮ বছর বয়সী এই তরুণের নাম। তার ঝুলিতে আছে অনেক অস্ট্রেলীয় রেকর্ড।

সূত্র: ডেইলি মেইল

/জেএইচ/
টপ