behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি হওয়ায় আমরা সমাজ থেকে ছিটকে পড়েছিলাম : রফিক উল ইসলাম

০১:১১, ডিসেম্বর ০৩, ২০১৫

 রফিক [রফিক উল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেছেন ২ আগস্ট ১৯৫৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায়। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ১০টি। সম্পাদনা করেছেন, আশির কবিতা, সামসুল হকের নির্বাচিত কবিতা এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় : কথাবার্তা সংগ্রহ। এছাড়াও রয়েছে শিশুসাহিত্য ও প্রবন্ধের বই। পেয়েছেন বেশকিছু পুরস্কার ও সম্মাননা। 
সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি। কাগজ প্রকাশনের অফিসে তাকে নিয়ে কবিতা পাঠ ও আড্ডার আয়োজন করা হয়। আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন জগদীশ মুখোপাধ্যায়, শাকিল আহমেদ, পাবলো শাহি, পিয়াস মজিদ, মোস্তাফিজ কারিগর, সায়মা হাবিব, খালেদ চৌধুরী, মিলন আশরাফ-সহ অনেকেই। সেই আড্ডার অংশ বিশেষ বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।] 

 

জাহিদ সোহাগ : অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের পিতৃ বা মাতৃভূমি বাংলাদেশে থাকে। আপনার ক্ষেত্রে কি তেমন?
রফিক উল ইসলাম : বাংলাদেশকে পিতৃভূমি বলো আর মাতৃভূমি বলো অনেকটা সেরকমই হয়ে গেছে। আলাদাভাবে অন্যকিছু মনে হয় না। আমি তো বাংলাদেশে যাচ্ছি, কী জাহিদের কাছে যাচ্ছি, কী পিয়াসের কাছে যাচ্ছি- বাংলাদেশে যাচ্ছি না পশ্চিমবঙ্গে যাচ্ছি, এরকম মনে হয় না। 

জাহিদ সোহাগ : একথা এজন্য বললাম যে, আপনারই বন্ধু জহর সেনমজুমদার, তাঁর তো আদিনিবাস বরিশাল, সেখানে গিয়ে তো দেখি এলাহি কাণ্ড। তাদের বিশাল এক জমিদারি সেখানে।

রফিক উল ইসলাম : সে সারা জীবন বিশ্বাস করেনি যে, তাদের জমিদারি ছিলো। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে তাদের বাড়ির ভেতরেই ছিলো এগারটি মন্দির। 

জাহিদ সোহাগ : আপনি কখন লিখতে শুরু করেন?
রফিক উল ইসলাম : আমি লিখতে শুরু করি ’৭০-এর সময়। আর আমার প্রথম বই বের হয় ’৮৫ সালে। 

জাহিদ সোহাগ : বলা যায় পরিণত বয়সেই লিখতে শুরু করেছেন। অনেকেই দেখা যায় শৈশব থেকে লিখতেন বা ছবি আঁকতেন। আপনার ক্ষেত্রে তেমন কিছ হয়নি তাহলে?
রফিক উল ইসলাম : বলা চলে অনেকটাই পরিণত বয়সেই আমার লেখালেখি। আমার একটা মজার ব্যাপার হলো, যেটা আমি মানসিকভাবেও ভেবে দেখেছি, আমার জীবনে অনেক কিছুই যেন দেরিতে দেরিতে শুরু হয়েছে। মানে মনে করো যে, পঞ্চাশ পরবর্তীকালে যৌবন শুরু হলো। মানে অনেকটা দেরিতে দেরিতে...।

জাহিদ সোহাগ : পড়তেন তো নিশ্চয়ই?
রফিক উল ইসলাম : হ্যাঁ, পড়াশুনা করতাম। সারারাত জেগে পড়াশুনা করতাম। তখন বিমল মিত্রের বই পড়তাম। একেকটা ধরো ছ’শো সাত’শ পৃষ্ঠা। একেকটা রাত্রি চালিয়ে দিতাম। দিনের বেলা তো ওটা খোলা যেতো না বাবার সামনে। 

