Vision  ad on bangla Tribune

লোকশিল্পকে ভালোবেসে...

নওরিন আক্তার১৪:৪৫, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৬

কারুমেলা ১৪২২ হাজারও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তারা ভালোবেসে আঁকড়ে রেখেছেন দেশের ঐতিহ্যকে। কখনও কখনও তো টিকে থাকাই হয়ে পড়েছিলো চরম অনিশ্চিত! তারপরেও তারা অবহেলায় ত্যাগ করেননি বংশ পরম্পরায় প্রাপ্ত পেশাকে। ভালোবাসা ও সম্মান দিয়ে আজও ধরে রেখেছেন হাজার বছরের পুরানো লোকজশিল্প। এমনই নিবেদিতপ্রাণ কারুশিল্পীদেরকে সম্মান জানানোর জন্য বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজন করেছেন কারুমেলা। ধানমন্ডি ৭/এ সড়কের জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যাপীঠে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী কারুমেলা।

কারুমেলা ১৪২২

কারুমেলা ১৪২২

কারুমেলা ১৪২২

২০১০ সাল থেকেই নিয়মিত হয়ে আসছে এ আয়োজন। প্রায় ৬ মাস ধরে জরিপ চালিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কারুশিল্পীদের নিয়ে আসা হয় মেলায়। ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে দেশের হারিয়ে যাওয়া কারুশিল্প অন্বেষণই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। প্রতি বছর পুরষ্কার প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করা হয় তাদের কাজকেও। এ বছর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চার শ্রেষ্ঠ কারুশিল্পীকে জানানো হয় সম্মাননা। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন স্মৃতি পুরস্কার পান টাঙ্গাইলের বয়নশিল্পী রাজ্জাক। ঢাকার শাঁখারীবাজারের শঙ্খশিল্পী অনুপ নাগ অর্জন করেন পটুয়া কামরুল হাসান স্মৃতি পুরস্কার। শিল্পী রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন কুড়িগ্রামের শোলাশিল্পী নিত্য মালাকার। অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ স্মৃতি পুরস্কার দেয়া হয়েছে রাজশাহীর পুতুলশিল্পী বিজলী রানী পালকে। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে সম্মননা স্মারক, প্রশংসাপত্র ছাড়াও নগদ ৫০ হাজার টাকা করে অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়।

কারুমেলা ১৪২২

কারুমেলা ১৪২২

কারুমেলা ১৪২২

পুরস্কারপ্রাপ্ত চারটি মাধ্যমসহ মেলায় ১১টি মাধ্যমে কারুপণ্য বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শিত হচ্ছে। মাধ্যমগুলো হলো শঙ্খ, শোলা, চিত্রিত মাটির পুতুল, তাঁতের শাড়ি, আদিবাসী কারুশিল্প, পাটজাত শিল্প, কাঁথাশিল্প, গামছা ও লুঙ্গি, ধাতবশিল্প, বাঁশজাত শিল্প ও হাতে আঁকা চিত্র। মেলা চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

কারুমেলা ১৪২২

 

/এনএ/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