Vision  ad on bangla Tribune

দ্য স্টারমালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকদের কর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত

বিদেশ ডেস্ক১২:০১, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৬







দ্য স্টারের প্রথম পাতাতুমুল সমালোচনার মুখে মালয়েশিয়া সরকার আপাতত বিদেশি শ্রমিকদের করের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। বর্ধিত কর আরোপ করা না করার প্রশ্নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে চীনা নববর্ষ উদযাপনের পর। আর তার আগে বিদেশি শ্রমিকদের কর বাড়ানোর ক্ষেত্রে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর আপত্তির কারণ শুনবে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাসিক সম্মেলনে যোগ দেওয়া শেষে মালয়েশীয় উপপ্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আহমদ জাহিদ হামিদি এসব তথ্য জানিয়েছেন।
২০১৬ সালের বাজেট ঘোষণার সময় কর বাড়ানোর নীতিটি উত্থাপন করা হয়েছিলো। গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিদেশি শ্রমিকদের ওপর বর্ধিত কর কার্যকর শুরু হয়। উৎপাদন, নির্মাণ, সেবা, বাগান ও কৃষি খাতে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রে করের হার আলাদা থাকলেও নতুন নীতির আওতায় তা কেবল দুটি ভাগে ফেলা হয়েছে। এরমধ্যে উৎপাদন, নির্মাণ ও সেবা খাতের শ্রমিকদের একটি ভাগে ফেলা হয় আর তাদের জন্য কর নির্ধারণ করা হয় আড়াই হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত। বাগান ও কৃষি খাতে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য কর নির্ধারণ করা হয় দেড় হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত।
অথচ, আগে উৎপাদন ও নির্মাণ খাতের শ্রমিকরা সাড়ে ১২’শ রিঙ্গিত, বাগান খাতের শ্রমিকরা ৫’শ ৯০ রিঙ্গিত এবং কৃষি খাতের শ্রমিকরা ৪’শ ১০ রিঙ্গিত করে কর দিতেন। বিদেশি শ্রমিকদের ওপর এতো বেশি হারে কর আরোপের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানায় নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।
এমন পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আহমদ জাহিদ হামিদি বলেন, ‘বিদেশি শ্রমিকদের কর বাড়ানোর ক্ষেত্রে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বেগের কথা সরকারের জানা আছে। এ ইস্যুতে তারা ঠিক কী বলতে চায় তা সরকারের পক্ষ থেকে শোনা হবে।’
নতুন নীতিমালার ব্যাপারে আলোচনা করতে মালয়েশিয়ান এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের ডাকা হবে বলেও জানান উপ-প্রধানমন্ত্রী।
করের নতুন হার কমানোর সম্ভাবনা আছে কিনা তা মালয়েশীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের তরফে জানতে চাওয়া হলে হামিদি বলেন, ‘আমরা এটা দেখব। আমি যখন বেইজিং ছিলাম তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোন করেন এবং করের হার ও বৈধতার মেয়াদসহ নতুন নীতিমালার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে বলেন।’
নাজিব রাজাক সরকার ঘোষিত নতুন বাজেটে শ্রমিকদের জন্য অনলাইন নিবন্ধনের নিয়মও রাখা হয়েছে। হামিদির দাবি, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে শুরু হতে যাওয়া পুনঃনিয়োগ কর্মসূচি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আশির্বাদ হিসেবে কাজ করবে। তার মতে, এ নিয়মের কারণে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের অবৈধ শ্রমিকদের নিবন্ধনের জন্য মধ্যস্থতাকারীর শরণাপন্ন হতে হবে না।
অনলাইন নিবন্ধনের কারণে বিদেশি শ্রমিকদের কাছ থেকে আরও বেশি কাজের আবেদন জমা পড়বে এবং তাতে মালয়েশীয় সরকার লাভবান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন হামিদি।
তিনি জানান, ৩ মাস পর্যন্ত পুনঃনিয়োগ কর্মসূচি চলবে এবং প্রয়োজনে এর মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। সূত্র: দ্য স্টার
/এফইউ/বিএ/

লাইভ

টপ