কার্যকর বিবর্তনমূলক অভিধান রচনার পথসন্ধান

Send
ফিরোজ আহমেদ
প্রকাশিত : ০৬:০০, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:২৪, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৭

পূর্ব প্রকাশের পর

কলেবর বৃদ্ধি করার সুযোগ থাকলে এমনি অজস্র গুরুত্বপূর্ণ শব্দের প্রয়োগ বিষয়ে বিবাঅ কতটা উদাসীন থেকেছে, সেগুলোর বির্বতনের রূপটিকে দেখানোর তেমন চেষ্টা করেনি— সেটা বিস্তারিত দেখানো যেতো। কিন্তু আলোচনাকে এই পর্যন্ত সীমিত রেখেই বরং অন্য দুটি প্রস্তাব আমরা আলোচনা করতে চাই।

প্রথমত বিবর্তনমূলক একটি অভিধান প্রণয়নের জন্য প্রয়োজন কেবল শব্দখোঁজা কর্মীবাহিনী নয়; বিশেষ বিশেষ কতগুলি পেশার এমন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি, যারা বাংলা ভাষা ভালো জানেন। বিবাঅ-এর প্রধান কুশীলব গোলাম মুরশিদের জবানিতে জানতে পারা যায় এই কাজের জন্য লোকবল বাছাই প্রক্রিয়ার কথা:

“তার পরের দিন থেকেই শুরু হলো লোক খোঁজা। জন পঁচিশ প্রার্থীর মধ্য থেকে প্রথমে আটজনকে বেছে নিলাম। এঁদের কেউই আগে কোনো দিন অভিধানের কাজ করেননি। কাজেই সহকর্মী নির্বাচন করে উল্লসিত অথবা আশাবাদী হয়েছিলাম—এ কথা বলতে পারছি না। কিন্তু নতুন অভিধান, নতুন কর্মী—এটা এক ধরনের সুবিধা।”

এই কর্মী বাহিনীকে অভিনন্দন না জানিয়ে পারা যায় না। দুরুহ এই কাজটির কায়িক শ্রমের প্রায় পুরোটাই তারা সম্পন্ন করেছেন, দালানের পরিকল্পনাগত ত্রুটির দায় তাদের নয়। জানাই যাচ্ছে তাদের পারিশ্রমিকও খুব বিশাল ছিল না। তবে তাদের সঙ্গে আরো দরকার ছিল সাহিত্য ও জ্ঞান বিজ্ঞানের নানান শাখার ব্যক্তিদের সমন্বয়। প্রয়োজন ছিল অন্তত কজন ইতিহাসবিদের পরামর্শ নেয়ার, কজন বাংলা সাহিত্যের শিক্ষকের পরামর্শ নেয়ার। একইভাবে এক বা একাধিক চিকিৎসক, আইনজীবী, ভূগোলবিদ কিংবা এজাতীয় সংশ্লিষ্ট পেশার ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হবার প্রয়োজন ছিল। এমনকি কয়েকজন খ্যাতনামা ধর্মতাত্ত্বিকের পরামর্শও জরুরি ছিল, প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশে প্রচলিত ও উদ্ভুত বিভিন্ন ধর্মসম্প্রদায়ের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়ার। এরা ৯-৫ কর্ম ঘণ্ট ধরে শব্দ খুঁজবেন না। বরং  কী কী গ্রন্থ থেকে শব্দগুলো খুঁজতে হবে, তার পেশাগত পরামর্শ দিতে পারবেন। সেটা করা হয়েছি কি না, তা আমরা গোলাম মুরশিদের ভাষ্যে পাইনি। এই বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধানের যা ঘাটতি, সেটা মেটাবার কথা কল্পনাও করা যায় না এই ব্যক্তিদের সহায়তা ছাড়া।

কিন্তু সেটাতে বাস্তব একটা বাধা আছে, তা আমরা জানি। সেটা তহবিলের সঙ্কট। আমাদের মেনে নিতে হবে যে, বাংলা ভাষার বিবর্তনমূলক অভিধান তৈরির কাজটি যতই জরুরি হোক না কেন, তত বড় একটা কাজের রসদ কেউ আপাতত যোগাবে না, যদিও বহুগুণ অর্থ নিয়তই বিদেশে পাচার হতে থাকবে। গোলাম মুরশিদের লেখায় তার সাক্ষ্য আছে:

