ঈদ কেনাকাটা চট্টগ্রামের ঈদ বাজারে নেই বিদেশি পোশাকের দৌরাত্ম্য

Send
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৬:১০, মে ৩০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:১৩, মে ৩০, ২০১৯

দুই বছর আগেও ঈদে তরুণীদের পোশাকে আধিপত্য বিস্তার করেছিল ভারতীয় পোশাক- পাখি, কারিনা, ক্যাটরিনা। কিন্তু সেই আবহ এবার পাল্টে গেছে। এবার তরুণীদের ঈদের পোশাকে ভারতীয় এসব পোশাকের আধিপত্য নেই। এবার তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে বিভিন্ন দেশীয় পোশাক। লং ড্রেস, গাউন আর গারারা কিনছেন অনেকেই।


নগরীর বিভিন্ন শপিংমলের দোকানিদের সাথে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। দোকানীরা জানিয়েছেন, এবার ঈদে লেহেঙ্গার পাশাপাশি বাহারি ডিজাইনের সুতি থ্রিপিস কিনছেন তরুণীরা।
আক্তারুজ্জামান সেন্টার, লাকী প্লাজা, ইউনেস্কো সিটি সেন্টার, স্যানমার ওশান সিটি, ফিনলে স্কয়ার, আফমি প্লাজাসহ নগরীর অধিকাংশ শপিংমল ঘুরে দেখা যায় মেয়েদের পোশাকের দোকানে প্রদর্শন করে রাখা হয়েছে গারারা। জর্জেট, সিল্ক, কটন ও নেট কাপড়ে তৈরি এসব গারারার রঙে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন চমক। এছাড়া গাউন, বাবরি গাউন, কোটি সিস্টেম গাউনসহ নানান ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে ঈদ বাজারে। তবে দেশি পোশাকের পাশাপাশি অনেক দোকানেই শোভা পাচ্ছে ভারতীয় ও পাকিস্তানী পোশাক।


খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মান ও ক্যাটাগরি ভেদে দেশি পোশাক বিক্রয় হচ্ছে ১ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। ভারতীয় পোশাকের দাম শুরু ৩ হাজার থেকে। সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব পোশাক। অন্যদিকে পাকিস্তানী পোশাক পাওয়া যাচ্ছে ৪ থেকে ১০ হাজারের মধ্যে।
আগ্রাবাদ লাকী প্লাজার ফেইরি কুইন দোকানের মালিক মোহাম্মদ ইসমাইল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অন্যান্য বছর ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের নায়িকাদের নামের পোশাকগুলো বেশি বেচাকেনা হতো। তখন দোকানে ঢুকেই তরুণীরা ওইসব ড্রেস চাইতেন। কিন্তু এবার সেই চিত্র নেই। ক্রেতারা দোকানে এসে বসার পর যে ড্রেস পছন্দ হচ্ছে সেটিই কিনছেন। একই কথা জানিয়েছেন সানমার ওশান সিটির দোকানী শাহেদ। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ‘অন্যান্য বছর তরুণীরা পোশাক পছন্দ করে দোকানে আসতেন। কিন্তু এবার এটি নেই। দোকানে থাকা পোশাকগুলো থেকে দেখে শুনে পছন্দের পোশাক কিনছেন তারা।
আফমি প্লাজার বিক্রেতা মোহাম্মদ রফিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতি বছর নতুন নামে কিছু পোশাক বাজারে আসে। নতুন ডিজাইনের ওইসব পোশাকের প্রতি তরুণ তরুণীদের আগ্রহ বেশি থাকে। এবার তরুণীদের পছন্দের তালিকায় এগিয়ে আছে গারারা। মোগল আমলের এই পোশাকটি সময়ের বিবর্তনে আবারও হাল ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে।’
আক্তারুজ্জামান সেন্টারের মিস আর্ট দোকানের বিক্রয়কর্মী রুমি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এবার ঈদে গারারা ও বারবি গাউন বেশি বিক্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, টপসও কিনছেন তরুণীরা। তবে গতানুগতিক ডিজাইন থেকে ভিন্ন হওয়ায় এবার গারারার কদর বেশি।’

/এনএ/

লাইভ

টপ