ঘন বাতাসের সুলেখা

Send
আশরাফ জুয়েল
প্রকাশিত : ০৮:০০, মে ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০০, মে ২৪, ২০১৯

‘নারী একবার ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লে, পরবর্তীতে ফিরে এলেও বস্তুত সে আর কখনই ঘরে ফেরে না।’ লাইনটা খসখস করে লিখে প্রায় ঘণ্টা তিনেক খাতার দিকে তাকিয়ে উবু হয়ে বসে আছেন মামুল হাসান। এর ভেতর অনেক কিছুই ঘটে গেছে—একটা অত্যুৎসাহ তেলাপোকা তিনবার চেটে গেছে তার ডান পায়ের কুঁড়ে আঙুল, সাতটা সিগারেট আত্মাহুতি দিয়েছে, লো-ব্যাক পেইনটা আস্কারা পেয়ে ডান পায়ের হাঁটু পর্যন্ত তার সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে, কমপক্ষে সাতটা কল মিসড হয়েছে। এসবে কিছু যায় আসে না—যা ঘটে গেছে তা নিয়ে একজন লেখকের ভাবার কিছু থাকে না বা থাকতে নেই, যা ঘটবে তা নিয়েই তার সকল ভাবনা আবর্তিত হওয়া উচিৎ।

চাকুরীজীবী মামুল আর্থিক দিক বিবেচনায় ইতোমধ্যে স্বাবলম্বী। তবে লেখক হিসেবে সে নিজেকে নিঃস্ব ভাবে। মামুল তার ভাবনাগুলোকে শেকলবন্দী করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকে সারাক্ষণ—কখনও পারে কখনও পারে না। এই পারা না পারার মধ্যে তার দুই সত্তা হাবুডুবু খায়। আজ এই মুহূর্তে যা হচ্ছে, এমনটা সাধারণত এমন হয় না— শেষ লাইনটা লিখে আর কিছুতেই সামনে এগোতে পারছে না সে। বর্ষার কাঁচামাটির গর্ভবতী চুলোর মতো অবস্থা যেন—খড়ি, কেরোসিন, দিয়াশলাই সবই আছে কিন্তু কিছুতেই আগুন জ্বলছে না। উপন্যাসটা শেষ করা জরুরী। নতুন খুশকির মতো জ্বালাতন করছে ভাবনাটা।

অবশ্য এই তিন ঘণ্টার মধ্যে শুধু আরও অনেক কিছুই না, আসলেও অনেক কিছুই ঘটে গেছে। হ্যাঁ, মামুল মানছে, সে বাসায় প্রায়শই ড্রিঙ্ক করে, লেখক বন্ধুবান্ধবরা আসে, রাতভর আড্ডা হয়—তবে সেটা খুবই কম, মাসে বা দুইমাসে একবার। এছাড়াও তার বেশকিছু মেয়েবন্ধু আছে। এ কথা স্বীকার করতে মামুলের দ্বিধা নেই, তাদের সাথে সে বহুবার শুয়েছে। সেটা নিছকই শরীরের সাথে শরীরের সম্পর্ক—ছুঁয়ে দেখা ব্যতীত কিছু নয়।

এমনও হয়—একটা উপন্যাসের শেষটা ভাবতে না পেরে ভেতরে ভেতরে খুবই অস্থির হয়ে ওঠে, কিছুতেই চরিত্রগুলোর সাথে পেরে ওঠে না সে। নচ্ছার চরিত্রগুলো ঘুম কেড়ে নেয় মামুলের। রাতের পর রাত এমন ঘটতেই থাকে। নির্ঘুম মামুল ক্রমশ আরও অস্থির হয়ে ওঠে। তখন দেখা যায়, কোনো এক বান্ধবীকে ডেকে নেয় মামুল— উপন্যাসের চরিত্রগুলোকে সরিয়ে রাখে শরীরের উষ্ণতা থেকে, নারীর কাদার মাঝে দ্রবীভূত হয়ে যায় মামুল, এমন সংকট-কালীন মুহূর্তে মামুল অন্য জগতের বাসিন্দা হয়ে ওঠে—মেয়েবন্ধু নিজের মতো করে সুখ নিতে থাকে, মামুল ঘুরে বেড়ায় উপন্যাসের অমীমাংসিত চরিত্রদের হাত ধরে। একসময় ঝড় থামে। হয়ত তার বন্ধু বুঝতেই পারে না—মামুল, মামুলের ভেতর নেই, অবশ্য এটা মামুল ব্যতীত আর কেউই বোঝে না। বোঝার প্রয়োজনও হয় না। যার যা চাহিদা তা পূরণ হয়ে গেলে কিছু না বুঝলেও চলে। হয়ত হঠাৎ কথা বলে উঠে অসমাপ্ত উপন্যাসের সমাপ্তি, মামুল দ্রুত ঘরে ফিরে আসে। লিখতে বসে, তরতর করে এগিয়ে যেতে থাকে উপন্যাস। এমনও হয়েছে সেই বান্ধবী হয়ত নিজেই ফোন করে তাকে আবার ডাকছে, এরমধ্যে মামুল হয়ত ভুলেই গেছে, সে কবে সেই বন্ধুর সাথে কোথায় শুয়েছিল। 

