behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

‘ঢাকা লিট ফেস্ট’ এর প্রথম দিনের বাংলা সেশন

২০:১৬, নভেম্বর ১৯, ২০১৫

kobitaঢাকা লিট ফেস্ট’-২০১৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রথম বাংলা সেশন শুরু হয় বেলা সাড়ে তিনটায় কবিতা পাঠের মধ্য দিয়ে। হাবীবুল্লাহ সিরাজীর সঞ্চালনায় কবিরা তাঁদের কবিতা পাঠ করে দর্শকদের শুনান। কবিতা পাঠের এ আসরটি বসে বাংলা একাডেমির ‘লন’ এ। এতে কবিতা পাঠ করেন— ঝর্ণা রহমান, মুহাম্মদ সাদিক, ফরিদ কবির, শিহাব শাহরিয়ার, কবির হুমায়ূন, আলতাফ শাহনেওয়াজ, পিয়াস মজিদ, কাজী রোজী, শামীমুল হক শামীম, মোস্তাফিজ শফি এবং সাজ্জাদ আরেফিন।
একই সময়ে বাংলা একাডেমির ‘ভাষা’ স্টেজে শুরু হয় আরেকটি বাংলা সেশন। এ সেশনের শিরোনাম ছিল ‘ফেসবুকের যুগে সাহিত্য।’ মূলত গুহাচিত্র, তালপাতা অথবা কাগজের বৃত্ত ছেড়ে ওয়েব দখল করে নিচ্ছে আপনার অনুভূতি প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। এই সময়ে ফেসবুক কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা কিংবা কী ধরনের সহযোগিতা করছে শিল্প-সাহিত্য জগতের মানুষকে। হাম্মাদ আলীর সঞ্চালনায় এসব বিষয় নিয়ে বক্তারা তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন দর্শকদের সঙ্গে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন— সাকিরা পারভীন, জাহিদ সোহাগ এবং ফাতেমা আবেদীন নাজলা। সঞ্চালক হাম্মাদ আলী বলেন— এক সময়ে অর্থাৎ আমাদের পূর্বপুরুষরা লিখতো গুহাচিত্র বা তালপাতায় কিন্তু বর্তমানে আমরা বা আমাদের জেনারেশনরা লিখছি ফেসবুকে।
এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সাকিরা পারভীন বলেন— আমি মনে করি, ফেসবুকের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম যারা এক সময়ে লেখালেখিতে আগ্রহী ছিলেন না কিন্তু বর্তমানে এই ওয়েব পোর্টাল এর কল্যাণে সাহিত্য চর্চায় আগ্রহী হচ্ছেন; সেটা কবিতা কী কথাসাহিত্যে। তবে তিনি মনে করেন, ফেসবুকের যেমন উপকারি দিক রয়েছে তেমনি অপকারিতাও রয়েছে।

facebookআবার আলোচনার একপর্যায়ে জাহিদ সোহাগ বলেন— টেকনোলজির দ্রুত উন্নতির ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সাহিত্য নিয়ে বেশ আলোচনা বা সমালোচনা হয়ে থাকে। কিন্তু তিনি ফেসবুকে যে সাহিত্য চর্চা হয় তা সত্যিকারের সাহিত্য বলে মনে করেন না। তিনি আরো বলেন— আসলে সাহিত্য চর্চা হয় মূলত সম্পাদনায়, লেখাপড়ায় ও গ্রুপ আড্ডার মাধ্যমে। আরো যোগ করে তিনি বলেন— উন্মুক্ত জায়গায় লেখকের লেখালেখি হয় না, তাঁর জন্য প্রয়োজন অন্তরালয়।
‘ফেসবুকের যুগের সাহিত্য’ এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ফাতেমা আবেদীন নাজলা বলেন— আমাকে আগে জানতে হবে ফেসবুক কী? আমাকে যে ফেসবুকে লিখেই সাহিত্য তথা আমাকে প্রচার করতে হবে ব্যাপারটা এরকম না। তবে অন্যান্য আলোচকদের তুলনায় তিনি ফেসবুকের সাহিত্যকে বেশ গুরুত্ব দেন। এবং তিনি মনে করেন যে, ফেসবুকে যারা লিখছেন তারা সত্যিকার অর্থেই খুব ভালো। তিনি আরো বলেন— আমাদের অগ্রজদের উচিত এইসব তরুণ ফেসবুক লেখকদের লেখা প্রকাশ করা। এতে করে বাংলা সাহিত্য আরো সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।  
সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বাংলা একাডেমির ‘লন’-এ শুরু হয় শিশু সাহিত্য ও আবৃত্তি। আসলাম সানি’র সঞ্চালনায় পাঁচজন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক তাঁদের ছড়া আবৃত্তি করেন। এ পাঁচজন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক হলেন— রফিকুল হক দাদু ভাই, মাহমুদুল্লাহ, ফারুক নেওয়াজ, আনজির লিটন, রাজু আলীম, আলম তালুকদার এবং জাহানারা জানি। উল্লেখ, সঞ্চালক আসলাম সানি’র অনুরোধে অনুষ্ঠানে ছড়া আবৃত্তি করেন কামাল চৌধুরী।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