জাহিদ সোহাগ : কেনো বাড়িতে কি পড়ার পরিবেশ ছিলো না?
রফিক উল ইসলাম : সেটা তো ছিলোই। তবে যেটা বলার বিশেষভাবে, সেটা হচ্ছে যে, এটা কেনো হয়েছিলো তা আমি জানি না- এতো আগে যখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি- তখনতো আমাদের সংস্কার, ধর্মীয়চেতনা সবকিছুকে ঘিরে রাখতো। বাবা কিন্তু আমাকে রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। এর ফলে হয়েছিলো কী, আমাদের একঘরে করে দেয়া হয়েছিলো। মুসলিম সমাজ আমাদের সাথে একদমই চলাফেরা করতো না। আর বাবাও এগুলোকে পরোয়া করতেন না। কারণ, বাবার সব বন্ধু-বান্ধবই ছিলেন হিন্দু। আর একটা কথা, বাবা দক্ষিণের হয়ে মাঝে মাঝে মাঠে নামতেন। অর্থাৎ ফুটবল খেলতেন এবং রেফারি করতে যে পরীক্ষা দিতে হয় তার প্রধান পরীক্ষক ছিলেন। তো খেলাধূলার সাথে সম্পৃক্ত যত বিষয় ছিলো সবগুলোতেই বাবার বিচরণ ছিলো। সুতরাং এ নিয়ে বাবাকে বহুবার মার খেতে দেখেছি। পাড়ার লোক দৌড়াচ্ছে বাবাকে আর বাবা বাঁশি ফেলে দৌড় দিচ্ছে, এ দৃশ্য বহুবার দেখেছি। ফলে রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি হওয়ায় আমরা সমাজ থেকে ছিটকে পড়েছিলাম। কেউ আমার সাথে কথাও বলতো না। আমরা পথে-ঘাটে বের হলে সবাই সরে যেতো। তখন রামকৃষ্ণ মিশন ছিলো খড়ের ঘর বা একতলা ঘর। সেখানে শুধু আমরা পড়াশুনা করতাম না, চরকায় তাঁত বুনতাম। কাঠের কাজ করতাম। প্রতি বছরই রামকৃষ্ণ উৎসব পালিত হয়, রামকৃষ্ণের জন্মদিনে; নবম-দশম; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতের তৈরি জিনিস বিক্রি হয়। আমাদের কাছে বেশি জনপ্রিয় ছিলো গামছা। এর সূতোটা আমরা তৈরি করতাম আর গামছাটা আমরাই বুনতাম। উৎসবের প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় দুই/দশ হাজার গামছা বিক্রি হয়ে যেতো। আর পাওয়া যেতো না। সন্ধের সময় আমাদের সামর্থ ছিলো না, বিশেষ করে আমার। খেয়ে যেতাম না বা মুড়ি খেয়ে যেতাম বা পান্তা খেয়ে যেতাম। আর বাবা দশ পয়সার একটা কয়েন দিতো আমাকে। তো তখন গাড়ি ভাড়া ছিলো ন’পয়সা। মানে আমি যদি দু’বার যাতায়াত করি হেঁটে তাহলে দশ পয়সা বাঁচবে আর একবার যাতায়াত করি গাড়িতে তাহলে এক পয়সা বাঁচবে। দু’বার গাড়িতে উঠার কোনো ব্যবস্থা ছিলো না। তো বাবা আমাকে হয়তো টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি দিতে পারেননি কিন্তু রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশুনা করার ফলে রামকৃষ্ণের মতো দার্শনিককে তথা মিশ্র সংস্কৃতির সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, এটাই আমার জীবনের বড় কিছু বলে আমি মনে করি।      

জাহিদ সোহাগ : আপনি কোন পর্যন্ত রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশুনা করেছেন?
রফিক উল ইসলাম : আমি একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত রামকৃষ্ণ মিশনে ছিলাম। 

জাহিদ সোহাগ : তারপর কি কলকাতায় চলে আসেন?
রফিক উল ইসলাম : না, আমি কলকাতায় কখনো পড়াশুনা করি নাই। 

জাহিদ সোহাগ : কলকাতার লেখকদের সাথে আপনার সখ্য কেমন?
রফিক উল ইসলাম : আমার বেশি সখ্য ছিলো সুনীল দা’র সাথে। বারো তেরো বছরের মতো। তিনি কেনো এটা করেছিলেন আমি জানি না। আমার বারবারই মনে হচ্ছিল কবিতা-টবিতা কিচ্ছু হবে না আমায় দিয়ে। পাশাপাশি যদি কিছু কাজ করা যায়। তো সুনীল দা’কে বললাম, কবিতা লিখে কী হবে। আপনি তো উপন্যাস-টুপন্যাস লিখছেন। তো আমি কিছু কাজ-টাজ করবো আপনাকে নিয়ে। তিনি বললেন, আমাকে নিয়ে তুমি কি করবে? আমি বললাম, সেটা তো আমাকে ভাবতে হবে। আমি আরো বললাম, আমি যদি কোনোদিন কাজ করি তাহলে আপনাকে নিয়েই করবো। তিনি বললেন, বেশ তো তাহলে শুরু করো। এরপর থেকেই সুনীল দা’র সাথে সম্পর্ক এবং বেশ কয়েকটি বছর কাটিয়েছি তাদের বাড়িতে। একসাথে পার্টিতে যাওয়া, ঘুরে বেড়ানো, ঘুমানো। তা না হলে তো ওই কাজগুলো তো করা সম্ভব ছিলো না। এমনকি আমি সুনীল দা’র ব্যক্তিগত ডায়রিও খুলতাম বা ব্যবহার করতাম এবং ঊনচল্লিশটা ফাইল ছিল যা আমি খুলতে পারতাম। সে অনুমতি ছিলো আমার। সুনীল দা’র যেকোনো বই আমি নিয়ে যেতে পারতাম আবার আনতে পারতাম। এমনকি স্বাতী দি’র ব্যক্তিগত ছবি আমি ব্যবহার করেছি। সেই উলঙ্গ সুনীল দা থেকে মালাবদল পর্যন্ত। 

