behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

অটোরিকশা মিটারে না গেলে করণীয়

মাফি ইসলাম১৩:৪২, জানুয়ারি ২৭, ২০১৬

সিএনজি অটো রিকশা

অটোরিকশা নীতিমালা-২০০৭ অনুযায়ী নির্ধারিত স্ট্যান্ডে অবস্থান করার সময় কোনও সিএনজি বা পেট্রোলচালিত ৪ স্ট্রোক থ্রি হুইলারের চালক অল্প দূরত্বসহ সরকারের ঠিক করে দেওয়া এলাকার মধ্যে যেকোনও দূরত্বে যেতে বাধ্য। কিন্তু রাজধানীর বেশিরভাগ সিএনজি অটোরিকশা চালকই এসব নীতিমালার কোনও তোয়াক্কাই করেন না।

সবশেষ, গেল বছরের ১ নভেম্বর থেকে এ সংক্রান্ত একটি আইন কার্যকর করা হয়েছে। যেখানে সিএনজি ভাড়া প্রতি কি.মি. ৭ দশমিক ৬৪ থেকে বাড়িয়ে ১২.০০ টাকা করা হয়েছে এবং প্রথম দুই কি.মি. ২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে সেই সঙ্গে প্রত্যেক সিএনজি চালককের জন্য মিটারে যাওয়ার আইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কোনও চালক যদি মিটারে যেতে না চান অথবা মিটারের চাইতে বাড়তি ভাড়া আদায় করতে চান তবে তা হবে সিএনজি/পেট্রোলচালিত ৪ স্ট্রোক থ্রি হুইলার সার্ভিস নীতিমালা, ২০০৭ এর “ঙ”(৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত শর্তের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ঐ সিএনজি অটোরিকশাটির রেজিস্ট্রেশন স্থগিতসহ নেওয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা।

তবে কার কাছে কিভাবে অভিযোগ করতে হবে এসব তথ্য জানা না থাকায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আইন অমান্যকারী চালক ও অটো মালিকদের বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারেননা ভুক্তভোগীরা। চলুন জেনে নেই এ ক্ষেত্রে কিছু করণীয়-

১) যে অটোরিক্সা চালক উপরে উল্লেখিত নিয়মভঙ্গ করেছেন তার অটোরিকশার নাম্বারটি লিখে ফেলুন। সম্ভব হলে নাম্বার প্লেটসহ বাহনটির একটি ছবি তুলে রাখুন (পরবর্তীতে প্রমান হিসেবে প্রয়োজন হতে পারে)।

২) এ সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির(বিআরটিএ) কয়েকটি হটলাইন রয়েছে। এগুলো হলো-৯১১৩১৩৩, ৫৮১৫৪৭০১, ৯১১৫৫৪৪, ৯০০৭৫৭৪। অফিস চলাকালীন সময়ে এসব নম্বরে ফোন করে যে কেউ অভিযোগ দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ও ঘটনার বিবরণ জানিয়ে অভিযোগ গ্রহণকারীকে সহযোগিতা করতে হবে। এছাড়া, অটোরিকশাটির নাম্বারটি জানাতেও ভুলবেন না।

৩) আপনার অভিযোগের এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিআরটিএ চিঠি মারফত আপনাকে একটি নির্দিষ্ট দিন-ক্ষণে তাদের অফিসে (বিআরটিএ, এলেনবাড়ি, তেজগাঁও, পুরাতন বিমানবন্দর সড়ক,ঢাকা-১২১৫) এসে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হবে। একই সময় অভিযুক্ত চালক ও অটোরিকশাটির মালিককেও উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য,কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তৃতীয় ধাপটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিআরটিএ’র একজন কর্মকর্তা জানান, প্রায় প্রতিদিনই এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ পান তারা। তবে সেগুলো প্রমাণের জন্য অভিযোগকারীকে যখন অফিসে আসতে অনুরোধ করা হয় তখন তাদের কোনও সাড়া না পাওয়া যাওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা খালাস পেয়ে যান। সুতরাং এ সমস্যাটি দূর করতে হলে এ বিষয়ে যাত্রীদের সচেতন হওয়া অনেক বেশি জরুরি। উপরে উল্লেখিত প্রক্রিয়াগুলোর মধ্য দিয়ে যাওয়াটা অনেকের কাছে ঝামেলার কাজ মনে হতে পারে, কেউ কেউ হয়তো নিজের সময় নষ্ট করতে চাইবেন না।কিন্তু,একটি সুষ্ঠু পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য আপনার এ প্রচেষ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

/এফএএন/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