রফিক আজাদ সংখ্যা

Send
গ্রন্থনা : শিমুল সৌরভ
প্রকাশিত : ১২:৫৫, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:১৮, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৭

এ বছর ফ্রেব্রুয়ারিতে মিন্টু হক সম্পদিত কাশবন  সাহিত্য পত্রিকা ‘অমেয় আলোর কবি রফিক আজাদ’ স্মরণসংখ্যা প্রকাশ করেছে। স্মৃতিচারণ, আলোচনা, নিবেদিত কবিতা, সাক্ষাৎকার, এক নজরে রফিক আজাদ, পত্রমালা এবং আলেখ্যকাব্য—এই ৭টি বিভাগে রফিক আজাদের উপর বৈচিত্রময় লেখা, দুর্লভ ছবি ও চিঠিপত্র প্রকাশিত হয়েছে।লিখেছেন খ্যাতিমান লেখক থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্মের লেখকরাও। প্রচ্ছদে কবির পোর্ট্রেট এঁকেছেন মাসুক হেলাল। মূল্য ৩৯০ টাকা।
কাশবন  প্রকাশের পর কবি নির্মলেন্দু গুণ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো—
“কাশবন : কবি রফিক আজাদ স্মরণসংখ্যা

কাশবন  পত্রিকা কর্তৃপক্ষ ও কাশবন  পত্রিকার সম্পাদক কবি মিন্টু হক-কে অভিনন্দন জানাতেই হয়। প্রয়াত "আলোর কবি" রফিক আজাদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে মিন্টু হক ৭৫০ পৃষ্ঠার যে বিশেষ সংখ্যাটি প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের তো বটেই, বিশ্বের উন্নত দেশেও কোনো প্রয়াত কবিকে নিয়ে এমন কাজ খুব বেশি হয়েছে বলে মনে হয় না। বাংলা একাডেমিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় কবি রফিক আজাদ "বুদ্ধদেব বসু" বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে যে দ্ষ্টৃান্ত স্থাপন করেছিলেন—তরুণ কবি মিন্টু হক যেন কবি রফিক আজাদের প্রদর্শিত পথেই আরও এক ধাপ নয়, বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে গেলেন। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শতাধিক লেখক কবি রফিক আজাদকে নিয়ে লিখেছেন। অকাল প্রয়াত কবির স্মৃতিচারণ করেছেন তাঁর বন্ধু কবিরা, তাঁর রচিত কাব্যের মূল্যায়ন করেছেন সমকালীন কাব্যবোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধারাও তাদের সহযোদ্ধা কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। কবিরা কবিতা লিখেছেন তাঁকে নিয়ে। এই বিপুল সংকলনে স্থান পেয়েছে কবির লেখা ও কবিকে লেখা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পত্র। প্রকাশিত হয়েছে, এই সংকলনে কবি রফিক আজাদের বর্ণিল জীবনের বেশ কিছু আনন্দ বেদনার ছবি। কবি রফিক আজাদ যে বড় মাপের একজন কবি ছিলেন, কাশবন  পত্রিকার "অমেয় আলোর কবি রফিক আজাদ" বিশেষ সংখ্যাটি তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। ধন্যবাদ কাশবন। ধন্যবাদ কাশবন  সম্পাদক কবি মিন্টু হক। You have done a wonderful job.

নয়াগাঁও ৬/০২/১৭”
উল্লেখ, এর আগে মিন্টু হক নির্মলেন্দু গুণ সংখ্যা করে পাঠকমহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

মিন্টু হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রফিক আজাদ আমার প্রিয় কবি, প্রিয় মানুষ। তাঁকে নিয়ে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত। তবে দুঃখ রয়ে গেলো এই সংখ্যাটি কবি দেখে যেতে পারলেন না—কোনো কোনো ভালোবাসা থাকে যা প্রকাশের সুযোগও থাকে না—ব্যাপারটা এমনই। আমি কবি রফিক আজাদের ভক্ত, পাঠক, বন্ধু ও সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই; তাদের সহযোগিতা নিয়েই আমি এই সংখ্যাটি সফল করতে পেরেছি।’

লাইভ

টপ