“আমরা একটা জানালাবিহীন ঝুল আর ধুলোভরা পরিত্যক্ত বড় কক্ষ পেয়েছিলাম আমাদের অভিধান নির্মাণের কারখানা হিসেবে। সেখানে নতুন আসবাবপত্র এসেছিল। পুরোনো কম্পিউটার এসেছিল। সমস্ত ঘরটা ভরে গিয়েছিল মাল্টিপ্লাগ আর ইতস্তত বিক্ষিপ্ত বৈদ্যুতিক তারে। মোট কথা, কাজের জন্য খুব অনুকূল পরিবেশ পেয়েছিলাম, সে কথা হলফ করে বলতে পারছি না। অনেক সময় কর্মচারীরা বেতন পেতেন মাসের আট-দশ দিন চলে যাওয়ার পর।”

আরও আছে:

“আমরা যেহেতু শব্দের ইতিহাস পুনর্নিমাণ করতে চেয়েছি প্রথম ব্যবহার এবং পরবর্তী ব্যবহারসমূহের দৃষ্টান্ত খুঁজে, সেজন্য বই এবং পত্রপত্রিকা পড়ে আমাদের শব্দগুলো খুঁজে বের করতে হয়েছে। আমাদের যাত্রা শুরু চর্যাপদ এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন থেকে। চর্যাপদের সব শব্দ বাংলা ভাষায় টিকে থাকেনি, তবু তার প্রতিটি শব্দই আমরা নিয়েছি। শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সব শব্দও নিতে চেষ্টা করেছি। এভাবে যদি পুরো বাংলা পুথিগুলো এবং ছাপানো বইগুলো ব্যবহার করতে পারতাম, তা হলে বাংলা ভাষার তাবৎ শব্দ আমাদের জালে ধরা পড়ত। কিন্তু সেভাবে করতে গেলে বিশ-তিরিশ বছর সময় লেগে যেত। আমাদের হাতে তেমন অঢেল সময় ছিল না। তাছাড়া, বই জোটানোও সম্ভব ছিল না। তাই আমরা কেবল নির্বাচিত কিছু বইপত্রই ব্যবহার করেছি।”

আমরা আগেই দেখিয়েছি, চর্যাপদের কিংবা মধ্যযুগের পরিচিত সাহিত্যের যথাযথ ব্যবহার বিবাঅ নির্মাতারা সন্তোষজনক ভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এরপরও, সামর্থ্য যা আছে, সেটাকেই যথাসম্ভব বাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টাটাও তো জরুরি। এমনকি, নিজদের সঙ্গতিতে না কুলালে বাইরে সমাজের আর পাঁচজনের কাছে সাহায্য যাঞ্ছা করতে দোষের কিছু নেই। সেটা বিরাট উপকারের হতে পারে, বিশেষ করে কাজটির সঙ্গে যখন বাংলাভাষী সকলেরই স্বার্থ জড়িত। আমরা নগদ সাহায্যের কথা বলছি না, সেটা মিললে মন্দ হতো না। আমরা গায়ে খেটে সহায়তার কথাও বলছি।

এই রকম সহযোগিতার একটা কৌতুহলোদ্দীপক উদাহরণ সম্প্রতি ঘটেছে। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখের গার্ডিয়ান পত্রিকার সংবাদ অনুযায়ী, ইসরায়েলি পুরাতত্ত্ববিদরা ৬ মাস ঘরে ঘর্মক্লান্ত হয়েছেন এমন একটি খুড়ে পাওয়া বস্তুকে কয়েক ঘণ্টায় চিহ্নিত করেছেন সামাজিক গণমাধ্যমের সাধারণ নাগরিকরা। শৌখিন তদন্তে শেষপর্যন্ত জানা গেলো আবিষ্কৃত বস্তুটি কোন পুরাবস্তু নয়, এটি একটি আধুনিক পণ্য।