মামুলের স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে, তিন বছরের সন্তানকেও সাথে নিয়েছে। অভিযোগ গুরুতর। মামুল যে মেয়েবন্ধুদের সাথে মেলামেশা করে এ বিষয়ে তার স্ত্রী ঘুণাক্ষরেও জানে না। জানার কোনো সুযোগ তাকে দেয়নি মামুল। সে কখনওই বাসায় কোনো মেয়েবন্ধুকে ডাকে না। হয়ত কখনও সে নিজেই মেয়েবন্ধুর বাসায় যায় বা হারেশের ফ্ল্যাটে ডেকে নেয়। হারেশ তার বন্ধু, থাকে নিউজার্সিতে, বছরে একবার আসে, কখনও দুইবছর পরপর। গুলশানের সেই রেডি ফ্ল্যাটের চাবি মামুলের কাছেই থাকে, তবে মামুলও একেবারেই অনিয়মিত এই ফ্ল্যাটে। গত ছয়মাসে মাত্র একবার আসতে হয়েছিলো—নীলিমার সাথে। নীলিমা তার সুন্দরী মেয়েবন্ধু, ধনকুবেরের স্ত্রী—এটা অবশ্য তার আসল নাম নয়। নীলিমার বাসা বারিধারা। সে প্রতিদিন বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে আসে, একেবারে স্কুল শেষ করে বাসায় ফেরে। বাসায় ফিরবে কেনো? বাসায় ফিরে কিছু পায় না সে। মামুলকে প্রায় আসতে বলে, মামুল আসে না। আসে, যখন তার কোনো গল্প বা উপন্যাসের কোনো চরিত্র তার সাথে দুর্ব্যবহার করে তখনই আসে। আসে, এসে আবার আসার কথা ভুলেও যায়। নীলিমা অবশ্য তাতেই খুশী। মামুল এই সময়ের নামকরা লেখক—লেখকদের প্রতি মেয়েদের বিশেষ দুর্বলতা আছে। যেমন ছিল দীপ্তির, তার এখনকার স্ত্রী।

কিন্তু দীপ্তি কী সবকিছু জেনে ফেলেছে? দীপ্তি আজ চলে গেছে, সম্ভবত বাপের বাড়ি। গত তিন ঘণ্টা ধরে লেখার টেবিলেই বসে আছে মামুল। আজ অফিস যাবে না। সারাক্ষণ বসে থাকবে লেখার টেবিলেই—সে দেখে নিতে চায় কতক্ষণ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আক্কাস তার সাথে লুকোচুরি খেলা খেলতে পারে।

সুলেখা ছাড়া বাসায় এইমুহূর্তে অন্য কেউ নেই। মামুল বসেই আছে, লেখার টেবিল ছেড়ে উঠবে না—এই সিদ্ধান্তে স্থির। মাঝে সুলেখা এসে চা দিয়ে গেছে তিনবার। মাঝে একবার দীপ্তিকে ফিরিয়ে আনার কথা বলেছে। মামুল হ্যাঁ, না কিছু উত্তর দেয়নি। কিছুক্ষণ পর আবার এসে বাবাইকে ফিরিয়ে আনার কথা বলেছে। মামুল মনে মনে ভাবছে, সুলেখা কী চাকরী ছেড়ে গ্রামের বাড়ি চলে যাবে? মামুল নিজেকে জিজ্ঞেস করেছে। উত্তর পায়নি, উত্তর পায়নি বলেই একবার ডেকে জিজ্ঞেস করেছে সে চলে যাবে নাকি। উত্তরে সুলেখা হ্যাঁ, না উত্তর দেয়নি। হয় যাবে, তাকে ‘না’ বলা পর্যন্ত হয়ত যাবে না। আবারও জিজ্ঞেস করলে সুলেখা জানায় সে, কাজ এ বাসার কাজ ছেড়ে দিতে পারে, কিন্তু অন্য কোথাও কাজ খুঁজে নেবে, সে এ কথাও জানায়—‘হামারেক কামের অভাব হোবি না।’

