হরতাল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই

Send
শেরিফ আল সায়ার
প্রকাশিত : ১০:০০, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:০০, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮

বলা হয় ব্রিটিশ আমল থেকে বর্তমান বাংলাদেশে হরতাল হচ্ছে রাজনৈতিক আন্দোলনের অন্যতম একটি কর্মসূচি। হরতালের ইতিহাস অন্তত সুখকর হলেও বর্তমান সময়ে এখন সেই অবস্থানটি আর নেই। জ্বালাও পোড়াও, পেট্রোল বোমাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষের মন থেকে হরতাল বিষয়ক সব সহানুভূতি উড়ে গেছে। অথচ ব্রিটিশ আমলের হরতাল এমনকি দেশভাগের পর স্বাধীন বাংলাদেশ নির্মাণে হরতালের এক অনন্য ইতিহাস রয়েছে। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও রাজনৈতিকভাবে হরতালই অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিল।

১৯৯১ সালে গণতান্ত্রিক সরকার পুনপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর হরতালের সহিংস ব্যবহার এর গ্রহণযোগ্যতা ধীরে ধীরে ক্ষুণ্ন করতে শুরু করেছে। তাই বর্তমান সময়ের অনেক সাধারণ মানুষ মনে করেন, গণতান্ত্রিক এই অস্ত্রটি ক্রমশই ভোঁতা হওয়ার পেছনে মূল কারণ আমাদের রাজনীতির ধরন। রাজনীতি সহিংস এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক হওয়ায় বর্তমানে হরতাল জনসম্পৃক্ততা হারাতে শুরু করেছে ।

যে কর্মসূচিতে গণমানুষের কণ্ঠস্বর অনুপস্থিত, সে কর্মসূচিতে জনমানুষের উদ্দীপনা না থাকাটাই অনেকটা স্বাভাবিক। এজন্যই হরতালে জনমানুষের সমর্থন আগের মতো নেই।

বিশেষ করে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে বিরোধী রাজনীতির তাণ্ডব ও  আগুন সন্ত্রাসের ফলে জনমনে হরতালের বিরুদ্ধে একধরনের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে–যে কারণে হরতাল তার ঐতিহ্য আর ফিরে পাবে বলেও আশা করা কঠিন।

যা হোক, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম কর্মসূচি হরতাল নিয়েই চলতি বছরের জুন মাসে বাংলা একাডেমি থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়ে গেলো। বইটির নাম ‘সাত দশকের হরতাল ও বাংলাদেশের রাজনীতি’। বইটি সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত।

বইটিতে ১৯৪৭ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত হরতালের সংবাদ ও তথ্য সংকলিত হয়েছে। একে বলা যেতে পারে অজয় দাশগুপ্তের পূর্ব গবেষণার দ্বিতীয় ধাপ। এর আগে ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট থেকে তার লেখা ‘সংবাদপত্রে হরতালচিত্র ১৯৪৭-২০০০’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

এই গ্রন্থে কী আছে কিংবা কিভাবে বাংলাদেশের হরতাল চিত্র উঠে এসেছে এসব নিয়ে বাহাসের পূর্বে হরতাল নিয়ে গবেষণা হয়েছে এমন কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাজ নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

 ‘Beyond Hartals: Towards Democratic Dialogue in Bangladesh’ শিরোনামে হরতাল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছে ইউএনডিপি। গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় ২০০৫ সালে। এই প্রতিবেদনে হরতালের ইতিহাস, কিভাবে হরতাল বিস্তৃতি লাভ করে, মানুষ কিভাবে হরতাল কর্মসূচিকে দেখছে, হরতাল কিভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়–এসব বিষয় উঠে এসেছে। ইউএনডিপির এ গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি হচ্ছে এর জরিপ ফলাফল। সাধারণ জনগণের ওপর হরতাল সম্পর্কে তাদের মনোভাব যাচাইয়ের জন্য তিন হাজার জনের ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়। যেখানে দেখা যায় ৯৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন হরতালের প্রভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে–সাধারণ মানুষ মনে করেন, নিত্যদিনের কর্ম হরতালের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে দিনমজুর এবং নিম্ন-বিত্তের মানুষ। অন্যদিকে ৫০ শতাংশ মানুষ মনে করেন রাজনীতিবিদরা হরতালের ফলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়। এই জরিপে অংশ নেওয়া ৭০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন হরতালের বিকল্প অনেক কর্মসূচি রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পাবলিক র‌্যালি, সংসদে আলোচনা, রোড মার্চ প্রভৃতি। 

