behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Led ad on bangla Tribune

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসপাঠানকোট হামলা তদন্তে পাকিস্তানি দল ভারতে, দিল্লিতে উত্তেজনা

বিদেশ ডেস্ক১৯:৫৫, মার্চ ২৯, ২০১৬

পাঠানকোট বিমানঘাঁটি হামলা তদন্তে পাকিস্তানি দল সোমবার ভারত পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দলটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠেছে। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার প্রধান শিরোনাম করেছে ভারতের অন্যতম দৈনিক পত্রিকা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সোমবার ভারতের আসার পর  পাকিস্তানি দলের সঙ্গে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) দীর্ঘ বৈঠক হয়। পাঁচ সদস্যের এই যৌথ তদন্তকারী দলে (জেআইটি) রয়েছেন পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ও সেনা গোয়েন্দার পদস্থ অফিসাররা। মঙ্গলবার জেআইটি সদস্যরা পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে যাবেন।
তবে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, পাঠানকোট বিমানঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জেআইটি সদস্যদের যেতে দেওয়া হবে না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) ও সীমান্ত নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) যারা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ৮০ ঘণ্টা লড়াই করেছিলেন, তাদেরও সাক্ষী হিসেবে হাজির করা হবে না। তবে অন্যদের সঙ্গে জেআইটি সদস্যরা কথা বলতে পারবেন। তা ছাড়া, সীমান্তের যে জায়গা দিয়ে সন্ত্রাসীরা পাঠানকোটে এসেছিল, সেই স্থানেও জেআইটি সদস্যদের নিয়ে যাওয়া হবে।
সন্ত্রাসীরা ভারতে ঢোকার পর একজন পুলিশ সুপারের গাড়ি ছিনতাই করেছিল। এনআইএ সেই পুলিশ কর্তাকে জেরা করে জানায় তিনি নির্দোষ। জেআইটি সেই কর্মকর্তা সালবিন্দর সিং সম্পর্কে আগ্রহ দেখিয়েছে। তার ব্যাংক খাতা, সার্ভিস রেকর্ড ও মোবাইল কল রেকর্ড তারা দেখতে চেয়েছেন। ভারতের পক্ষ থেকেও জেআইটি সদস্যদের বলা হয়েছে, হাফিজ সাঈদের কণ্ঠের নমুনা যেন দেওয়া হয়। সন্ত্রাসীরা তাদের আত্মীয় ও সন্ত্রাসী নেতাদের সঙ্গে ফোনে যে কথাবার্তা বলেছিল, সেসবও জেআইটির হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জেআইটি সদস্যদের তদন্তের সমালোচনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির প্রশ্ন, যারা অপরাধী তাদেরই তদন্ত করতে আসার অনুমতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে সরকারের দেউলিয়াপনারই পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২ জানুয়ারি দিবাগত রাতে পাঠানকোটের বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। ওই ঘটনায় ৬ হামলাকারী আর নিরাপত্তা বাহিনীর ৭ সদস্য নিহত হন। ঘটনার পর থেকেই হামলার পেছনে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র সংগঠন জয়েশ-ই-মোহাম্মদকেই দায়ী করে আসছে ভারত। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিল। সম্প্রতি ভারতকে নিরাপত্তা বিষয়ক বেশকিছু তথ্য দিয়েছে পাকিস্তান। এরই প্রেক্ষিতে এবার পাকিস্তানি তদন্ত দল পৌঁছালো ভারতে।

/এএ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