Vision  ad on bangla Tribune

জাতীয় শিশু দিবসনেতিবাচক সমালোচনা ও অন্যের তুলনা নয়

সেলিনা ফাতেমা বিনতে শহীদ১২:০৫, মার্চ ১৭, ২০১৬

শিশুকাল

ঠিক একইভাবে শিশু যখন নিজের সম্পর্কে শুনে কিংবা দেখে বাবা-মা’র বিশ্বাস যে সে পারে না, তখন সে নিজেও বিশ্বাস করতে শুরু করে যে সে হয়তো সত্যিই অন্যদের চাইতে কম পারে কিংবা পারে না। পরবর্তীকালে এসব শিশু ভালো করলেও ভাবে ভাগ্য বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে হয়েছে, সে আসলে অতটা মেধাবী নয়। এর ফলে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে তার যতটা ভালো করার কথা ছিলো তার চেয়ে কম অর্জন করে শুধু আত্মবিশ্বাসের অভাবে।

অন্যের সঙ্গে  তুলনা করা নিয়ে আমরা অনেক সময় ভাবি, তুলনা করলে শিশুর মধ্যে জেদ হবে, জেদের বশে সে অন্যের চাইতে ভালো করবে। তাই আমরা প্রায়ই বলে থাকি, ‘দেখোতো তোমার চাচাতো ভাই লেখাপড়ায় কত ভালো, তাকে সবাই অনেক মেধাবী বলে। তুমিতো ওর মতো কিছু পার না।’এ ধরনের তুলনা শিশুর মধ্যে ভালো করার প্রবণতার পরিবর্তে হীনমন্যতার জন্ম দিতে পারে। তার মধ্যে শঙ্কা জাগতে পারে, নিশ্চয়ই তার মধ্যে কোনো সমস্যা রয়েছে যার কারণে সে তার চাচাতো ভাইয়ের মতো পারে না। অনেক সময় দেখা যায়, এসব শিশুর অন্য শিশুর প্রতি হিংসা তৈরি হয় এবং যারা অন্য শিশুটিকে ভালো বলছে, তাদের প্রতিও ক্ষোভ তৈরি হয়। সেজন্য সে আরো অবাধ্য আচরণ করে। সেভাবে কেউ তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বরং যারা ভালো করে সবাই তাদের নিয়ে ব্যস্ত বা প্রশংসা করছে। এতে তার আত্মবিশ্বাস কমে গিয়ে তার মনে হয় যেহেতু সে অন্যের চাইতে কম পারে এজন্য তাকে বোধহয় কেউ পছন্দ করে না বা গুরুত্ব দেয় না। এই নেতিবাচক চিন্তা তার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। তাই আত্মবিশ্বাস ধ্বংসকারী কঠোর ও নেতিবাচক সমালোচনা ও তুলনা করা থেকে বিরত থাকুন। শুধু কাজের কিংবা লেখাপড়ার ক্ষেত্রেই নয়, আত্মবিশ্বাসের অভাব ব্যক্তি জীবনের যে কোন ক্ষেত্রে প্রতিকূলতা তৈরি করে।

ছবি: সংগৃহীত।

/এফএএন/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