বিছনাকান্দির পাশে গড়ে তোলা হবে পর্যটন গ্রাম

Send
জার্নি রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৫০, নভেম্বর ০৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৫০, নভেম্বর ০৬, ২০১৯

বিছনাকান্দিসিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে বিছনাকান্দি যেন পাহাড়, নদী, ঝরনা ও পাথর মিলিয়ে প্রাকৃতিক মায়াজাল বিছিয়ে রেখেছে। পর্যটকদের কাছে এর মূল আকর্ষণ পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে চলা স্বচ্ছ জলধারা। প্রথম দেখায় মনে হবে যেন পাথরের বিছানা! স্বচ্ছ জলে গা এলিয়ে দিতেই প্রশান্তি পান ভ্রমণপিপাসুরা। সেটাই বিছনাকান্দিতে বারবার টেনে নিয়ে যায় তাদের।

বিছনাকান্দি মূলত একটি পাথর কোয়ারি। এখানে চোখ মেলে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের খাসিয়া পাহাড়ের অনেক ধাপ দু’পাশ থেকে এসে একবিন্দুতে মিলেছে এবং পাহাড়ের খাঁজে রয়েছে মেঘালয়ের সুউচ্চ ঝরনা। এ এক বিস্ময়কর সৌন্দর্যের সমাহার।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী জানিয়েছেন, সিলেটের বিছনাকান্দির পাশে একটি গ্রামকে পর্যটন গ্রামে রূপান্তর করা হবে। ওই গ্রামে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে স্থানীয়দের সঙ্গে থাকতে পারেন সেই ব্যবস্থা থাকবে। সেখানকার অবকাঠামোগত সুবিধা নির্মাণে সরকার সহযোগিতা করবে।

বিছনাকান্দিবুধবার (৬ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যুগপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পর্যটন খাতের বিকাশে পর্যটন পণ্যগুলোর ব্র্যান্ডিং করার সময় এসেছে। তাই বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণগুলোকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে।’

মাহবুব আলী জানান, পর্যটনের উন্নয়নে বর্তমান সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তার আশা, দুই বছরের মধ্যে পর্যটন উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল, মেট্রোরেল ও পাতালরেল নির্মাণ নাগরিকদের সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি পর্যটকদেরও সেবা দেবে। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিদেশি পর্যটকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে উৎসাহিত করবে।

/সিএ/জেএইচ/
টপ