behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

টাইমস অব ইন্ডিয়াকলকাতায় ধসে পড়ল নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার

বিদেশ ডেস্ক১৫:০৮, এপ্রিল ০১, ২০১৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায় ধসে পড়েছে একটি নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার। ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়টিকেই প্রধান শিরোনাম করেছে ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ২৫ মিনিটে গণেশ টকিজের কাছে ভেঙে পড়ে নির্মাণাধীন বিবেকানন্দ ফ্লাইওভারের একাংশ। ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক মানুষ আটকে পড়েন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একটি যাত্রীবোঝাই মিনিবাসও আটকে সেখানে আটকে থাকার কথা জানায় পুলিশ।

দুর্ঘটনায় গতকাল রাত পর্যন্ত অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করা গেছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অনেকে। বহু মানুষ ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই মৃতের সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গোটা রাত ধরে ব্রিজ ঢালাইয়ের কাজ হয়। কিন্তু সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ফ্লাইওভারটি। ফায়ার সার্ভিস দেরিতে আসার অভিযোগও করেছেন তারা। রাত পর্যন্ত অন্তত ১৪-১৫ ক্রেন উদ্ধারকার্যে যুক্ত হয়।

ধসের পর ঘটনাস্থলে যান মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং দমকলমন্ত্রী জাভেদ খান। সেখানে পৌঁছতেই তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তারা। এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস। সেনাবাহিনীও উদ্ধারকার্যে যোগ দেয়। তবে সম্পূর্ণভাবে উদ্ধার কাজ শেষ হতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানানো হয়। পরিকাঠামোর অভাবে অনেক মানুষকে ধ্বংসস্তুপ থেকে বের করা যাচ্ছে না বলেও জানান উদ্ধারকারীরা। গ্যাস কাটার দিয়ে গ্রিল কাটার কাজ চালাচ্ছে। কিন্তু যে দ্রুততার সাহায্যে তা করা উচিত তা হচ্ছে বলে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। সাধারণ মানুষও উদ্ধারকার্যে এগিয়ে এসেছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘সাড়ে ১২টা নাগাদ বোমা ফাটার মতো আওয়াজ শুনতে পাই। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখি চোখের সামনে আস্ত একটা ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ছে।’

অনেকে খালি হাতেই চালাচ্ছেন উদ্ধার অভিযান

ঘটনার পর শহরজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশ সদস্যদের। চিৎপুর রোড, বিবেকানন্দ রোড-সহ একাধিক রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান আইভিআরসিএল-এর বিরুদ্ধে কাজে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। হায়দ্রাবাদ থেকে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা পাণ্ডুরঙ্গ রাও বলেন, ‘আমরা এই ঘটনায় হতবাক। এটা ভগবানের মার ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রায় ২৭ বছর কাজ করছি। কোথাও এ রকম হয়নি। সেতুর প্রায় ৭০ শতাংশ কাজও হয়ে গিয়েছিল। ফলে খারাপ মানের জিনিস দিয়ে কাজ হয়েছে এমনটাও নয়। তদন্তে প্রশাসনকে সাহায্য করা হবে।’ তবে একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করে রাওয়ের দাবি, ‘আমাদের জমি একসঙ্গে দেওয়া হয়নি। তাই গোটা কাজও একসঙ্গে করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।’

/এসএ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