রাজশাহীর সাপের খামারে একদিন

Send
সামিউল্যাহ সমরাট
প্রকাশিত : ১৫:২৮, মার্চ ১৮, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৪০, মার্চ ১৮, ২০১৬

সাপের বাচ্চা

গন্তব্য পবা উপজেলায় সাপের খামারে। সাপের খামার কখনও দেখা হয়নি।তাই জুঁইকে আগাম ধন্যবাদ দিলাম আমরা। ব্যাটারিচালিত অটো রিকশা  নিলাম। রাজশাহী নগর থেকে নওগাঁ রোডে  আমচত্বর পার হয়ে বায়া বাজার। সেখান থেকে বামের সরু পথে প্রায় ত্রিশ মিনিট পাড়ি দিয়ে আফিনেপাল পাড়ায় এসে  ধর্মহাটা  প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখান থেকে আরও একটু বামে এগিয়ে গিয়ে ওঁরাও (সাঁওতাল)বসতি। আমরা অটোরিকশা ছেড়ে দিলাম।  সামনে মাঝ বয়সী শীর্ণকায় একজনকে সাপের খামারের কথা জিজ্ঞেস করতেই হাত উঁচিয়ে দেখিয়ে দিলেন। জানালেন খামারের  তত্বাবধায়কের নাম ফরিদ।  সাঁওতাল বসতিতে আমাদের সঙ্গী হিসেব পেলাম ধীরেন ওঁরাও আর ভারতি সাঞ্চীকে। বেশ কয়েকটি তাল গাছ ঘেরা এক চিলতে উঠোন। উঠোনের পূর্ব পাশে টিনের চালা দেয়া ছোট ইটের ঘর। দরজায় তালা। এখন তো ফরিদকে দরকার। ঢাকা থেকে এসেছি শুনে কেউ একজন ছুটে গিয়ে ফরিদকে ডাকতে।   ফরিদ এল প্রায় মিনিট দশেক পরে। ঘরের  বিভিন্ন ফাঁক ফোঁকর দিয়ে  আমরা  উঁকি ঝুকি  মেরে সাপ দেখার চেষ্টা করছিলাম। এটা বোধ হয় ঠিক কাজ ছিলনা। ফরিদের পিছু পিছু  আমরা ভেতরে ঢুকলাম। বেশ ভয় ভয় করছিল। সাপের কাছাকাছি জীবনেও যাইনি। সিমেন্টের তৈরি ছোট ছোট খোপে  একেক প্রজাতির  সাপ রাখা হয়েছে। ২০০৯ সালে এই গড়ে তুলেছেন তরুণ গবেষক বোরহান বিশ্বাস  রুম্মান। ফরিদের কাছ থেকে নাম্বার নিয়ে খামারের উদ্যোক্তা বোরহান বিশ্বাসের সাথে কথা বললাম। তিনি জানালেন ২০০৯ সালে মাত্র ৫ টি সাপ নিয়ে এই খামার শুরু করেছেন তিনি।  সাপ সম্পর্কে মানুষের অনেক ভ্রান্ত ধারনা রয়েছে।

লাইভ

টপ