জাহিদ সোহাগ : তাহলে তো আপনার সাথে শক্তি বা সুনীল দা’র সাথে যাদের যোগাযোগ ছিল তাদের সাথেও যোগাযোাগ হয়েছে?
রফিক উল ইসলাম : হ্যাঁ, শক্তি বা অন্যান্যদের সাথেও যোগাযোগ ছিল। কিন্তু আমি সুনীল দা’র সাথেই থাকতাম। অন্যদের একটু এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতাম আরকি। আবার হ্যাঁ, শক্তি দা’র কথা তো পারস্পারিকভাবে এসেই যায়। কিন্তু আমার টার্গেট তো সুনীল দা। 

জাহিদ সোহাগ : আপনার কবিতার বই কয়টা?
রফিক উল ইসলাম : আমার দশটা বই। আর এবার শ্রেষ্ঠ কবিতার বই প্রকাশিত হলো। তো এভাবেই চলছে মোটামুটি। 

জাহিদ সোহাগ : আপনার সমসাময়িক যারা আশির দশকের, তাদের মধ্যে কাদের সাথে আড্ডা হয়?
রফিক উল ইসলাম : আসলে আমি কারো সাথে ঐভাবে আড্ডা দেই না বা আমার আড্ডা দেওয়া হয়ে ওঠে না। আর আমি কলকাতাতে খুব কম আসি। খুবই কম। হয়তো দশটা অনুষ্ঠান হবে আমি একটায় এলাম। কারণ আমি মনে করছি যে, জীবনের স্ট্যান্ড তো খুবই ছোট। কথা বলে বা আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। এরকম একটা ধারণা আমার মধ্যে বিরাজ করে। তার চেয়ে নিজের ঐ তিন ফুট বাই ছয় ফুট বিছানাটা অনেক ভালো। 

জাহিদ সোহাগ : বাংলাদেশের সাহিত্য নিয়ে আপনাদের ধারণা কী?
রফিক উল ইসলাম : বাংলাদেশের সাহিত্য নিয়ে আমার যেটা মনে হয়, ধরো এখানকার কবি-সাহিত্যিক বা যারা লেখালেখি করেন তাদের যে বিভিন্ন সংস্থা বা এসোসিয়েশন থাকে, সরকার বা সরকারি লেভেলে বা কোনো অন্য প্রতিষ্ঠান বা আরেকটা জায়গা থেকে খুব আর্থিক বা মানবিক সাহায্য করা হয়। যা আমাদের ওখানে একেবারেই হয় না। প্রশাসন তো নয়ই, এমনকি একটা মানুষও খুঁজে পাওয়া যায় না। আর আর্থিক বিষয় তো নয়ই, এমনকি পাঁচটা মানুষ যে পাশে গিয়ে বলবে, আমি তোমার সাথে আছি। তো এখানে যেটা হয় বা আমার যেটা মনে হয় ধরো, সচিব পর্যায়ে বা আরো বড় বড় জায়গায় কবি-সাহিত্যিকরা আছেন, তাদের একটা মমতা আছে। আমাদের ওখানে সেইভাবে নেই, আর থাকলেও কখনো আমার নজরে আসেনি বা আমি জানি না। যেমন ধরো আমরা যাচ্ছি মুক্তাগাছায় কবিতা পড়তে বা ময়মনসিংহে কবিতা পড়তে। হঠাৎ মাঝপথে বলা হলো, আামাদের ত্রিশালে যেতে হবে। কেন যেতে হবে? কারণ, ওখানে আমাদের একটু আপ্যায়নের ব্যবস্থা আছে। ওখানে আমাদের একটু আলাপচারিতার ব্যবস্থা আছে এবং ওখানের যে অধ্যক্ষ আছেন উনি আমাদের সাথে একটু পরিচিত হতে চান। সুতরাং এই বিষয়গুলো খুব ভাবায় আমাকে। এটা কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে হবে না। 