২০১৭ সালের এপ্রিলে হরতাল নিয়ে একটি তাত্ত্বিক আলোচনা প্রকাশিত হয় প্রতিচিন্তা নামে একটি গবেষণা প্রকাশনায়। ‘বাংলাদেশে হরতাল ও স্থানীয় রাজনৈতিক ক্ষমতা কাঠামো’ শিরোনামে গবেষণাটি করেছেন বার্ট সুইকেন্স ও আইনুল ইসলাম। খলিলউল্লাহ্‌র অনুবাদে প্রতিচিন্তায় এ গবেষণা প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়।

সুইকেন্স এবং আইনুলের গবেষণায় দেখা যায়, তারা হরতালকে স্থানীয় ক্ষমতা-কাঠামোর অংশ হিসেবে দেখেছেন এবং হরতালের একটি বিশেষ কর্মক্ষমতার কথাও তারা বলেছেন। এই গবেষণা প্রবন্ধে দেখা যায়, একটি হরতালে কিভাবে রাজনৈতিক কর্মীরা সম্পৃক্ত হন এবং কেন হন। এক্ষেত্রে প্রবন্ধের কিছু অংশ তুলে দেওয়া যেতে পারে।

‘…হরতালের রাজনীতি স্থানীয় বা মাইক্রো লেভেল থেকে দেখলে এবং স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উদ্দেশ্য করলে প্রথম দেখায় হরতাল ব্যর্থ মনে হলেও এটি সফল হতে পারে। ব্যর্থ মনে হয় কারণ অনেক ক্ষেত্রে হরতাল গণমাধ্যম এবং বেশিরভাগ জনগণের সমর্থন পায় না। হরতালকারীরা বৃহত্তর জনগোষ্ঠী বা রাষ্ট্রের কাছে পৌঁছাতে না পারলেও তাদের কাছে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে বলা যায় হরতালকারীরা খুব সহজেই স্থানীয় দলীয় নেতা, নির্বাচিত স্থানীয় প্রতিনিধি বা স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে নিজেরে পারফরম্যান্স তুলে ধরতে পারে। এই নেতৃত্ব পর্যায়ের লোকগুলো তারাই যারা স্থানীয় ক্ষমতাকাঠামোয় হরতালে অংশগ্রহণকারীদের আনুগত্য পেতে চায় বা হরতাল পালনকারীকে দলের বিশ্বাসযোগ্য কর্মী হিসেবে দেখতে চায়।…’

এই আলোচনা থেকে বোঝা যায় হরতালের বর্তমান সময়ের মূল একটি উদ্দেশ্য থাকে দলের শীর্ষ পর্যায়কে নিজের ক্ষমতা কিংবা শক্তি প্রদর্শন করা। এই শক্তি প্রদর্শন ভবিষ্যতে দলীয় পদ-পদবী পেতে বিশেষ সহযোগিতা করে। সেক্ষেত্রে হরতাল কর্মসূচি ব্যর্থ হলেও আপত্তি নেই। 

