অপরূপা খাগড়াছড়িতে হাজারো পর্যটক

Send
জসিম মজুমদার, খাগড়াছড়ি
প্রকাশিত : ১৬:৩৯, আগস্ট ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২৭, আগস্ট ১৩, ২০১৯

রিছাং ঝরনাচারদিকে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজ পাহাড় এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবন ও সংস্কৃতির কারণে পর্যটকদের কাছে সব সময় আকর্ষণীয় খাগড়াছড়ি জেলা। এবার ঈদের ছুটির অবকাশে হাজারো পর্যটক এখন খাগড়াছড়িতে। পর্যটদের পদভারে মুখরিত এখানকার পর্যটন মোটেল, বিভিন্ন বেসরকারি হোটেল, গেস্ট হাউজ ও পর্যটন স্পটগুলো। তাদের ভ্রমণের আনন্দ নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে যাওয়া চেঙ্গী, মাইনী আর ফেনী নদী এই জেলাকে অপরূপ করে তুলেছে। জেলায় সদর উপজেলার হর্টিকালচার পার্ক, আলুটিলার প্রাকৃতিক গুহা, হেরিটেজ পার্ক, মাটিরাঙার শতবর্ষী বটগাছ, রিছাং ঝরনা, মহালছড়ির মনারটেক লেক, দেবতার পুকুর, মানিকছড়ির বনলতা অ্যাগ্রো প্রাইভেট, পুরাতন রাজবাড়ি, পানছড়ির অরণ্য কুঠির, রামগড়ের কৃত্রিম লেক, চা বাগান, দিঘীনালার হাজাছড়া-তৈদুছড়া ঝরনাসহ রয়েছে শতাধিক মনোরম পর্যটন স্পট। ঈদ উপলক্ষে দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে নতুন সাজে সাজানো হয়েছিল পর্যটন স্পটগুলোকে। 

টিলার ওপর থেকে খাগড়াছড়ি শহরখাগড়াছড়ির বেসরকারি হোটেল গাইরিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা জানান, এই ঈদে অনেক পর্যটক এসেছেন। তার হোটেলে সপ্তাহখানেকের জন্য বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের জন্য হোটেলে স্থানীয় বিভিন্ন সু-স্বাদু খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া কোনও পর্যটক চাইলে তার হোটেলে নির্ধারিত ফি দিয়ে স্থানীয় শিল্পীদের নাচ-গান উপভোগ করতে পারবেন।

স্থানীয় হোটেল অরণ্য বিলাসের মালিক বলেন, ‘খাগড়াছড়িতে চলমান ঈদে হাজার হাজার পর্যটক এসেছেন। আমার হোটেলে ১০০ জনের থাকার ব্যবস্থা থাকলেও চলমান ঈদে গড়ে ১২০-১৪০ জন পর্যটক থাকছেন। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে কয়েক দিনের জন্য খাগড়াছড়ি এসেছেন। কারও কারও খাগড়াছড়ির পাশাপাশি রাঙামাটির সাজেকে গিয়েও রাতযাপন করার কথা রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা, থাকা ও খাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।’

আলুটিলার প্রাকৃতিক গুহা অভিমুখী পর্যটকরাভাড়ায় চলা প্রাইভেট কারচালক রাপ্রু মারমা জানান, সপ্তাহ খানেকের জন্য সব গাড়িই রিজার্ভ হয়ে আছে।  তবে এখানে কিছু টুরিস্ট কার আছে। পর্যটকেরা যখন চাইবেন, তখনই ভাড়া নিতে পারবেন। অনেক পর্যটক আসায় তারা খুশি। ভালো ব্যবসা হবে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য খাগড়াছড়ি চমৎকার জায়গা। পুরো এক সপ্তাহের মতো ছুটি পাওয়ায় অনেকই এবার খাগড়াছড়ির নয়নাভিরাম সবুজাভ পাহাড়ের দৃশ্য, চপলা ঝরনা, সর্পিল নদী, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি উপভোগ করতে এসেছেন।’ তিনি আগত সব পর্যটককে স্বাগত জানিয়ে নিশ্চিন্তে এবং নির্ভয়ে এখানকার পর্যটন স্থানগুলো ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান জানান, খাগড়াছড়িতে বর্তমানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যটন পুলিশসহ গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সাদা পোশাকের পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। কোনও পর্যটক পুলিশ চাইলে তাকে নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

