ঈদের আগে যা প্রয়োজন

Send
আবির হাসান
প্রকাশিত : ১৮:৪৭, আগস্ট ১০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪৮, আগস্ট ১০, ২০১৯

ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর পশুর হাটগুলো। পশু বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আনুসাঙ্গিক জিনিসের বিক্রি। এর মধ্যে আছে ঘাস, খড়, ভুষি, চাটাই এবং খাইট্টা। কোরবানির পশুকে কোরাবানির আগে পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার উপরেই বসেছে এসব সামগ্রির অস্থায়ী দোকান। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমণ্ডি, মিরপুর রোড, পান্থপথ, কাওরান বাজার, বাংলা মোটর, রামপুরা, মালিবাগ, খিলগাঁও এবং মতিঝিল সহ প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই আছে এসব সামগ্রির দোকান।

মোহাম্মদপুর এলাকার খড় ব্যবসায়ী রফিক জানান, বিগত ৭-৮ বছর ধরে ঘাস এবং খড়ের ব্যবসা তিনি করছেন। কোরবানির ঈদ আসলেই পশুর সঙ্গে সঙ্গে এসব খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। ঘাস কম পাওয়া যায়, আর পাওয়া গেলেও অনেক দূর থেকে আনতে হয়। তাই কাঁচা ঘাসের দাম বেশি। এক আটি ঘাসের মূল্য ৪০-৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। অন্যদিকে খড়ের দাম কম। খড়ের দাম এক আটি ২০-৩০ টাকা।

ঘাস খড়ের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে কাঠালপাতা। কাঠালপাতার দামও বেশ চওড়া। এক আটি কাঠাল পাতা কিনতে গেলে খরচ করতে হবে ৭০-৮০ টাকা।

এছাড়া আছে ভুষি। বাজারে কয়েক রকমের ভুষি পাওয়া যায়। এর মধ্যে আছে   খৈল, ভুসি, ডালের খোসা, গমের ভুষি। মাণ অনুযায়ী এক একটির দাম একেক রকম। আবার অনেক জায়গায় কয়েক পদের ভুসি মিশিয়ে কেজি দরে বিক্রি করে। এই ভুসির কেজি ৭০-৮০ টাকা। বাজার ঘুরে জানা যায়, ঈদের দিন গরু জবাইয়ের পরপর আপনার প্রথম যেটি দরকার হবে সেটি হচ্ছে চাটাই ও খাইট্টা। দা-বটি, ছুরি, ডেউয়ের পাশাপাশি এই জিনিসগুলোও অপরিহার্য। চাটাই পাওয়া যাবে ১২০-১৫০ টাকায়। খাইট্টা কিনতে গেলে আকার অনুযায়ী দাম নিবে। ছোট সাইজের খাইট্টা নিবে২৫০ টাকা আর বড়টা নিবে ৫০০ টাকা।

মোহাম্মদপুরের চাটাই ব্যবসায়ী সালাম জানান, চাটাই বিক্রি এখনও তেমন ভাবে শুরু হয়নি। ঈদের আগের দিন রাতে মূলত চাটাই কেনার ধুম পরে। এছাড়া চাটাইয়ের সঙ্গে খাইট্টারও চাহিদা বেশি থাকে। তবে কসাইরা আগে থেকেই অর্ডার দিয়ে খাইট্টা নিয়ে যায় বলে জানান তিনি। ঈদকে সামনে রেখে বিক্রির অবস্থা মোটামুটি বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তবে ঈদের আগের দিন আবার বিক্রি বাড়বে বলে আশা ব্যবসায়ীদের।

 

/এফএএন/

লাইভ

টপ