জ্যামমুক্ত ঢাকা!

Send
মোহাম্মদ মারুফ
প্রকাশিত : ১৭:৫৮, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:০৩, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭

 

প্রয়োজন যত জরুরি হোক না কেন, ঢাকা শহরে পরিকল্পনা  মাফিক গন্তব্যে পৌঁছানো এখন প্রায় দুঃসাধ্য। যানজটে স্থবির জনজীবন। অপচয় হচ্ছে সময়, নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা। কারও শুনতে হচ্ছে অফিসে বসের ধমক, কেউ কেউ সময় মতো পৌঁছতে পারছেন না শ্রেণীকক্ষে কিংবা অন্য যেকোনও কাজে।  যার প্রভাবে  অপচয় হচ্ছে সময়, নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা। যানজটে বসে থাকতে থাকতে বাড়ছে যাত্রীদের মানসিক যন্ত্রণা, যার মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে তাদের ব্যক্তিজীবনে।  

তবে যদি এরকম হতো, যাত্রীরা সবাই  রাস্তায় চেয়ারে বসে আছেন  কিংবা দাঁড়িয়ে আছেন, রাস্তা  তাকে পৌঁছে দিচ্ছে নির্ধারিত গন্তব্যে। শুনতে অবাক লাগলেও এরকমই  এক চলন্ত রাস্তার নতুন ধারনা উপস্থাপন করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রযোজক ও লেখক আবু সাইয়ীদ। তিনি এই পদ্ধতির নাম দিয়েছেন ‘চলন্ত রাস্তা’।

নির্মাতা আবু সাইয়ীদ জানান, চলন্ত রাস্তা ধারনাটি ঢাকাসহ পৃথিবীর যেকোনো শহরেই বাস্তবায়নযোগ্য। এই পদ্ধতিতে পরিবেশ দূষণ কমবে, যানজট মুক্ত থেকে সুনির্দিষ্ট সময়ে মানুষ তার গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে, জ্বালানি ও পরিবহন খাতের সার্বিক ব্যয় কমে  আসবে। তার মতে এই পদ্ধতির  বাস্তবায়ন খরচ কম এবং বাংলাদেশের কারিগরি দক্ষতায় এর বাস্তবায়ন করা  সম্ভব।

‘চলন্ত রাস্তা’ নামের এই নতুন পদ্ধতি সবার কাছে আরও সহজ করে উপস্থাপন করার জন্য তিনি আয়োজন করেছেন চলন্ত রাস্তার ধারণাগত এবং কারিগরি বিষয়ক  তিন দিনব্যাপি মডেল প্রদর্শনীর। যেটি ২৬-২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত  বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ভাস্কর্য গ্যালারীতে দর্শনার্থীদের উন্মুক্ত থাকছে।

প্রদর্শনীতে রয়েছে যানজট থেকে মুক্তির নতুন এই ধারণার মডেল রাস্তা। রয়েছে এই রাস্তার সুবিধা ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিস্তারিত জানার সুযোগ। প্রদর্শনীর এবং  নির্মাতা আবু সাইয়ীদের সহযোগী  ওমর ফারুক বলেন, প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ দর্শনার্থী বেশ আগ্রহ নিয়ে প্রদর্শনীতে আসছেন।  প্রদর্শনীতে আসা দর্শনার্থীরা বলেন, দুর্বিষহ যানজট থেকে মুক্তি পেতে  এরকম একটি ধারণা তাদেরকে আশান্বিত করছে। সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকেও বিষয়টি নিয়ে ভাবা হবে বলেও প্রত্যাশা করেন সকলে।

এফএএন

লাইভ

টপ