ঘানার গল্প বিপরীত হাওয়া || মার্টিন এগব্লেওগবে

Send
অনুবাদ : ফজল হাসান
প্রকাশিত : ০৮:০০, মে ২০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০০, মে ২০, ২০১৯

ঘানার প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ কথাসাহিত্যিক ও কবি মার্টিন এগব্লেওগবের জন্ম ১৯৭৫ সালে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব ঘানা (লেগোন) থেকে পদার্থবিদ্যায় ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একই ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করেন। তিনি ছোটগল্প এবং কবিতা লেখেন। সমালোচকদের মতে তার ছোটগল্পের বিষয়বস্তু এবং উপস্থাপনা অন্যান্য সমসাময়িক আফ্রিকার লেখকদের তুলনায় আলাদা, বিশেষ করে মনস্তাত্বিক এবং আধ্যাত্মিক বিষয়-আশয় অন্বেষণ করার ক্ষমতা। তার ছোটগল্প সংকলন ‘মিস্টার হ্যাপি অ্যান্ড দ্য হ্যামার অব গড অ্যান্ড আদার স্টোরিজ’ ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তিনি সপরিবারে ঘানার রাজধানী আক্রায় বসবাস করেন।

‘হাঁটুর নিচ থেকে,’ যন্ত্রের মুখ দিয়ে সে বলল। ‘আমি দশ তলায় উঠেছি এবং প্রত্যেক তলায় দশটি করে সিঁড়ি আছে। সব মিলিয়ে একশটি সিঁড়ি। তারপর আমি আবার নিচে নেমে আসি। সেই থেকে আমার পায়ে অসম্ভব ব্যথা।’

সে টেলিফোন বুথ খুঁজছিল। খুব বেশি কিছু দেখা যাচ্ছিল না। কেননা তখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছিল এবং সময় ছিল সন্ধ্যা।

‘প্লাবন, ডাক্তার।’ সে বিড়বিড় করে। ‘আসলেই প্লাবন।’ কয়েক ঘণ্টা ধরে একই ধারায় একটানা বৃষ্টি পড়ছে। নিঃসন্দেহে শহরের কোথাও না-কোথাও পানি জমে বন্যার আকার ধারণ করেছে। বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে এবং সঠিকভাবে বন্ধ না করা দরজার ফাঁক গলিয়ে বাতাসের প্রচণ্ড ঝাপটায় বৃষ্টির পানি এসে ঘরের ভেতর ঢুকে পড়েছে।

‘এখানে ভীষণ অস্বস্তিকর পরিবেশ, ডাক্তার,’ লোকটি বলল। অপরদিক থেকে কোনো সাড়া-শব্দ নেই। তাতে তার কিছুই যায় আসে না। সে জানে, সেখানে ডাক্তার আছেন এবং ধৈর্য্যের সঙ্গে তার কথা শুনছেন অথবা ঔষধের সঠিক ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার আগে তিনি চুপ করে থেকে সমস্যার আসল কারণ নির্ণয় করার কাজে ব্যস্ত আছেন।

‘ব্যথাটা প্রকট নয়, কিন্তু একই রকম। আমার হাঁটুর বাটি থেকে ব্যথা শুরু হয়েছে এবং গোঁড়ালি পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। হ্যাঁ, গোঁড়ালির ভাঁজেও ব্যথা।’

অবশ্যই ডাক্তার শুনছেন।

বুথের ভেতরের দিকে জানালার কাঁচে বাষ্প জমেছে এবং বাইরের দিকে বৃষ্টির পানির নহর বয়ে যাচ্ছে। লোকটি হাত বাড়িয়ে ঠাণ্ডা কাঁচ মুছে দেয়।

একটা গাড়ি চলে যায়। বৃষ্টিতে পেছনের লালবাতি চকমক করছিল এবং রাস্তার উপর আলোর প্রতিবিম্ব আরো বেশি চকমকে দেখাচ্ছিল। রাস্তার পাশে দুই সারি কুৎসিৎ দোতলা দালান দাঁড়িয়ে আছে এবং এখানে-সেখানে ঝাপসা হলুদ আলো জানালার উপস্থিতি জানিয়ে দিচ্ছে। 

টেলিফোনে লোকটি বলল, ‘এখান থেকে দৃশ্যটি দেখতে একধরনের মনমরা পরিবেশের মতো লাগছে।’

