৩ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেলো বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৩২, জুন ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৩৬, জুন ১৩, ২০১৯

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ৩ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। গত অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৭১ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল। তিনি কিছুটা অসুস্থতা বোধ করলে তার হয়ে সংসদে বাজেট বক্তৃতা পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 
প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়নের জন্য ৩ হাজার ৩৭৫ কোটি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ৫১ কোটি টাকা অউন্নয়ন খাতের জন্য বরাদ্দ। এবারের বরাদ্দ গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বরাদ্দ থেকে ২ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা বেশি।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেন, ‘দ্রুত ও মানসম্মত আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের লক্ষ্যে দেশের বিমানবন্দরগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, সহজ ও নিরাপদ যাত্রী পরিবহন নিশ্চিতকরণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি ১ কোটি ২০ লাখে উন্নতীকরণের জন্য তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দর ও সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণের জন্য রানওয়ে সম্প্রসারণসহ সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম বাস্তাবায়নাধীন রয়েছে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে স্থান ও সমীক্ষার কাজ চলছে।
বাংলাদেশে বিশ্বের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকত রয়েছে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তার কথায়, ‘কক্সবাজারসহ আরও অনেক পর্যটন স্পট আছে যেগুলো এখনও বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করে তোলা সম্ভব হয়নি। কক্সবাজারে সাবরংয়ে বিদেশি পর্যটকদের জন্য এক্সক্লুসিভ পর্যটন এলাকা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পটকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপযোগী করা হবে।’
আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক সমুদ্র আদালতের রায়ে সমুদ্র বিজয়ের মাধ্যমে প্রতিবেশী মিয়ানমার ও ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশ ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রের একচ্ছত্র অধিকার লাভ করে, যা আরও একটি বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ। সম্ভাবনাময় এই সম্পদ কাজে লাগাতে পারলে আমাদের জিডিপির ২ শতাংশ বৃদ্ধি সম্ভব হবে।’

বিপুল সম্ভাবনাময় সম্পদটির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তাবিত কৌশলগুলো তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। এগুলো হলো— সামুদ্রিক সম্পদের বহুমাত্রিক জরিপ দ্রুত সম্পন্ন করা, উপকূলীয় জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি, সমুদ্রবন্দর আধুনিকায়ন, সমুদ্রে ইকো-ট্যুরিজম, ব্যক্তিগত নৌ-বিহার কার্যক্রম চালু করা।

/সিএ/জেএইচ/
টপ