জমেনি ঈদ বাজার

Send
লাইফস্টাইল রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:৪৬, আগস্ট ১৯, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৪৯, আগস্ট ১৯, ২০১৮

বেনারসি পল্লীঈদের আর মাত্র দু’দিন বাকি। তবুও জমে উঠতে পারলো না পোশাকের বাজার। ঢাকার কয়েকটি মার্কেট ঘুরে এমনটিই দেখা গেছে। দু-চারজন ক্রেতা যাও আছে তারা নিত্য প্রয়োজনীয় পোশাক বা অন্যান্য অনুসঙ্গের জন্য মার্কেটে এসেছেন বলে জানালেন দোকানীরা।

নগরির সবচেয়ে জমজমাট শপিং কমপ্লেক্স বসুন্ধরা সিটিতে লোক সমাগম নেই বললেই চলে। পোশাক হাউস চৈতির বিপণন কর্মকর্তা জানান, সচরাচর কোরবানি ঈদে বিক্রি কমে থাকে। তবে এবার মাত্রাতিরিক্ত কম। শেষ সপ্তাহে কেনাকাটা জমে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এবার সেটাও নেই। দৈনন্দিন বিক্রির চেয়েও ঈদের বিক্রি কম।

ফ্যাশন হাউস স্মার্টেক্সের বিপণন কর্মকর্তাও হতাশা প্রকাশ করলেন। একই অবস্থা গ্রামীণ ইউনিক্লো, ইয়েলো, ক্যাটস, ইনফিনিটি, লুবনান রিচম্যানের মতো ব্র্যান্ডের শোরুমগুলোর।

দেশি দশও শূন্য দেখা গেলো। তবে গত সপ্তাহের থেকে এই সপ্তাহে বেচাকেনা বেড়েছে। তবে আশাব্যাঞ্জক নয় বলেই জানালেন বিক্রেতারা।

নিউমার্কেট এলাকায় গত সপ্তাহে একটু ভিড় হয়েছিল। ঈদের আগের সপ্তাহে একদমই ভিড় নেই। বিক্রেতারা জানালেন, কোরবানি ঈদে বিক্রিতে ভাটা পড়ে। তবে এবারেরটা একদম চোখে পড়ার মতো। রেডিমেড কাপড়ের বিক্রি রয়েছে কিন্তু গজ কাপড় বিক্রি হয়নি।

তবে লক্ষণীয় ভিড় নূরজাহান এসি মার্কেট ও ধানমন্ডি হকার্সে। তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে পা ফেলা যাচ্ছে না। আরমান কালেকশনের বিক্রেতা জানালেন, ভীষণ গরম পড়েছে। আরামদায়ক জামা, ফতুয়া, শার্ট ও টপস ও শর্টস কেনার জন্যই ভিড়। এটাকে ঈদ শপিং বলা যাবে না। নাভানা এপারেলসে বাচ্চাদের পোশাক বিক্রি হচ্ছে দেদার্সে। সবাই পার্টি পোশাকের চেয়ে গেঞ্জি কাপড়ের ও সুতি কাপড় কিনছে।

সায়েন্সল্যাব মোড় ও আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের পাঞ্জাবির বিক্রেতারা বেশ সন্তুষ্ট। আহামরি বিক্রি না হলেও প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।

বিক্রির ভাটা মিরপুর বেনারসি পল্লীতেও। একেবারেই বিক্রির খাতা শূন্য বলে জানালেন বেনারসি কুঠির বিক্রেতা এনায়েতুল্লাহ। নীলকন্ঠের বিক্রেতা জানান, গত সপ্তাহে বিয়ের শাড়ি কিছু বিক্রি হয়েছে তবে এই সপ্তাহে বিক্রি নেই বললেই চলে।

সবারই একইমত প্রত্যাশা অনুযায়ী জমে উঠেনি এবারের ঈদ বাজার।

 

/এফএএন/

লাইভ

টপ