কথা বাড়ায় না মামুল। কথা বাড়ায় না সুলেখা। মামুল মন দেয় লেখায়। সুলেখা এগিয়ে যায় রান্নাঘরের দিকে। মামুলের কলম চলতে আরম্ভ করে। সুলেখা মন দিয়ে চা বানায়। সর্বশেষ লেখা পাতাটাকে দুমড়ে মুচড়ে ফেলে দেয় মামুল। সুলেখা আবার একমগ চা বানিয়ে নিয়ে আসে। মামুল সুলেখার হাত থেকে চায়ের মগটা নেয়। সুলেখা মামুলের দিকে তাকিয়ে থাকে। মামুল চায়ের কাপে চুমুক আঁকে। সুলেখা তাকিয়েই থাকে মামুলের দিকে। মামুল পরের লাইনটা ভাবতে থাকে। সুলেখা আবার রান্নাঘরে ফিরে যায়। এই মুহূর্তে মনে আসা বাক্যটা দ্রুত লিখে ফেলে মামুল। সুলেখা রান্নাঘর থেকে আবার মামুলের সামনে আসে। মামুল আবার তার লেখার খেই হারিয়ে ফেলে। সুলেখা তার বিস্রস্ত বুকের আঁচল ঠিক করে। মামুল সুলেখার দিকে তাকিয়ে কী যেন ভাবে।

অবিন্যস্ত হয়ে পড়ে মামুল। আজ হয়ত লেখাটা এগুবে না আর। আদৌ কোনোদিন এগুবে কিনা তাও জানে না মামুল। মামুল সুলেখার কথা ভাবে। বয়স আর কতো হবে? তেত্রিশ বা চৌত্রিশ। আসলে সুলেখার বয়স আরও কম, পঁচিশ বা ছাব্বিশ, বড় জোর। নারী, দরিদ্র হলে তাদের বয়সে বয়সের ছাপ নেমে আসে দ্রুত। খুব দ্রুত— যেন শীতের বিকেলে ঝুপ করে নেমে আসা সন্ধ্যার মতো। সুলেখা সবসময় একটা মুখোশ পরে থাকে। মুখোশের নাম—অপরিষ্কার। এই মুখোশের আড়ালে সে সযত্নে তার চেহারা লুকিয়ে রেখেছে। হয়ত ইচ্ছে করেই। আবার এমনও হতে পারে সে তার সুশ্রী চেহারার ব্যাপারে সে ওয়াকিবহাল নয়, তবে এটা হবার সম্ভাবনা কম। নারী, হোক সে দরিদ্র কিংবা ধনী—সুন্দরী হলে সে তার সৌন্দর্যের ব্যাপারে শতভাগ সচেতন। ইদার্নিং সুলেখার কথা একটু বেশিই ভাবছে মামুল। আড়ালে আবডালে বেতনের বাইরেও সুলেখাকে কিছু অতিরিক্ত টাকা দেয় সে। প্রথম প্রথম সুলেখা নিতে অস্বীকৃতি জানালেও এখন নেয়, মামুলের চাপাচাপির কাছে সে নত হয়নি, বরং নত হয়েছে টাকার কাছে।

যাবার আগে, ঝগড়ারও আগে, আজ ভোরে সুলেখাকে এলোপাথাড়ি থাপ্পড় মেরেছে দীপ্তি। ঝগড়াও তাকে নিয়েই। গলা উঁচিয়ে চিৎকার করে খুব বিশ্রী কিছু কথা বলছিল দীপ্তি। দীপ্তির চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায় বাবাই’র, চোখ পিটপিট করে তাকাতে থাকে মামুল ও দীপ্তির দিকে। সুলেখা এসে বাবাইকে নিয়ে যায় ড্রইং রুমে। টিভি ছেড়ে জোরে সাউন্ড দেয়, কার্টুন চলে, আর ও ঘরে চলে ঝগড়া। 

—ছিঃ ছিঃ এতো নোংরা তুমি?