আরও ব্যাপক আকারে জনসাধারণের অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়াকে এই বিবর্তনমূলক অভিধান নির্মাণের কাজটিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। তার প্রক্রিয়াটি কঠিন নয়। বিবাঅ কর্তৃপক্ষ তাদের তালিকাভুক্ত শব্দগুলোর ভুক্তিসমূহকে অন্তর্জালে সহজলভ্য করে দিতে পারেন। কোন আমপাঠক বিবাঅ উল্লেখিত সময়ের চেয়ে পুরনো কোনো পুস্তকে শব্দটির উল্লেখের সন্ধান পেয়ে থাকলে তারা সেটা মন্তব্যের ঘরে জানিয়ে দেবেন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে। জানিয়ে দেবেন ইতিহাসের কোন কালপর্বে শব্দটির ব্যবহার ও অর্থ পরিবর্তিত হবার নিদর্শন থেকে থাকলেও। এমনকি নতুন নতুন কোনো ভুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবের বিষয়ে তাদের পরামর্শ চাওয়া যেতে পারে। এই আলাপগুলো আলাপ বা মন্তব্য অংশে থাকবে,  ইচ্ছুকরা তাতে অংশ নেবেন। ছোট্ট একটি যোগ্য ও দক্ষ সম্পাদনা পরিষদ এমনি সকল পরামর্শ, প্রস্তাব ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত করে দেবেন। গোলাম মুরশিদ তার লেখাতে অনুমান করেছেন, মোটামুটি আদর্শ একটা বিবাঅ  তৈরি করতে বিশ তিরিশ বছর লাগতো। ৯ কিলোগ্রাম ওজনের যে তিন খণ্ডে বিবাঅ ছাপা হয়েছে,  আমাদের আলোচ্য প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করলে অনেক দ্রুত সময়েই—অবশ্যই  বিশ তিরিশ বছর নয়—আরও যথাযথ ও সুনির্দিষ্ট ভুক্তি সম্বলিত একটি বিবাঅ-র সংশোধিত সংস্করণ ওই ৯ কিলোগ্রামেই ছাপা সম্ভব হবে। কলেবর আরও বর্ধিত করার সুযোগ থাকলে জনঅংশগ্রহণের এই পদ্ধতিতেই আঠারো কিলোগ্রামেও গুণগত মান আরও বৃদ্ধি করেই সেটি প্রকাশিত হতে পারবে। প্রয়োজনে এভাবে সহায়তাকারী নাগরিকদের নামও স্বেচ্ছাসেবী তালিকায় উল্লেখ করা যেতে পারে। বিপরীতে, অজস্র পুঁথি ঘাটার তহবিল ও জনবল নেই বলে কাজটাকে দায়সারাভাবে সম্পন্ন না করে বরং একটা বিভ্রান্তিকর জ্ঞানকোষ আমরা পেতে থাকবো।

বারো.

এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করে অভিধান রচনার প্রক্রিয়াটিকে সর্বজনের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে দিলে সেই অভাবটি অনেকদূর মোচন হতো, যে অভাবের কথা আমরা জানতে পারছি গোলাম মুরশিদের লেখায় ‘কারণ কারও রচনাই পুরো পড়ার মতো সময় আমাদের ছিল না। এমনকি, রবীন্দ্রনাথের নয়, নজরুল ইসলামের নয়, অথবা জীবনানন্দ দাশেরও নয়। রচনা পড়ে সংকলকের যে অর্থ মনে হয়ছে, তা সর্বত্র মিলিয়ে দেখাও সম্ভব হয়নি। তাও সময়ের অভাবে। আমার ধারণা, পাঁচ বছর সময় পেলে অভিধানটা আর একটু ভালো হতো। দশ বছর সময় আর দশজন অভিজ্ঞ কর্মী পেলে অভিধানটা সত্যি সত্যি ভালো হতো। কিন্তু আমরা কথা বলছি, কী হতে পারত তা নিয়ে নয়, কী হয়েছে, তা নিয়ে।’

এই পরিস্থিতি অনেকখানি লাঘব করা সম্ভব হবে। যদি আমরা যেকোনো অভিধান নির্মাণের কাজটাকে আরও খানিকটা মুক্ত করে দিতে পারি জনপরিসরে। পুরোটা রবীন্দ্রনাথ, পুরোটা নজরুল অথবা পুরোটা জীবনানন্দ পড়া আছে এমন অজস্র পাঠক দেশে পাওয়া যাবে। মধ্যযুগের সাহিত্য আলাদা আলাদা ভাবে পাঠ করা আছে, এমন পাঠকের সংখ্যা অজস্র না হলেও আছে। আছে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান রচনার ইতিহাস বিষয়ে কমবেশি জানাশোনা ব্যক্তিবর্গ। তাদের সহায়তা আহ্বান করে দেখা যেতে পারে সরকারি বরাদ্দের অপ্রতুলতাতে অতিক্রম করা যায় কি না। মানুষের উৎসাহে আস্থা রেখে একথা বলা যায়, এই কাজে অংশ নেয়ার জন্যই আজকের ছেলে মেয়েদের কেউ কেউ হয়তো নিজেকে মধ্যযুগের পুঁথি কিংবা বৈষ্ণব পদাবলী অথবা মঙ্গলকাব্যের গবেষক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে প্রেরণা পেতেন।