খাগড়াছড়ির উল্লেখযোগ্য পর্যটন স্পটগুলো

আলুটিলা পর্যটন

খাগড়াছড়ি শহরের প্রবেশপথেই খাগড়াছড়ির সবচেয়ে বড় পর্যটন স্পট আলুটিলা।  প্রায় হাজার ফুট উঁচুতে দৃষ্টিনন্দন এই আলুটিলার শীর্ষে দাঁড়ালে শহর, চেঙ্গী নদীর সর্পিল গতিপ্রবাহ ও বিস্তৃত আকাশের মেঘমালা সবার মনকে আনন্দে ভরিয়ে তোলে। এখানে রয়েছে একটি রহস্যময় প্রাকৃতিক গুহা। পাহাড়ি পথ বেয়ে গুহার মুখ পর্যন্ত যেতে দর্শনার্থীদের একসময় কষ্ট হলেও এখন জেলা পরিষদের অর্থায়নে পাকা সিঁড়ি করে দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের চূড়া বেয়ে ২৬৬টি সিঁড়ি পেরোলেই গুহামুখ। গুহাটির ভেতরের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট। অন্ধকার গুহার ভেতরে মশাল নিয়ে ঢুকতে হয়। গুহাটির ভেতরে শত শত বাদুড়ের ওড়াউড়ির দৃশ্য চোখে পড়ে।

হর্টিকালচার পার্কের ফটকহর্টিকালচার পার্ক

খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলের এক কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে হর্টিকালচার পার্ক। শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় বিনোদন ব্যবস্থার পাশাপাশি এখানে রয়েছে– ঝুলন্ত ব্রিজ, কৃত্রিম লেক, পর্যটন ট্রেনের ব্যবস্থা,  সু-সজ্জিত ফুল ও ফলদ বাগান। ছায়া-সুনিবিড় এই পার্কে ও লেকে সব সময় দেখা যায় শত শত পাখির। রয়েছে খাবারের ব্যবস্থাও।

হেরিটেজ পার্ক

খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলের সামনে, চেঙ্গী নদীর অববাহিকায় জেলা আনসার ২০০৭ সালে গড়ে তোলে হেরিটেজ পার্ক। এই পার্কে গ্রামীণ অবয়বে রয়েছে ছোট-ছোট কুঠির। এসব কুঠিরে বসে চেঙ্গী নদীর প্রবাহ, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। উপভোগ করা যায় নানা মৌসুমি ফলের জুস।

রিছাং ঝরনা

আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র থেকে কিছুটা দূরেই রিছাং ঝরনা। ‘রিছাং’ মারমা শব্দ। ‘রি’ অর্থ পানি আর ‘ছাং’ অর্থ ধারা। ছন্দে-ছন্দে প্রবাহমান হিমশীতল ঝরনার স্বচ্ছ পানি যে কাউকেই কাছে টানবে। এর জন্য অবশ্য মূল সড়ক থেকে কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে যেতে হবে। রিছাং ঝরনায় যেতে ইতোমধ্যেই মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রবেশমুখে একটি গেটসহ পর্যটকদের বিশ্রামের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে বেশ ক’টি গোলাকৃতি ঘর। নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে পুলিশি চৌকি।

চেঙ্গী নদীদেবতা পুকুর

মহালছড়ি উপজেলার দুর্গম নুনছড়ি মৌজায় অবস্থিত ‘দেবতার পুকুর’। সমুদ্র-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১শ’ ফুট ওপরে পাহাড়ের চূড়ায় পাঁচ একর জায়গায় অবস্থিত এই পুকুরটি। পুকুরটির স্থির স্বচ্ছ জলরাশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এর চারদিকে রয়েছে ঘন সবুজ বনরাজি। স্থানীয় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস, তাদের পানির চাহিদা পূরণের জন্য জলদেবতা পুকুরটি তাদের উপহার দেন। প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিতে হাজারো নারী-পুরুষ পুণ্য লাভের আশায় দেবতা পুকুর পরিদর্শনে আসেন।

