behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

শক্তিস্মরণঘুমোও বাউণ্ডুলে

বিধান রিবেরু১১:৪০, মার্চ ২৩, ২০১৬

শক্তি চট্টোপাধ্যায়খ্যাপাটে মাতাল। শক্তি চট্টোপাধ্যায়। এই কবি জীবনকে উদযাপন করেছেন, নিংড়ে নিংড়ে। তাঁর জীবনের পুরোটাই মিথ। যা তিনি জন্ম দেননি, তাও। ‘এখন গঙ্গার তীরে ঘুমন্ত দাঁড়ালে/ চিতাকাঠ ডাকে : আয় আয়।’ এই চিতাকাঠে শক্তি আগুন জ্বেলেছেন ১৯৯৫ সালের ২৩ মার্চ। তাঁর আগুনযাত্রার স্মরণে আমাদের শ্রদ্ধা।


আপাত দৃষ্টে পদ্যের শক্তি খ্যাপামো দিয়ে মোড়ানো মনে হলেও শক্তির পদ্য আদতে আধুনিক সমাজের বিরুদ্ধে খ্যাপাটে এক আক্রমণ, সে হোক প্রেম, ঘৃণা কিংবা দ্রোহের পঙক্তি, সব জায়গাতেই এক তেড়েফুড়ে আসা চেহারা– শক্তি, শক্তি চট্টোপাধ্যায়– ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি নিয়েই হাজির হয়েছেন পঞ্চাশের দশকে। সালটি ছিল ১৯৫৬, ‘কবিতা’ পত্রিকায় আত্মপ্রকাশ তাঁর, বুদ্ধদেব বসুর পত্রিকা ‘কবিতা’, কলকাতা শহর থেকে ২৮ মাইল দূরের বহড়ু থেকে আসা এক যুবা ছিলেন শক্তি, চব্বিশ পরগনার সেই বহড়ুতেই তিনি জন্মেছিলেন, ১৯৩৩ সালের ২৫ নভেম্বর, ২৩ বছর বয়সে তারুণ্যের ইশতেহার নিয়েই যেন হাজির হয়েছিলেন কলকাতায়। ৫৬ সালে আত্মপ্রকাশের কয়েক বছরের মাথায় শক্তি যেন আরো শক্তিশালী হয়ে একটি প্রজন্মকে ঠেলে দিলেন এক নতুন আন্দোলনে– নতুন ঠিক নয়– বহুদিনের পুঞ্জিভূত এক আন্দোলনের মুখ চিনিয়ে দিলেন তিনি। এরপর নিজে সরে দাঁড়ালেন।