নিঃসন্দেহে ডাক্তার শুনছেন।

‘শুধু উপরের তলায় যাওয়া এবং একজনের সঙ্গে কথা বলা ছাড়া আমি অন্য কিছু করিনি। আমি কোথাও বসিনি। তারপর নিচে নেমে এসেছি। কিন্তু কক্ষে আসার পরই আমি ব্যথা অনুভব করি। অকস্মাৎ সমস্যাটি আমার ঘাড়েই এসে পড়েছে। নিশ্চয়ই আপনি শুনতে পাচ্ছেন এবং আমি কি বলছি, তা আপনি বুঝতে পারছেন।’ 

ডাক্তার অবশ্যই সবসময় শুনতে পান।

‘আমার হাঁটুর নিচের দিকে ব্যথাটা আপনি উপলব্ধি করতে পারছেন। এছাড়া স্বাস্থ্যের দিক থেকে আমি ভালো আছি।’

কিন্তু ডাক্তারই ভালো বুঝবেন ব্যথাটা কিসের জন্য হয়েছে।

সে ভেবেছে কেমন করে টেলিফোন তার কণ্ঠস্বরকে বিদ্যুৎপ্রবাহে পরিবর্তন করেছে এবং তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করে দূরের কোনো এক স্টেশনে নিয়ে গেছে। তারপর সেখান থেকে পুনরায় প্রবাহিত হয়ে কয়েক কিলোমিটার দূরে ডাক্তারের কাছে এসে পৌঁছেছে। সেখানে বিদ্যুৎপ্রবাহ যন্ত্রের সাহায্যে শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে যেন ডাক্তার তার কথা শুনতে পায়। সে বলেছে, ‘আপনাকে রোগ নির্ণয়নের জন্য সময় দেওয়া উচিত, হয়তো একদিন। তারপর না হয় আমি টেলিফোন করবো এবং তখন বলবেন আমার ব্যথার আসল সমস্যা কোথায়।’

ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে সে চটজলদি টেলিফোনের লাইন কেটে দেয়। তার এই ব্যবহারে সে নিজেকে রূঢ় মনে করেনি, বরং সে স্বাভাবিকভেবে নিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ডাক্তারও কথা বাড়াতে চায়নি।

শান্ত রাস্তা, কোনো ঝুটঝামেলা নেই। অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছিল। হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকানোর জন্য উজ্জ্বল আলোর ঝলক দেখা যায় এবং একের পর এক বজ্রপাতের শব্দে টেলিফোন বুথ কেঁপে উঠে। লোকটি গান শুনতে চেয়েছিল—যে গান ভেজা ও আর্দ্র সন্ধ্যায় সীসার মতো রঙিন বিদায়ী আকাশের সঙ্গে মানানসই হবে। ‘ন্যাট কিং কোল’ অথবা ‘লুইস আর্মস্ট্রং’-এর মতো নীল। অন্যথায় অন্য কোনো অদ্ভুত সঙ্গীত, হয়তো ‘নীনা সিমোন’-এর ধীর লয়ের গান। সে অন্য আরেকটি নম্বরে ডায়াল করে। অন্য প্রান্ত থেকে চটজলদি সাড়া মেলে।

‘হ্যালো।’

টেলিফোন বুথের লোকটি নাম বলে পরিচয় দেয়।

‘ওহ, আপনি।’ অন্য প্রান্তের কণ্ঠস্বরে বিরক্তির ঝাঁঝ ফুটে ওঠে।

‘আপনি কেমন আছেন, তা জানার জন্য ফোন করেছি,’ লোকটি শুরু করে।

‘আপনি কী মনে করেছেন যে, আমি জানি না?’ অন্য প্রান্তের কণ্ঠস্বর। ‘আপনি আমার কাছে মিথ্যা বলতে পারেন না। এ বিষয়ে আমি সব জানি। আজ সকালে ঘটনাটি নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দিয়েছে।’

‘জানেন?’ লোকটি পুনরায় জিজ্ঞাসা করে, ‘কী সম্পর্কে জানেন?’

‘অস্বীকার করবেন না। আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না। বিষয়টি শার্সির ওপাশে নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়েছে। আপনি তেমন কিছু করেছেন।’

‘কিন্তু আমি আদৌ কিছু করিনি,’ লোকটি বলল, ‘আপনি মিথ্যা বলছেন। বিষয়টি নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়েছে এবং আমার বিশ্বাস এখনো সেখানে আছে।’

লোকটি বৃষ্টির দিকে তাকায়। থামার কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। সে বুঝতে পারছে না টেলিফোনের অন্য পাশের লোকটি কি নিয়ে কথা বলছে। 

‘নোটিশে হুবহু কী লেখা রয়েছে?’