হরতাল নিয়ে বহুবিধ গবেষণার ছাপ পাওয়া যায় বহুভাবে। শুধু তাই নয়, হরতালের কারণে অর্থনৈতিক গতি কমে যাওয়া নিয়ে উচ্চ শিক্ষার অভিসন্দর্ভেরও সন্ধান পাওয়া যায় অনলাইনে। তবে এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয়টি হলো–হরতাল নিয়ে অধিকাংশ গবেষণা হয়েছে অর্থনীতিকেন্দ্রিক। অর্থাৎ হরতালের কারণে কিভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়-সেই বিষয়টিই বেশি আলোচিত হয়েছে। এজন্য বলা যেতে পারে বার্ট সুইকেন্স ও আইনুল ইসলামের কাজটি একটি ভিন্নতা তৈরি করে। কারণ তারা গুরুত্ব দিয়েছেন হরতালের রাজনৈতিক ক্ষমতা-কাঠামো এবং এর উচ্চাভিলাষের দিকে। একই কারণে অজয় দাশগুপ্তের বইটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা হিসেবে বিবেচনায় আনা যেতে পারে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের হরতাল নিয়ে যে কোনও গবেষণায় সহায়তাদানকারী বই হিসেবে গুরুত্ব পেতে পারে ‘সাত দশকের হরতাল ও বাংলাদেশের রাজনীতি’।

রাখা ভালো—হরতাল অজয় দাশগুপ্তের মূল গবেষণার বিষয় হলেও তিনি রাজনীতিকেও গ্রন্থে ঠাঁই করে দিয়েছেন সচেতনভাবেই। 

বইটিতে তিনি হরতালকে ভাগ করেছেন বিভিন্ন সময়ের উপর ভিত্তি করে—পাকিস্তান আমল, বঙ্গবন্ধুর শাসনামল, মোশতাক-জিয়ার শাসনামল, এইচ এম এরশাদের শাসনামল, খালেদা জিয়ার প্রথম ও দ্বিতীয় শাসনামল, শেখ হাসিনার প্রথম শাসনামল, খালেদা জিয়ার তৃতীয় শাসনামল, বিশেষ ধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসনামল এবং শেখ হাসিনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় শাসনামল। এছাড়াও দেশে দেশে হরতালের চিত্রও উঠে এসেছে তার গ্রন্থে।

হরতালের তথ্য তুলে ধরার পূর্বে তিনি হরতালের ইতিহাস এবং বাংলাদেশে হরতালের আগমন নিয়ে আলোচনা করেছেন। মজার ব্যাপার হলো, হরতালের কীভাবে এলো এই তথ্য পড়তে গিয়ে জানা যায়, প্রথম হরতাল করেছেন গান্ধী। তার আন্দোলনের অংশ হিসেবে দুটি কর্মসূচি দিয়ে বসেন।  একটি হলো লবণ সত্যাগ্রহ এবং দ্বিতীয়টি হলো অরন্ধন।

এই গবেষণা করতে গিয়ে অজয় দাশগুপ্তকে সত্তর বছরের পত্রিকা পড়তে হয়েছে। অর্থাৎ ২৫ হাজার ৫৫০ দিনের পত্রিকা। এই সত্তর বছরের পত্রিকা পড়ে তিনি হরতাল সংক্রান্ত সংবাদগুলো তো আলাদা করেছেনই, সঙ্গে হরতালের একটি মূল্যায়ণও হাজির করেছেন।

যেমন–১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট থেকে ২০১৭ পর্যন্ত জাতীয় হরতাল হয়েছে ৬১১ টি। আবার একই সময় শুরু হয়ে ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় ও আঞ্চলিক হরতাল হয়েছে ১৬১৯ টি, এসব তথ্যও উঠে এসেছে বইটিতে।

অজয় দাশগুপ্ত হরতালের ইস্যুকেও ভাগ করেছেন ১৯৪৭-২০১৫ সময়কাল পর্যন্ত। যেখানে দেখা যায়, রাজনৈতিক কারণে হরতাল হয়েছে ১৫৫০টি। অর্থনৈতিক কারণে হয়েছে ৮৬টি, স্থানীয় ও অন্যান্য ইস্যুতে হরতাল হয়েছে ৫৮৭টি। অর্থাৎ লক্ষ্যণীয় হলো, জনতার ইস্যুতে হরতালের সংখ্যা খুবই নগন্য।