শক্তি বলেন, “বিদেশে সাহিত্য কেন্দ্রে যেসব আন্দোলন বর্তমানে হচ্ছে, কোনটি বিট জেনারেশন কোনটি এ্যাংরি বা সোবিয়েত রাশিয়াতেও সমপর্যায়ী আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি বাংলা দেশেও কোন অনুক্ত বা অপরিষ্কার আন্দোলন ঘটে গিয়ে থাকে তবে তা আমাদের রাষ্ট্রনৈতিক বা সামাজিক পরিবেশে ক্ষুধা সংক্রান্ত আন্দোলন হওয়াই সম্ভব। ওদিকে ওদেশে সামাজিক এ্যাফ্লুয়েন্ট, ওরা বিট বা এ্যাংরি হতে পারে। কিন্তু আমরা ক্ষুধার্ত। যে কোন রূপের বা রসের ক্ষুধাই একে বলতে হবে। কোন রূপ রসই এতে বাদ নেই, বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। একে যদি বিট বা এ্যাংরি দ্বারা প্রভাবিত বলার চেষ্টা হয় তবে ভুল বলা হবে। কারণ এ আন্দোলনের মূল কথা ‘সর্বগ্রাস’। অর্থাৎ ডাল ভাত চিংড়ি মাছের চচ্চড়ির সঙ্গে এই আন্দোলন বিট জেনারেশন সমেত মেখে লঙ্কা ও নিমকের টাকনা দিয়ে গ্রাস করতে চায়। বদহজম সংক্রান্ত কথা উত্থাপিত হবে না আশা করি। কারণ বদহজমই হল শিল্প। জীবন চিবিয়ে যতটুকু অখাদ্য তার বমনই হল গদ্য পদ্য ছবি ইত্যাদি। গু গোবরের সামিল। ...এই ক্ষুধার্তদের কেউ কেউ লিঙ্গ প্রহার করে দেখবেন হৃদয়ের যতদূর অধিষ্ঠান লিঙ্গ ততদূর যায় কিনা কিংবা এক কথায় উক্ত অঙ্গ হৃদয়কে স্পর্শ করে কি না।”
১৯৬২ সালে বিনয় মজুমদারের কাব্যগ্রন্থের আলোচনায় বিনয় প্রদর্শন না করেই শক্তি রাষ্ট্র করলেন বিট বা এ্যাংরি নয় এদেশে যদি কিছু চালাতে হয় তো সেটা হবে হাংরি, ক্ষুধার্ত প্রজন্মের আন্দোলন। যদিও এই আন্দোলন থেকে সহসাই বিদায় নেন শক্তি। অব্যবহিত সময়ে যাঁরা ক্ষুধার্ত আন্দোলনের হাল ধরেছিলেন তাঁদের কাছেই শক্তি হয়ে পড়েন ব্রাত্য। আন্দোলনে শক্তির কমরেড সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় ও উৎপলকুমার বসুও ছিটকে পড়েন একই গতিতে। শৈলেশ্বর ঘোষ গংদের অভিযোগ ‘দেশ’ পত্রিকায় লিখতে গিয়ে সাহিত্য প্রতিষ্ঠানের পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন শক্তি। আবার ছোটকাগজে লিখেছেন ভিন্ন রকম লেখা। এটা নিজের সঙ্গে চালাকি, পাঠকের সঙ্গে ভণ্ডামী। ৬২-৬৩ সালেই ক্ষুধার্ত পরিচয়দানকারী কবিরা আক্রমন করতে শুরু করেন শক্তিকে। কিন্তু তাতে শক্তি দমে যাননি এক বিন্দুও। বিপুল উদ্দীপনায় তিনি সৃষ্টি করেছেন : “এই খেলাটি একলা আমার, খেলবো– যেমন চিরকালের/ চকমিলানো খেলছে বাড়ি, যার মানুষে আলোক-কানা/ এই খেলাটি একলা আমার, খেলবো– যেন তার কপালের কাঁচপোকাটি থাকে, চারদিকে জল, খন্দ-খানা/ কেশ করেছি আবোল-তাবোল, চুম্বনে ঐ দগ্ধ গালের/ আধখানা খাই, আধলা রাখি– বুক ভরে বাস হাস্নুহানার/ এই খেলাটি একলা আমার, তোর সেখানে খেলতে মানা।”
খ্যাপাটে ছিলেন, পরোয়া করেননি কারো সমালোচনা। পছন্দ হয়নি তো ঝেড়ে দিলেন ঘুষি কিংবা ধরিয়ে দিলেন ধুতিতে আগুন। কবিবন্ধু অমিতাভ দাশগুপ্তের ধুতিতে আগুণ সত্যি সত্যিই লাগিয়েছিলেন শক্তি। অগ্রজ বন্ধুপ্রতীম হিমানীশ গোস্বামীকে একবার ঘুষিই মেরে বসেন শক্তি আনন্দবাজার পত্রিকার অফিসে। কাজী সব্যসাচী মারা গেছেন শুনে মাঝরাতেই ট্যাক্সি ধর্মঘট মাথায় নিয়ে শেষ দেখা দেখতে চেয়েছিলেন শক্তি। অফিসের গাড়ি না পেয়ে মত্ত শক্তি– আগে থেকেই পেটে কিছুটা তরল ছিল– তাই উন্মত্ত হয়ে হাতের কাছে পাওয়া টেলিফোনের সেটটাই ভেঙে ফেলেন। অফিস ছেড়ে যেতে বলেন হিমানীশ, শক্তি শুনবেন কেন? ঘনিষ্ঠ মানুষকে তাই মেরেই বসলেন। এমনই মত্ত ছিলেন শক্তি। কিন্তু