ভগবান টিলা

মাটিরাঙ্গা উপজেলা থেকে সোজা উত্তরে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ‘ভগবান টিলা’। জেলা সদর থেকে উত্তর পশ্চিমে এর কৌণিক দূরত্ব আনুমানিক ৮৫ কিলোমিটার। সবুজের বুকচিরে আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে এর ওপরে ওঠা যায়।  সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত এ টিলা। স্থানীয়দের ধারণা, এ টিলার ওপরে দাঁড়িয়ে ডাক দিলে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা শুনতে পান। আর এ কারণেই এ টিলার নামকরণ ভগবান টিলা। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি আউট পোস্ট রয়েছে এখানে।

রামগড় চা বাগান

রামগড় সীমান্ত ঘেঁষে জেলায় প্রবশের সম্মুখভাগে খাগড়াছড়ি-ফেনী আঞ্চলিক সড়ক-মহাসড়কের দুইধারে, ফেনীর নদীর অববাহিকায় রয়েছে চোখ জুড়ানো চা বাগান। যা খাগড়াছড়ির পর্যটনশিল্পকে করেছে আরও উন্নত। ভ্রমণপিপাসুদের স্বাগত জানাতে সদা প্রস্তুত সবুজ গালিচাবিছানো এ চা বাগান।

রামগড় লেক

জেলা সদর থেকে ৫০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে রামগড় উপজেলা। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ২০০১ সালে  রামগড় উপজেলা পরিষদের সামনে তৈরি করা হয় লেকটি। হ্রদটি প্রায় ২৫০ মিটার লম্বা। এতে রয়েছে ছোট-বড় বেশ কটি নৌযান। এটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন, লেকটির চারপাশ রেলিং বাঁধানো আর ফুল বাগানে সজ্জিত। মাঝখানে রয়েছে সুদৃশ্য ঝুলন্ত সেতু। রয়েছে সুন্দর সুন্দর বাগান, সবুজ ঘাস, আধুনিক লাইটিং, লেকে নামার জন্য শান বাঁধানো সিঁড়ি। দুই তীরের উদ্যানে রয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা। দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য রয়েছে ১২টি শেড।

টটটমানিকছড়ি রাজবাড়ী  

চট্টগ্রাম থেকে সড়কপথে খাগড়াছড়ি আসার প্রবেশমুখেই মানিকছড়ি উপজেলা। উপজেলা সদরে রয়েছে– ঐতিহ্যবাহী মানিকছড়ি রাজবাড়ী। রাজবাড়ীতে রয়েছে মংসার্কেল চিফের (মংরাজা) রাজত্বের সময়ের বিভিন্ন স্থাপনা। রাজার সিংহাসন, মূল্যবান অস্ত্র-শস্ত্রসহ প্রত্নতাত্ত্বিক অনেক নিদর্শন রয়েছে এ রাজবাড়ীতে।

মানিকছড়ি বনলতা অ্যাগ্রো লি.

মানিকছড়ি উপজেলার হাতিমুড়া এলাকায় অবস্থিত এই বাগানটি। প্রায় ৫০০ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই বাগানে রয়েছে পাঁচটি লেক। বাগানটিতে ফুল ও বনজ-ফলদসহ বিভিন্ন প্রজাতির হাজার হাজার গাছ রয়েছে। রয়েছে পাখ-পাখালির কলতান।