হরতালে একটি মূল্যায়নও উঠে এসেছে বইটিতে। যা দেখলে গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে হরতালের বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়। যেমন, ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত গড়ে বার্ষিক সব ধরনের হরতাল ছিল ২.৭৫ শতাংশ। ১৯৭২-১৯৭৫ (আগস্ট) পর্যন্ত ছিল ৪.৪ শতাংশ, ১৯৭৫ (সেপ্টেম্বর) থেকে ১৯৮২ (মার্চ) পর্যন্ত ছিল ৯.০৭ শতাংশ।

এরপর ১৯৮২ (এপ্রিল) থেকে ১৯৯০ (ডিসেম্বর) পর্যন্ত বার্ষিক গড় সব ধরনের হরতাল গিয়ে দাঁড়ায় ৩৭.৪ শতাংশে। অর্থাৎ এ থেকে স্পষ্ট হয় যে গণতান্ত্র উদ্ধারে মরিয়া বাঙালি জাতি এ সময়টিতে স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে হরতালকে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে নেয়। কিন্তু এরপর ১৯৯১ সাল থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বাংলাদেশ প্রবেশ করেও হরতালের গড় বাড়তেই থাকে। বিশেষ করে দেখা যায় ১৯৯০ (ডিসেম্বর)–১৯৯৬ পর্যন্ত হরতালের গড় ছিল ৭৮.৪৯ শতাংশ, ১৯৯৬ (মার্চ)-২০০১ (জুলাই) পর্যন্ত ছিল ৬৩.০১ শতাংশ, ২০০১ (সেপ্টেম্বর)- ২০০৬ (অক্টোবর) পর্যন্ত ছিল ৬৪.২ শতাংশ। এ সময়টিতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার ক্ষমতায় ছিল। আর ক্ষমতাকেন্দ্রিক হরতালও জায়গা করে নেয়। কিন্তু ভিন্ন প্রক্রিয়ায় একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন আসে ২০০৬ সালে তখন দেশে সরাসরি রাজনৈতিক কার্যক্রম অনেকটা বন্ধ হয়ে পড়েছিল। আর এজন্য ২০০৬ (অক্টোবর)- ২০০৯ (ডিসেম্বর) পর্যন্ত গড়ে বার্ষিক সব ধরনের হরতাল হয় ০.২৯ শতাংশ। এরপর রাজনৈতিক সরকার পুনপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আবারও হরতালের গড় হিসাব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। দেখা যায় ২০০৯ (জানুয়ারি)- ২০১৫ (নভেম্বর) পর্যন্ত ৯৫.৭৬ শতাংশ গড়ে বার্ষিক হরতাল হয়।

অজয় দাশগুপ্তের বইয়ে হরতালের বিশ্লেষণী দিকের পাশাপাশি হরতাল সম্পর্কিত সংবাদও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অনেক অজানা ইতিহাসও জানা যাবে। হরতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির সংবাদের পাশাপাশি তিনি ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনাগুলোর সংবাদও তুলে ধরেছেন বইটিতে। আবার বিভিন্ন দেশে হরতালের ধরন সম্পর্কিত একটি অধ্যায়ও রেখেছেন।

ফলে গবেষকরা এবং হরতাল নিয়ে বৃহৎ পরিসরে কেউ যদি কাজ করতে ইচ্ছুক হয় নিশ্চিতভাবে এই বইটি সংরক্ষণ উপযুক্ত একটি বই। 

‘সাত দশকের হরতাল ও বাংলাদেশের রাজনীতি’ শিরোনামে এই গ্রন্থটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রকাশিত করেছে বাংলা একাডেমি। বইটির মূল্য ১,১০০ টাকা। প্রচ্ছদ করেছেন রফিকুন নবী।

//জেডএস//

লাইভ

টপ