বন্ধু আর পরিচিতদের প্রতি তাঁর ভালোবাসার নিদর্শনও কম নয়। এটাই বোধহয় শক্তির শক্তি। বন্ধুরা তাকে ভালোবাসতেন। এত মারামারি, এত মত্ততা, এত পাগলামি সত্ত্বেও শক্তি নাকি ছিলেন অজাতশত্রু। মন খুলে তিনি বন্ধুদের নিমন্ত্রণ করতেন নিজের বাড়িতে। যদিও প্রায় সময়েই আমন্ত্রণকর্তাই হয়ে যেতেন নিখোঁজ। একবার কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ও ধোকা খেয়েছেন শক্তির বাড়ি গিয়ে। তাতে শক্তির প্রতি ভালোবাসা কমেনি এক রত্তি। এইসব পাগলামিই যেন তাঁকে ভালোবাসতে প্রলুব্ধ করতো মানুষকে।
কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখছেন– পারানির কড়ি ছিল না, তারপরও তিনি চড়ে বসেছিলেন শক্তির পদ্যের সোনার তরীতে। সুভাষ বলছেন, “কবিতাকে শক্তি বলত ‘পদ্য’। এ কালের কবিতা-নামধেয় লেখাগুলোকে ঠেস দেবার জন্যই বোধহয়, শক্তি নিজের কবিতাকে বলত ‘পদ্য’। কিংবা বাংলা কবিতার ঐতিহ্যের সঙ্গে হয়ত নিজেকে সে মেলাতে চেয়েছিল। মিলিয়েছিল, কিন্তু বাঁধা পড়েনি।” অনিরুদ্ধ শক্তি তাই অশ্বমেধের ঘোড়ার মতই দাবড়ে বেড়িয়েছে, বাইরে ভেতরেও। হৃদয়ের গহীনে বসত করা অবাধ্য নিজেকেই জিজ্ঞেস করেছেন, জাগাতে চেয়েছেন, বৃষ্টিস্নাত বারোমাসে: “বৃষ্টি পড়ে এখানে বারোমাস/ এখানে মেঘ গাভীর মতো চরে/ পরাঙ্মুখ সবুজ নালিঘাস/ দুয়ার চেপে ধরে– ‘অবনী বাড়ি আছো?” শক্তি নিজেই বলেছেন অবনী তিনি নিজেই। শরীরটা যেন এক বাড়ি, ভেতরে থাকা নিজেকে তাই চিৎকার করেই ডাকেন তিনি, যখন, শক্তি বলছেন, “আধেকলীন হৃদয়ে দূরগামী/ ব্যথার মাঝে ঘুমিয়ে পড়ি আমি/ সহসা শুনি রাতের কড়ানাড়া/ ‘অবনী বাড়ি আছো?’” এই কড়ানাড়া যেন থামে না, থামতে চায় না। যে শক্তি এত ছন্নছাড়া, উড়নচণ্ডী, বাউণ্ডুলে স্বভাবের; যে শক্তি অফিসে হাজির থাকে না টানা কয়েকদিন। জিজ্ঞেস করলে বলেন, বলে গিয়েছি তো! কাকে? শক্তির উত্তর, কেন দারোয়নকে তো বলে গেলাম, দশদিনের ছুটিতে যাচ্ছি। শক্তি এমনই। কবির স্ত্রী মীনাক্ষীও অনেকসময় জানতেন না কোথায় আছেন শক্তি। কদিন পর খোঁজ আসে, কলকাতার বাইরে কবিতা পাঠের আসরে পদ্য পড়ছেন শক্তি।
শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, মহাদেব সাহা এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়খ্যাপাটে লোক নানা প্রকারের হয়, কিন্তু শক্তির মত জীবন নিয়ে খ্যাপামো কজন করেছেন? একবার নাকি বাজারের থলে হাতে নিয়ে বাজার করতে বেরিয়েছেন। স্ত্রীকে বলেছেন বাজার করে ফিরছি। এরপর এর সাথে, ওর সাথে কথা বলতে বলতে তিনি নাকি চলে যান ভূটান। কী আশ্চর্য! এমনই ছিলেন শক্তি। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, বেলাল চৌধুরীদের বন্ধু শক্তি। কৃত্তিবাস পত্রিকার কবি শক্তি। কবিতা পড়ার জন্য দাওয়াত এলো সুইডেন থেকে, ১৯৯২ সালে। রওনা দিলেন যোগ দেবেন বলে। দুদিন যাওয়ার পর সুইডেন থেকে ফোন, শক্তি কোথায়? পরে জানা গেল সুইডেন যাওয়ার পথে লন্ডনে এক বন্ধুর পাল্লায় পড়ে দিন তিনেক থেকে গেলেন সেখানেই। এই তো শক্তি।
