behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

‘গল্প লিখেই উপহার’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

লাইফস্টাইল রিপোর্ট২১:২৮, মার্চ ২৫, ২০১৬

IMG_8186

বাংলা ট্রিবিউন আয়োজিত ‘গল্প লিখেই উপহার’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কৃত করেছে বাংলা ট্রিবিউন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউন কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর আয়োজনে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল এবং প্রধান বার্তা সম্পাদক হারুন উর রশীদ। এ আয়োজনে পুরস্কার প্রাপ্ত রোহিত হাসান কিছলু, শাহরিনা রহমান এবং ওয়াজেদ মহান ছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্য রাখছেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল। তিনি অভিনন্দন জানান বিজয়ীদের। তিনি তার বক্তব্যে লেখালেখি নিয়ে তার নিজের সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। একজন কবি ও গীতিকার হিসেবে তার দীর্ঘদিনের পথচলার গল্পটি জানান তরুণ গল্পকারদের।

তিনি তরুণদেরকে অনবরত লিখে যাওয়ার উৎসাহ দেন। তিনি বলেন, একসময় যেসব লেখক ও সঙ্গীতজ্ঞ তার লেখা ছাপতে ও গানে সুরারোপ করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন আজ তারা নিজে থেকে লেখা চেয়ে নেন, অ্যালবাম উৎসর্গ করেন। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শ্রম ও হাল ছেড়ে না দেওয়া। বিজয়ী তিন প্রতিযোগীও যেন লেখা ছাপা না হলে হাল ছেড়ে না দেন এই প্রত্যাশাই করেন তিনি।

পুরস্কার নিচ্ছেন রোহিত হাসান

‘তমিজ আলীর আক্ষেপ’ গল্প লিখে প্রথম পুরস্কার অর্জনকারী রোহিত হাসান কিছলু তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন ফান ম্যাগাজিনে লেখার কারণে তিনি রম্য লেখক হিসেবেই পরিচিত হয়ে আসছিলেন। একরকম জেদ থেকেই তিনি সেই অবস্থান পরিবর্তন করতে একরকম জেদ থেকেই সিরিয়াস লেখালেখির প্রতি আগ্রহী হন। তিনি জানান বাংলা ট্রিবিউনের পুরস্কার তার জীবনে প্রথম স্বীকৃতি। এর আগে কোনও প্রতিযোগিতায় তিনি পুরস্কার পাননি। এটি তার জন্য অনেক বড় অর্জন ও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে ধন্যবাদ জানান। এবং বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ আরও এ ধরনের আয়োজন করবে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।  

পুরস্কার নিচ্ছেন শাহরিনা রহমান

‘নিভৃত যতনে’ গল্পের জন্য দ্বিতীয় পুরস্কার অর্জনকারী শাহরিনা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে ধন্যবাদ জানান এই আয়োজনের জন্য। তিনিও লেখালেখির অভিজ্ঞতা জানান। তার বাবা যখন তাকে প্রথম ইন্টারনেট সংযোগ দেন তখন থেকে তিনি লিখতে শুরু করেন। সেসময় তিনি সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিনি বরিশাল মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি সবার কাছে শিক্ষাজীবন ও লেখালেখিতে সফলতার জন্য দোয়া চান।

পুরস্কার নিচ্ছেন ওয়াজেদ মহান

 

তৃতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ওয়াজেদ মহান ‘অক্ষমতা’ গল্প লিখে এই স্থান অর্জন করেছিলেন। তিনিও বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি  নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনেক ভাইবোনের সংসারে তিনিই একমাত্র লেখালেখি করতেন। তার লেখা প্রকাশের পর ভাইবোনদের মধ্যে কাড়াকাড়ি পড়ে যেত। দেশের শীর্ষ একটি দৈনিকে প্রথম লেখা ছাপা হওয়ার পর রীতিমতো তালিকা করে পত্রিকা কিনে বন্ধু-বান্ধবদের দিয়েছিলেন তিনি। পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি অন্যরকম। তার গল্প নির্বাচিত হওয়ায় বিচারকদের কাছেও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এরপর বক্তব্য রাখেন বাংলা ট্রিবিউনের প্রধান বার্তা সম্পাদক হারুন উর রশীদ। তিনি মূল ধারার সাংবাদিকতা ও সাহিত্যিকদের মধ্যকার পার্থক্য তুলে ধরেন তার বক্তব্যে। অনেকের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, সাংবাদিক মানেই লেখক, কিন্তু সব লেখক সাংবাদিক নন। তিনি পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন ভবিষ্যতে বাংলা ট্রিবিউনের যেকোনও আয়োজনে তরুণ লেখকরা পাশে থাকবে।

আলোচনা শেষে বিজয়ীদের হাতে সনদ, নগদ অর্থমূল্য ও বাংলা ট্রিবিউনের স্যুভেনির তুলে দেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রধান বার্তা সম্পাদক।

এরপর ছিল চা-নাস্তার আয়োজন সঙ্গে আড্ডা। আড্ডায় বাংলা ট্রিবিউনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল বিজয়ী লেখকদের কাছ থেকে বাংলা ট্রিবিউন প্রসঙ্গে আলোচনা ও সমালোচনা শুনতে চান। সবাই ভালো লাগা, প্রত্যাশা, আরও কি থাকতে পারে সেসব নিয়ে মন্তব্য করেন। সে সময় জুলফিকার রাসেল বলেন, শুরু থেকেই একদল তরুণ বাংলা ট্রিবিউন পরিচালনা করে আসছে। তাই তরুণদের প্রাধান্য দিয়েই কাজ করতে আগ্রহী কর্তৃপক্ষ। তাদেরকে ইমেইলেও বাংলা ট্রিবিউনের সম্পর্কে মন্তব্য পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি।

ছবি: নাসিরুল ইসলাম  

/এফএএন/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