মাটিরাঙ্গা শতাবর্ষী বটগাছ

মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদরের খুব কাছাকাছি আলুটিলা-বটতলী এলাকায় এ শতবর্ষী বটবৃক্ষটি ইতিহাসের সাক্ষী। পাঁচ একরের বেশি ভূমির ওপরে এ গাছটি হাজারো পর্যটককে আকর্ষণ করেছে। মূল বটগাছটি থেকে নেমে আসা ডালপালা ও ঝুরি মাটিতে মিশে এক-একটি নতুন বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে। বটগাছটিকে ঘিরে আছে নানা কাহিনী। যেমন– এটি রোগমুক্তির প্রতীক। মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদর থেকে প্রায়  সাত কিমি উত্তরে অবস্থিত এ বটবৃক্ষের নামানুসারেই গড়ে উঠেছে বটতলী বাজার। গাছটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে স্কুল, মাদ্রাসা ও বাজার।

মহালছড়ির মনারটেক

জেলার মহালছড়ি উপজেলায় মনারটেককে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলেছে মহালছড়ি উপজেলা প্রশাসন। বিশাল লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত দেখার পাশাপাশি অল্প খরচে নৌ-ভ্রমণের সুযোগ নিতে পারেন পর্যটকরা।

যেভাবে আসবেন 

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ৩১৬ কিমি ও চট্টগ্রাম থেকে ১০৯ কিমি। ঢাকার কমলাপুর, সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল, কলাবাগান থেকে সরাসরি বাস রয়েছে খাগড়াছড়িতে। সেন্টমার্টিনের এসি বাস, এস আলম, সৌদিয়া, শান্তি পরিবহন ও শ্যামলী পরিবহনের যেকোনও একটি বেছে নিতে পারেন। নন-এসির ভাড়া ৫২০ টাকা। আর এসিতে গুনতে হবে এক হাজার টাকা। চট্টগ্রাম থেকে আসতে হলে অক্সিজেন অথবা কদমতলী বিআরটিসি বাস টার্মিনালে যেতে হবে। অক্সিজেন থেকে রয়েছে শান্তি পরিবহন ও লোকাল বাস এবং কদমতলী থেকে বিআরটিসি। চট্টগ্রাম থেকে ভাড়া ১৮০-২২০ টাকা।

পর্যটন স্পটগুলোতে কীভাবে যাবেন

খাগড়াছড়ি শহর থেকে এসব পর্যটন স্পটে যেতে কমপক্ষে ১০০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। খাগড়াছড়ি থেকে আলুটিলা এবং রিছাং ঝরনায় আসা-যাওয়ায় মাথাপিছু খরচ হবে ১০০ টাকা, মাটিরাঙ্গার শতবর্ষী বটগাছ দেখতে গেলে মাথাপিছু ২০০ টাকা, মহালছড়ির দেবতা পুকুর দেখতে গেলে মাথা পিছু ৩০০ টাকা, মানিকছড়ির রাজবাড়ি অথবা বনলতা অ্যাগ্রো লিমিটেডে যেতে মাথাপিছু ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, দিঘীনালার হাজাছড়া-তৈদুছড়া ঝরনায় অথবা রামগড়ে আসা-যাওয়ায় খরচ মাথাপিছু খরচ হবে ৪০০ টাকার মতো। এছাড়া রাঙামাটির সাজেকসহ অন্যান্য মনোরম পর্যটন স্পটগুলোতে আসা-যাওয়ায় প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস নিয়ে গেলে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

কোথায় থাকবেন  

শহরের প্রবেশমুখে চেঙ্গী নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত পর্যটন মোটেলের ডবল রুম নন-এসি এক হাজার ৫০ টাকা, ডবল এসি রুম এক হাজার ৫০০ টাকা, ভিআইপি স্যুইট ২ হাজার ৫০০ টাকা। এ ছাড়াও রয়েছে জেলা সদরের মিলনপুরে হোটেল গাইরিং, নারিকেল বাগান এলাকায় হোটেল অরণ্য বিলাস, মাউন্ট ইন ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় হোটেল ইকোছড়ি ইন। সেখানে থাকা-খাওয়ার সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। খাগড়াছড়ি বাজার এলাকার হোটেল আল-মাসুদ, হোটেল লবিয়ত, হোটেল ফোর স্টারসহ খাগড়াছড়ি ও সাজেকের প্রায় দুই শতাধিক  হোটেলে থাকতে পারবেন সুলভে।

 

/এমএএ/
টপ