আমরা অবশ্য, এভাবে কথা বলছি কি হতে পারতো তাই নিয়ে শুধু নয়, ভবিষ্যতে কি হতে পারে, সেটা বিষয়েও। এবং এ কারণেই কী হতে পারতো, সেই আলোচনা এড়িয়ে যাবার কোনো সুযোগ আমাদের নেই। আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা এই যে, এই পরিমাণ তথ্য অন্তর্জালে বাংলা ভাষায় সহজলভ্য হলে সেটারও একটা গুরুতর প্রভাব বাংলা ভাষা চর্চার ওপর পড়তে বাধ্য। এই কারণেও দাবি থাকবে বিবর্তনমুলক বাংলা অভিধানের তথ্যগুলো অন্তর্জালে প্রকাশ করা এবং তা নিয়ে সেখানেই আলোচনা বিস্তারের সুযোগ করে দেয়া।

তহবিলের অভাবে গোলাম মুরশিদ বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন। ভারতে ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার ৬৫০ রুপি পারিশ্রমিক নিয়ে পাঠ্যপুস্তক রচনা করে দিয়েছিলেন, সেই পাঠ্যপুস্তক লক্ষ লক্ষ সংখ্যায় বিক্রি হয়েছে।  থাপার ওই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনায় যতটা পরিশ্রম করেছেন, তার তুলনায় অনেক লঘু পরিশ্রম করেই এই অভিধান রচনায় গূরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞবৃন্দ, সাধারণ পাঠকরাও। তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ ও অন্তর্জাল সেই সুযোগটি করে দিয়েছে আমাদের জন্য প্রশ্ন হলো আমরা যথাযথ মানুষগুলোকে যুক্ত করতে চাইছি কি না, তাদেরকে যুক্ত করার চেষ্টাটা কতদূর করেছি। এবং এই নিশ্চয়তা দেয়া যায় যে, এমন মানুষ দেশে অজস্র না থাকলেও অনেক আছেন নিশ্চিতভাবেই। শুধু প্রয়োজন হলো তাদের কাজকে যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেয়া, তাদেরকে যুক্ত করার আন্তরিক উদ্যোগ নেয়া। দুনিয়ার সকল কিছু হয়তো টাকায় মেলে, টাকা দিয়ে সব কিছুকে হয়তো মানসম্পন্ন করাও যায়, তবুও যথাযথ তদারকির আওতায় রেখেই কোনো কাজকে সামাজিক উদ্যোগে পরিণত করা গেলে তা থেকে সবচে কম বিনিয়োগে সর্বোচ্চ পরিমাণ শস্য ফেরত পাওয়া সম্ভব। আমার চেনা বহু অগ্রগণ্য পেশাজীবী-শিক্ষক-বিশেষজ্ঞই নামমাত্র অথবা বিনা পারিশ্রমিকেই এই কাজটিতে যুক্ত থাকতে চাইবেন। একথা প্রত্যয়ের সঙ্গে বলতে পারি, প্রয়োজন- অর্থায়ন থেকে শুরু করে এক একটা ভুক্তির রচনা প্রক্রিয়া পর্যন্ত আগাগোড়া পুরো প্রক্রিয়াটিকে এমনভাবে পরিচালনা করা, যেন, একদিকে সম্পদের প্রকট অভাব, অন্যদিকে সুগভীর জাতীয় প্রয়োজন- এই দুই বিপরীত বাস্তবতার অনুধাবনে জনগণের মাঝেই এই বিশাল উদ্যোগ নিয়ে একটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়, যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে মানুষ যেন ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে এমন যেকোনো ভবিষ্যত উদ্যোগ বাস্তবায়নে,

বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধানের মত স্বপ্ন দেখতে পারার জন্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ধন্যবাদ পেতে পারেন, আরও ধন্যবাদের দাবিদার এর অক্লান্ত পরিশ্রমী কর্মীবাহিনী। এই অভিধানের ভুল ত্রুটি যাই থাকুক, একে বাস্তবায়নের শ্রমসাধ্য কাজটা তাদেরই করতে হয়েছে। তাদের সকলকেই আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।(শেষ)

আরো পড়ুন

উনিশ শতকের সামাজিক আলোড়ন ও বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধান

 

//জেডএস//

লাইভ

টপ