জাহিদ সোহাগ : রফিক ভাই, বাংলাদেশের কবিতা আপনি পড়েছেন?
রফিক উল ইসলাম : এটা কিন্তু খুব কঠিন প্রশ্ন। তোমাদের কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, আমি কিন্তু শুধু পাঠকই নই, একজন লেখকও। তাহলে হয় কী, একটা সীমাবদ্ধতা থাকার সম্ভবনা প্রবল। এটা কিন্তু আমি ভেতরে ভেতরে সচেতনভাবেই জানি। 

জাহিদ সোহাগ : আপনারা কি আল মাহমুদ, শামসুর রাহমান, শহীদ কাদরী, নির্মলেন্দু গুণ তারপর আমার একজন প্রিয় কবি সিকদার আমিনুল হক- এদের বই ওখানে পান? 
রফিক উল ইসলাম : পেয়েছি, তবে কীভাবে পেয়েছি তা জানি না। তবে কীভাবে যেন পাওয়া হয়েছে। এই বইগুলো পাওয়া হয়েছে কারো না কারো মাধ্যমে। যেমন কয়েকদিন আগেই পড়ে ফেললাম আবুল হোসেনের ‘কবিতাসমগ্র’। আমার ভীষণ ভালো লেগেছে বইটা। আরেকজন কবি যিনি নব্বই দশকের, সম্ভবত তিনি মারা গেছেন, শামীম কবির, আমি মারাত্মকভাবে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলাম। তিনি আমাকে পাগল করে দিয়েছেন রীতিমতো। আমাকে হতবাক করে দিয়েছিল। আমি বাড়িতে তোমার ভাবিকে বলেছি।

অন্য একটা কথা বলি তোমাকে। আমাদের দেশের ষাটের কবি, ওর একটা বই বেরুনো মানে কাগজে কাগজে ঝড় উঠতো তখন। শামসুল হক। এবং তুমি যদি আমাদের দেশের ষাটের দশকের পাঁচজন কবির নাম বলো, তাহলে শামসুুল হকের নামটা পাবে, বলতে হবে তোমাকে। কিন্তু কুড়ি বছর ধরে তার কোনো মুদ্রিত শব্দ তুমি এ পৃথিবীতে খুঁজে পাবে না। 

জাহিদ সোহাগ : এর কারণটা কী?
রফিক উল ইসলাম : এর কারণ কী, তা আমি জানি না বা আমি কী করে বলবো। মানে, কুড়ি বা বাইশ বছর ধরে তার কোনো মুদ্রিত বই আসলে পাওয়া যায় না। তুমি যদি মনে করো, এখনকার ছেলে শামসুল হক পড়তে চায়। কোথাও থেকে শুনলো বা রফিক উল ইসলামের কাছ থেকে শুনলো শামসুল হক ভালো কবি। তাহলে তুমি পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে এক বছর ধরে খোঁজ পাবে না কিছু। অর্থাৎ মুদ্রিত জগৎ থেকে একদম মুছে দেয়া হয়েছে। তবে শামসুল হক নিয়ে অনেক কথা বলা যায় তবে অনেক সময় লাগবে। ‘সুটকেসের উপর বসে আছি’, ‘প্রোটোপ্লাজম’, ‘ইডেনের  তৃণমূল’, ‘গ্রুপ থেরাপি’ এগুলো তার বইয়ের নাম। তো সেই মানুষটা নেই। আবার দেখবে আমার মতো একজন হেজি-পেজি মানুষের ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’র বই বাজারে আছে। শামসুল হকের একটি কবিতার দুটো লাইন বলি, 
ধান থেকে চাল হয় 
চাল থেকে ভাত
কেউ কেউ খায়
কবিতা শেষ। তারপর আরেকটা কবিতা ‘খোকা ভাত খাবি’। এটা একটা বিখ্যাত বই এবং বিখ্যাত কবিতাও বটে। 
আমরা তোমার পাশে আছি 
আমরা তোমার লাশে আছি
যেমন থাকে  ডুমুরু মাঝি
তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি শামসুল হকের ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ বের হচ্ছে প্রতিভাস থেকে। এবং তার ছড়া সংগ্রহের দুটো ভাগ বের হবে ওপার বাংলা থেকে আমার সম্পাদনায়। 
 

জাহিদ সোহাগ : রফিক ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের এখানে আসার জন্য।
রফিক উল ইসলাম : তোমাকেও। তোমাদেরও। সবাই ভালো থেকো।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