আগামী বাজেট হবে পর্যটনবান্ধব: প্রতিমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:৩৫, মে ০৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪৪, মে ০৭, ২০১৯

প্রাক-বাজেট আলোচনায় পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীবিমান ও পর্যটন খাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রকৃতির সঙ্গে পর্যটকদের পরিচয় করিয়ে দিতে ইকো-ট্যুরিজমকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যটন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগামী বাজেটের প্রস্তাবনা পেশ করা হবে। সোমবার (৬ মে) বিকালে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আয়োজন করে সাংবাদিকদের সংগঠন এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (এটিজেএফবি)।

পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করতে পর্যটন এলাকাগুলোকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও প্রকল্পের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগের বিকল্প নেই।’

মো. মাহবুব আলীর আরও জানান, পর্যটকদের যাতায়াত সহজলভ্য করতে সড়ক, রেল ও আকাশপথ উন্নত করতে সব বিভাগকে একসঙ্গে নিয়ে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে সরাসরি রেল যোগাযোগ ও টেকসই স্থাপনা নির্মাণে পরিকল্পনা চলছে। দেশের বিমানবন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কক্সবাজার ও সিলেট বিমানবন্দরের আধুনিকায়নের প্রকল্প চলমান।’

আলোচনায় বিমান ও পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। বক্তাদের অভিযোগ, প্রতিবার বাজেটে অন্যান্য খাতে অগ্রাধিকার দেখা গেলেও পর্যটনে বাজেট বরাদ্দে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। সেইসঙ্গে বিমান ও পর্যটন খাতে কর মওকুফের দাবি জানান তারা।

পর্যটন সচিব মহিবুল হক জানান, দেশের পাঁচতারকা মানের হোটেলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে বিমানবন্দরগুলোকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। তার কথায়, ‘নিরাপত্তা ইস্যুতে কাউকেই কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।’

মন্ত্রণালয়ের এই সচিব উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের সময় এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপ দিতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ, সিলেট থেকে সরাসরি লন্ডনে বিমান চলাচলের ব্যবস্থা, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপ দেওয়ার কাজ, বরিশাল বিমানবন্দরকে ঘিরে কিছু পদক্ষেপ। এ বছরেই বিমানের বহরে যুক্ত হবে আরও দুটি ড্রিমলাইনার।

এটিজেএফবি’র সভাপতি নাদিরা কিরণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (ট্যাক্স পলিসি) কানন কুমার রায়, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাবের) মহাসচিব আব্দুস সালাম, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ প্রমুখ।

/সিএ/জেএইচ/
টপ