চুপ থাকে মামুল

—ভাবতেও পারি না, ছিঃ

চুপ থাকে মামুল

—লেখকদের চরিত্র নিয়ে মানুষ এমনিতে কী এতো বিশ্রী বিশ্রী কথা বলে

চুপ থাকে মামুল

—এতো জঘন্য তোমার মানসিকতা

চুপ থাকে মামুল

—বাচ্চাটার কথাও একবার মনে পড়লো না তোমার

চুপ থাকে মামুল

—তুমি আমার সাথে এমন করতে পারলে, তুমি তুমি একটা চরিত্রহীন।

চুপ থাকে মামুল

—কী এখন চুপ করে আছো যে

চুপ থাকে মামুল

—তুই তো একটা শুয়োরের বাচ্চা

চুপ থাকে মামুল

—মানুষরূপী জানোয়ার তুই

চুপ থাকে মামুল

—এই জন্যই তো বলি ইদার্নিং কাজের মেয়ের জন্য তোর দরদ এতো উথলে ওঠে কেনো

চুপ থাকে মামুল

—রাত তিনটার দিকে কাজের মেয়ের ঘর থেকে বের হোস তুই

চুপ থাকে মামুল

—শেষ পর্যন্ত কাজের মেয়ের সাথে শুতে হলো তোকে, কুত্তার বাচ্চা

চুপ থাকে মামুল

—তোর জন্য কাজের মেয়েই ঠিক আছে

চুপ থাকে মামুল

—চলে যাচ্ছি আমি, এখন এই মাগীকে রোজ রোজ চাটিস

এখনও চুপ থাকে মামুল। দীপ্তি কাঁদছে। কাঁদতে কাঁদতে গালি দিচ্ছে মামুলকে। মামুল এখনও চুপ করে থাকে। কিছু বলেনি সে। আসলে কিছুই বলার নেই তার। লেখকদের কিছুই বলার থাকে না। এখনও তার মাথায় ঘুরছে উপন্যাসের অসমাপ্ত চরিত্র। দীপ্তি একটা ক্যারি-লাগেজে তার প্রয়োজনীয় কাপড়চোপড় গুছিয়ে নেয়। গয়না-পাতি নিতে ভোলে না। বাচ্চা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। এ সংসারে আর কখনও ফিরবে না, একথাও বলে যায়।

আটকাবার চেষ্টা করে না মামুল। এখন নিজের সাথে কথা বলার সময় তার। হ্যাঁ, সে সুলেখার রুমে গেছে। হয়ত বের হয়ে আসার সময় দীপ্তি তাকে দেখেছে। দেখেছে বলেই এমন উত্তেজিত হয়েছে সে। ঝগড়াঝাটি করে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে। কিন্তু সুলেখা কেনো বারবার দীপ্তিকে ফিরিয়ে আনার কথা বলছে? দীপ্তি আসলে বাবাই আসবে বলে? আসলে বাবাই দীপ্তিকে মা বলে ডাকে। দীপ্তিকে ডাকে মাম্মাম বলে। দিনের প্রায় পুরোটা সময় সে সুলেখার সাথেই থাকে, শুধু রাতে ঘুমের সময়টুকু ব্যতীত বাবাই’র সব কাজে বাবাই সুলেখাকে পায়। বাবাই যে সুলেখাকে মা ডাকে তাতে বিন্দুমাত্র আপত্তি তোলেনি দীপ্তি। দীপ্তি সারাদিন অফিস করে বাসায় ফেরে, ফিরতে ফিরতে তাও রাত সাড়ে সাতটা। এরপর কিছুসময় বাবাই’র সাথে কাটিয়ে, নিজের যত্ন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। মামুল নিজের লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এইতো জীবন। না কোনো খাদ নেই, নেই কোনো খেদ।

সাধারণত রাত একটা দেড়টা পর্যন্ত জেগে থাকে মামুল। সারাদিন চাকুরী করে, লেখালেখির সময় বলতে—ঘুম বিক্রি করে পাওয়া রাতের সময়টুকু। সেটুকুকেই কাজে লাগায় সে। গত মঙ্গলবার রাতে সাড়ে তিনটার দিকে ঘুম ভেঙে যায় মামুলের, ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা পানি বের করে খাবার জন্য ডাইনিং রুমে যায় মামুল। সুলেখার ফিসফিস শব্দে চুপিসারে এগিয়ে যায় সারভেণ্ট রুমের দিকে।

—দেখি বাপজান, হা করো হা করো

—এই হাফিজা তুই নেজের কী আবস্থা করি তুছিস। আয় তোর চুলগুলা আছরি দ্যাও। নে চিরুনি নে।

—কি রে মাসুদ, আব্বাজান বেগটা নাও, স্কুলে যায়া ভালো করি মনোযোগ দিয়া পড়ালেখা করবা।

—তোমাক নিয়া আর পারো না, কী করি থুইছেন শরীরটা।

—চঞ্চল তোমরাও হা করো বাপজান। হাফিজা তুইও নে, হা কর। আইজ গরুর গোস্ত দিয়া ভাত আন্না করছি। প্যাট ভরে খা।

—ভালো করি পরীক্ষা দেমেন আম্মাজান। মন দিয়া পড়ালেখা করবেন। স্কুল শ্যাষ করি সোজা বাড়িত আসমেন।

—কী কোলি? তোর নোতুন জামা লাগবি? দিমুনে

—মাসুদ, আব্বা তোমার লাইগা কিচু নিয়া আসুম নানে?

—হচে, লে থ, স্কুলে যা ত

পাঁচ ফিট বাই সাড়ে চার ফিটের জানালহীন ঘরের ঘন বাতাসেই সুলেখা এঁকে নিয়েছে তার তিন সন্তানকে। মামুল বোঝে সন্তান কাছে না থাকা মা এবং একজন লেখকের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। 

//জেডএস//

লাইভ

টপ