‘আপনি যা করেছেন, তাই লেখা আছে। আপনি একজন অসুস্থ মানুষ।’

‘আমি কী করেছি?’

‘আপনি ভালো জানেন। হয়তো বোর্ডে টাঙানো নোটিশে আপনার কর্মকাণ্ডের বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়নি।’

টেলিফোন বুথের লোকটি কিছুটা আশ্চার্যান্বিত। অন্য লোকটি কোন বিষয় নিয়ে কথা বলছে? কিছুক্ষণ বিরতির পরে সে আলাপের বিষয় পরিবর্তন করার জন্য মনস্থির করে।

‘আপনি কেমন আছেন?’ সে জিজ্ঞাসা করে।

‘খুব ভালো। আপনি?’

‘খারাপ ব্যবহার করার কোনো কারণ নেই,’ সে ভদ্রভাবে বলল, ‘খুব জোরে বৃষ্টি হচ্ছে।’

‘এখানেও তাই। আপনি কী রিসিভার রাখবেন, নাকি আমি রাখবো?’

‘না, এক সেকেন্ড। আপনি কী জানেন...’

দুম করে শব্দ হয় এবং অপর প্রান্তের লোকটি সজোরে টেলিফোনের রিসিভার নামিয়ে রাখে।

ইতোমধ্যে চতুর্দিকে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়েছে। তার ইচ্ছে হলো আশেপাশের করুণ পরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সে বিষাদের কোনো গান গায়। ‘রে চার্লস’-এর গান শুরু করে, ‘জর্জিয়া, ও আমার মন’। তারপর ‘গ্ল্যাডিস নাইট’-এর গান : ‘মিডনাইট ট্রেন টু জর্জিয়া’। জর্জিয়াকে নিয়ে কিছু একটা হয়েছে, সে ভাবে।

প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসে ঝুম বৃষ্টির ঝাপটা এসে টেলিফোন বুথের ভেতর সয়লাব করে দিয়েছে। লোকটির জুতা ভিজে গেছে এবং জুতার ভেতর পানি ঢুকে পা ভিজিয়ে দিয়েছে। অধিকন্তু তার পায়ে, বিশেষ করে হাঁটুর নিচ থেকে, ব্যথা।

লোকটিকে হয়তো গানের বদলে একটি কবিতা আনন্দ দিতে পারবে।

কিন্তু সে কোনো কবিতাই জানে না।

কণ্ঠস্বর উপরে তুলে সে বলল, ‘নোটিশ বোর্ডে টাঙানো নোটিশ আমাকে পড়তেই হবে। ওখানে আমার সম্পর্কে কিছু বলা আছে। বৃষ্টি থেমে গেলে হয়তো আগামীকাল পড়বো।’

লোকটি অন্য আরেকটি নম্বরে ফোন করে। যেইমাত্র সংযোগ ঘটে, তখনই সে কথা বলার জন্য বেপোয়ারা হয়ে ওঠে।

‘আপনি কী জানেন,’ বলেই লোকটি কথা শুরু করে, ‘বাইরে তুমুল বৃষ্টির কারণে আমি একটা টেলিফোন বুথে আটকা পড়েছি? এছাড়া আপনি কী জানেন, বুথের ভেতর একটা গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে?’

অন্য প্রান্তের কণ্ঠস্বর জিজ্ঞাসা করে, ‘কে আপনি, দয়া করে বলবেন কী?’

লোকটি প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বরং সে তার কথা বলেই যাচ্ছে, ‘এখন এই গন্ধ ভীষণ বাজে লাগছে। আমি আসার আগেই এখানে গন্ধ ছিল। আমার আগে যিনি এসেছিলেন, তিনি এই জঘন্য দুর্গন্ধ রেখে গেছেন। যেহেতু ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে, তাই আমি দরজা বন্ধ করে রেখেছি। সুতরাং গন্ধ বুথের ভেতরে আটকা পড়েছে এবং আমিও আটকে আছি।’

অন্য প্রান্তে হাসির আওয়াজ পাওয়া যায়। 

‘কে আপনি? আমি কী আপনাকে চিনি?’

‘অবশ্যই আপনি চিনেন। আমরা একে অপরকে ভালো করে চিনি।

‘আহা, আমি আপনার কণ্ঠস্বর চিনতে পাচ্ছি। আপনি কী পিটার?’

‘না, আমি পিটার নই।’

‘অথবা নানা?’

‘না, নানা-ও নই।’

‘তাহলে কে?’

