রাজশাহীর সাপের খামারে একদিন

সামিউল্যাহ সমরাট১৫:২৮, মার্চ ১৮, ২০১৬

সাপের বিশ্রাম

এই বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন   রকমের সাপ চোখে পরলে গ্রামের মানুষ জন আতঙ্কে সেগুলোকে নির্বিচারে মেরে ফেলত। বিষাক্ত সাপের কামড়ে অনেক মানুষ মারাও যেত। সাপ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে এবং সাপ  সংরক্ষণের উদ্দেশ্য নিয়েই  এই খামারের শুরু। এই খামারের নাম ‘স্নেক রেস্কিউ অ্যান্ড  কনজারভেশন সেন্টার’। এখন কোথাও সাপ ধরা পরলেই সেখান  থেকে সাপ  সংগ্রহ  করে এই খামারে আনা হয়।  সাপের উৎপাদনও করা হয় এখানে। ফরিদ একে একে অনেকগুলো সাপ, সাপের ডিম দেখাল। খোপগুলোর নাম্বার দেয়া আছে। কোন খোপে কয়টি সাপ রাখা আছে সেটাও স্পষ্ট করে লেখা।  কাঁচের  বোতলে সাপের ডিম সাজানো।

এখন এই খামারে রয়েছে বাসবোরা,আইল বোরা,মাইছা আলাদ,বাতাচিতা,শঙ্খিনী,রাসেল ভাইপার,গোরাস,বাসুয়া,চন্দ্রবোরা,ডারাস,ভেমটা ও ঢোড়া সহ  প্রায়  ১৫ প্রজাতির ৯০টি সাপ। বোরহান বিশ্বাস এই খামার নিয়ে অনেক পরিকল্পনার কথা শোনালেন। বাণিজ্যিক ভাবে সাপের বিষ উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি,বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির  বিভিন্ন সাপ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি ভারত থেকে সাপ বিষয়ে প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। সাপের রাজ্যে প্রায় দু ঘন্টা কেটে গেছে। এক দারুণ অভিজ্ঞতা  সঙ্গে করে  ফরিদকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমরা নগরের পথে পা বাড়ালাম।  

 সাপের ঘরসাপ

ঢাকা থেকে যোগাযোগ-

শ্যামলী অথবা কল্যাণপুর থেকে রাজশাহীগামী বাস কিছুক্ষন পরপর ছেড়ে যায়। এছাড়া কমলাপুর স্টেশন থেকে ধুমকেতু একপ্রেস,পদ্মা  এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেসে রাজশাহী স্টেশনে নেমে অটোরিকশায়  ৮০ থেকে একশ টাকায় আফি নেপালপাড়া। 

/এফএএন/

লাইভ

টপ