জাহাঙ্গীরনগরে শুরু হলো স্বাধীনতা বইমেলা

জাহাঙ্গীরনগরে শুরু হলো স্বাধীনতা বইমেলা

Send
সাহিত্য ডেস্ক১৩:৩১, মার্চ ২৪, ২০১৬



আজ সকাল ১১ টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রবীন্দ্র মহুয়া’ মঞ্চে তৃতীয়বারের মতো শুরু হয়েছে বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রকাশিত বই নিয়ে ‘প্রকাশনা উৎসব ও স্বাধীনতা বইমেলা-২০১৬’। এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ফারজানা ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবুল খায়ের, কলা ও মানবিকী অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. সৈয়দ মুহম্মদ কামরুল আহছান, বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. আবু দায়েন ও প্রকাশনা উৎসবের আহ্বায়ক ড. তারেক রেজা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উৎসবের আহ্বায়ক ড. তারেক রেজা বলেন, ‘আমরা তৃতীয়বারের মতো এ বইমেলা তথা উৎসবের আয়োজন করতে যাচ্ছি। তিনি প্রথমেই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের, অংশগ্রহণকারী প্রকাশকদের এবং বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের।’
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে গিয়ে কলা ও মানবিকী অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. সৈয়দ মুহম্মদ কামরুল আহছান বলেন, ‘বাংলা বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রাচীন বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্ন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বাংলা বিভাগ তার কৃতিত্বের ছাপ রাখতে সক্ষম হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবুল খায়ের বলেন, ‘আমি প্রথমেই ধন্যবাদ দেই বাংলা সংসদকে। তিনি মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বইমেলার আয়োজন করে আমরা আবারও প্রমাণ করেছি যে, সংস্কৃতির রাজধানী খ্যাত জাহাঙ্গীরনগর ঐতিহ্যে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। বাংলা বিভাগ বিভিন্ন পালা-পার্বণ পালনের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের সৃষ্টিশীল কাজ করে থাকে। তিনি এমন মেলা আয়োজনের জন্য প্রশংসা করেন এবং বইমেলা দিন দিন আরো সমৃদ্ধি পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করার মধ্য দিয়ে তিনি বইমেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।’
উৎসবের ও বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. আবু দায়েন বলেন, ‘বাংলা বিভাগ তৃতীয়বারের মতো এ বইমেলার আয়োজন করতে পেরে আনন্দিত।’ বাংলা বিভাগের এ আয়োজন একদিন জাতীয় পর্যায় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জড়িয়ে পড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এবং ৪০ টি প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করায় সম্মানিত প্রকাশকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বইমেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, কলা ও মানবিকী অনুষদের ডীন, বিভাগের সভাপতি ও উৎসবের আহ্বায়ক বইমেলা পরিদর্শন করেন।
বইমেলায় প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

লাইভ

টপ