‘আমার জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, আপনি কী নোটিশ বোর্ড দেখেছেন?’

‘নোটিশ বোর্ড? কোন নোটিশ বোর্ড?’

‘কাঁচের শার্সির ভেতর।’

‘আপনি কী সব যা-তা বলছেন?’

‘নোটিশ বোর্ডের কথা বলছি। আপনি কী দেখেছেন?’

‘না।’

‘ভীষণ জোরে বৃষ্টি হচ্ছে,’ বুথের ভেতরের লোকটি বলল।

‘তাকান, সে কে?’

‘ভীষণ দূর্গন্ধ, আমি আপনাকে নিশ্চিত করে বলতে পারি।’

‘হ্যালো।’

‘হ্যাঁ, বলুন।’

‘বুথ ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে বায়ু ত্যাগ করতে ভুলবেন না।’

তারপর টেলিফোনের সংযোগ কেটে যায়। বুথের ভেতরের লোকটি অনবরত এবং অস্বস্তিকর বিপ বিপ শব্দ শুনতে পায়—এক অদ্ভুত আওয়াজ, যার কোনো স্বাভাবিকতা নেই।

কিন্তু কতটা অনভ্যস্ত।

ভেজা জুতার ভেতর পায়ের আঙুল নাড়ানোর সময় বুথের ভেতরের লোকটি ভাবে, ডাক্তারকে হয়তো পুনরায় ফোন করা প্রয়োজন। কিন্তু পরমুহূর্তে সে মত পরিবর্তন করে। নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে সে বলে, এখন ফোন করাটা খুবই তাড়াতাড়ি হবে। প্রবীণ এবং ধীর গতির ডাক্তার, যদিও সে নিজে বয়স্ক।

লোকটি টেলিফোন বুথ ছেড়ে বৃষ্টিতে ভিজে বাস স্টপে হেঁটে যেতে চাইছিল না। সুতরাং সে অন্য আরেক লোককে টেলিফোন করে। এবার সে নিজেকে পরিচয় দেয় এবং বাইরের বৃষ্টির পরিস্থিতি বর্ণনা করে। অন্য প্রান্তের লোকটি মনোযোগ দিয়ে কথা শোনে এবং মাঝে মাঝে তাল মিলিয়ে বলে, ‘তাই তো দেখছি’ এবং ‘হ্যাঁ’। একসময় আলাপের ইতি টানতে টেলিফোন বুথের লোকটি বিষণ্ন গলায় বলল, ‘আমি নিজের জন্য দুঃখিত।’

‘আমিও,’ অন্য লোকটি বলল।

‘আপনিও কী নিজের জন্য দুঃখিত?’

‘না, আমি আপনার জন্য দুঃখিত।’

বুথের ভেতরের লোকটি এক ধাপ পিছিয়ে যায়। সে বুঝতে পারছে না কেনো একজন তার জন্য দুঃখিত হবে।

‘কেনো?’ সে জিজ্ঞাসা করে।

‘আমি জানি না। কিন্তু আমি আমার ঘরেই আছি। ঘরটা উষ্ণ এবং নিরাপদ। রেডিওতে গান হচ্ছে। সত্যি, খুবই ভালো গান। টেলিফোন ধরার জন্য আমাকে বিছানা ছাড়তে হয়েছে। আপনি কী জানেন, ওখানে কে আছে?’


গল্পসূত্র : ‘বিপরীত হাওয়া’ গল্পটি মার্টিন এগব্লেওগবের ইংরেজিতে ‘ডাউন উইন্ড’ গল্পের অনুবাদ। গল্পটি লেখকের ‘মিস্টার হ্যাপি অ্যান্ড দ্য হ্যামার অব গড অ্যান্ড আদার স্টোরিজ’ ছোটগল্প সংকলনে অন্তর্ভূক্ত এবং সেখান থেকে নেওয়া হয়েছে।

গল্পের অধিবক্তা কোনো এক বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় রাস্তার পাশের টেলিফোন বুথ থেকে অপরিচিত বিভিন্ন লোকের সঙ্গে কথা বলছিল। সেই অপরিচিত লোকেরা বারবার বলেছে যে, সে অপরাধ করেছে। কিন্তু অধিবক্তা অপরাধ করেছেন বলে মনে করেন না। লেখক কথোপকথনের মাধ্যমে পাঠককে কখনোই অপরাধের প্রকৃতি সম্পর্কে বলেনি, বরং একধরনের উৎকণ্ঠিত অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছেন।

//জেডএস//

লাইভ

টপ