১৯৫৬ সালে কেবল মদ খেয়ে কাটিয়েছেন টানা চারদিন– কোন খাবার পেটে পড়েনি। পাঁড় মাতাল কোনদিন হননি, কিন্তু ওই যে খ্যাপামোটা ছিল, এটা ছিল বলেই বেরিয়েছে ৫১টি কাব্যগ্রন্থ। উপন্যাসও লিখেছেন শক্তি। কিন্তু শরীরের উপর অত্যাচার মন সইতে পারে শরীর সইবে কেন? হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে তাঁকে। বন্ধ করতে হয়েছে মদ্যপান। নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণটা যেন ছেড়ে দিয়েছিলেন নিয়তির হাতে। পুরস্কার পেয়েছেন প্রচুর, লিখেছেনও হাত খুলে, আবার বন্ধনহীন জীবনটাও যাপন করেছেন বুনো ঘোড়ার মতো। কেন? নিশ্চয় কবিতার লোভে। আপাত বিচ্ছিন্ন বা অসামাজিক বলে ঠাওরাতে পারেন শক্তিকে, শক্তি অবশ্য নিজেই কবিতাকে অসামাজিক চিজ বলে ঠাওরাতেন। বলতেন, “কবিতা কবিগণের কাছে একপ্রকারের নিভৃত ও নির্জন যৌনাচার। কবিতা ঘোরতর অসামাজিক।”
এই অসামাজিক বস্তুটি দিয়েই তিনি খুঁড়ে বের করেছেন বহুকিছু। আবিষ্কার করেছেন, ভালোবাসা ক্ষান্ত হতে চায়: “ভালোবাসা শান্ত হতে চায়/ পথে প্রগতিতে যাহা পায়/ তাহা রাখে বুকে/ তবু মন অবুঝ অসুখে/ তোমাতেই চায়/ পথে প্রগতিতে যাহা পায়/ তাহা রাখে বুকে/ ভালোবেসে কী লাভ কিংশুকে?” শক্তি আবিষ্কার করেছেন সজল আঁখি, তাও মানুষের নয়, শকুন পাখির: “উপর থেকে নিচুতে চোখ কেনই বা যায় শকুনপাখির/ চরিত্রে টান? কিংবা সত্যি দোষ ছিল তার সজল আঁখির/... তেমায় আমি অল্প একটু ভাবাতে চাই, যেমন ভাবো।” অপাত্রে ভালোবাসা ঢেলে লাভ নেই, এটা জেনেও যিনি ভালোবাসেন, যিনি শকুনের মত ঘৃণীত বিহঙ্গের চোখের উপমা টানেন সজলতার সাথে বুঝতে হবে ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার এক দশকের ভেতর জীবনানন্দ বা বুদ্ধদেবের বলয় ভেঙে বেরিয়ে এসেছিলেন এক অসীম শক্তিধর কবি। কবিকে প্রণাম। আমার এই লেখা একজন ছাপোষা কবিতা পাঠকের শ্রদ্ধার্ঘ মাত্র।
১৯৯৫ সালের ২৩ মার্চ শক্তি শান্তিনিকেতনে মৃত্যুবরণ করেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, হৃদয়ের রোগ ছাড়া কি কবি হয়? এই রোগ তো তিনি আজীবনই বহন করেছেন, উচ্চকিত কণ্ঠে বলেছেন, “শান্তি দাও, শান্তি দাও, মানুষের হৃদয় ফিরিয়ে দিয়ে যাও।” এই রোগটি যেন মানুষের হৃদয় না থাকার রোগ। শক্তি যে সময়টাতে কলম ধরেছেন, পঞ্চাশের দশক থেকে যদি সত্তরের দশক পর্যন্ত ধরি, সেসময় সবেমাত্র ভারত ভাগ হল, কলকাতায় সমাজতন্ত্র নিষিদ্ধ, রাজনীতিতে সুবিধাভোগীদের দৌরাত্ম, বেকারত্ব, নকশাল বাড়ির আন্দোলন, কলকাতায় পুলিশ যুবকদের মারছে গুলি করে– সেজন্যই শক্তি হৃদয় ফেরত চেয়েছেন, সেজন্যই কাব্যচর্চা এক অসামাজিক কাজ শক্তির কাছে। এই অসামাজিক লোকটা, এই বাউণ্ডুলে লোকটা যে পদ্য নির্মাণ করে গেছেন, সেই নির্মাণের সামনে আমি অর্বাচিন এক, কবিতা ভালো বুঝি না, শুদ্ধ শব্দের সঙ্গে মেজাজের টানাপোড়েনে মুগ্ধ হই, এই মুগ্ধতা নিয়ে তাঁর মৃত্যুদিনে বলতে চাই: “কে বেশি পাগল/ কবি না কবিতা/ দরকার নেই সেই হিসেব দেবার।/ ঘুমোও বাউণ্ডুলে, ঘুমোও এবার।”


 

দোহাই
১. শক্তি চট্টোপাধ্যায়, পদ্য সমগ্র ১, ২০১১, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা।
২. শক্তি চট্টোপাধ্যায়, পদ্য সমগ্র ২, ২০১১, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা।
৩. শক্তি চট্টোপাধ্যায়, পদ্য সমগ্র ৭, ২০১১, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা।
৪. হিমানীশ গোস্বামী, শাক্ত পদাবলী, ২০১৫, দীপ প্রকাশন, কলকাতা।
৫. অহনা বিশ্বাস, শক্তির পদ্য, পদ্যের শক্তি প্রসঙ্গ: শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা, ২০০৮, অমৃতলোক সাহিত্য পরিষদ, কলকাতা।
৬. শৈলেশ্বর ঘোষ, হাংরি জেনারেশন আন্দোলন, ১৯৯৫, প্রতিভাস, কলকাতা।
৭. কবীর সুমন, সুমনের গান: তৃতীয় সংকলন, ২০০৭, সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