খুলনায় ভোট গণনা চলছে

প্রকাশিত : ২২:৫৯, মে ১৫, ২০১৮

সারাংশ

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ মে) সকাল ৮টায় মহানগরীর ভোট কেন্দ্রগুলোয় একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষ করার পরপরই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়াও জোরপূর্বক ভোট দেওয়ার অভিযোগে দুটি কেন্দ্রের ভোট বাতিল হয়েছে।  

১৮:১৯, মে ১৫, ২০১৮

‘খুলনার ভোটে ইসি সন্তুষ্ট’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

 

নির্বাচন কমিশনখুলনা সিটি করপোরেশনে (কেসিসি) শান্তিপূর্ণভাবে চমৎকার নির্বাচন হয়েছে দাবি করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) । মঙ্গলবার (১৫ মে) কেসিসি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ কমিশনের সন্তুষ্টির কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘কেসিসির ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩টিতে অনিয়মের কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ২৮৬টি কেন্দ্রে চমৎকার ভোট হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

গণমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মের কথা আসা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা সকাল থেকে নির্বাচন মনিটর করেছি। নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবক’টি টিভি চ্যানেল ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখেছি। যে অনিয়ম দেখানো হয়েছে, তা কেবল ওই স্থগিত হওয়া তিনটি কেন্দ্রের।’

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘কয়েকটি জায়গায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে কিছু গোলযোগ বা বিশৃঙ্খলা দেখা দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে তার ‍সুরাহা করেছেন।’

বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আমরা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।’

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নেওয়া দুটি কেন্দ্রের ফল ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে বলে ইসি সচিব জানান।

১৮:১৭, মে ১৫, ২০১৮

তালুকদার আব্দুল খালেক ৬৮ হাজার ভোটে এগিয়ে

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক

তালুকদার আবদুল খালেক (ফাইল ছবি)

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক প্রায় ৬৮ হাজার ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে আছেন। ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৮৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে তালুকদার আব্দুল খালেক ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৯৫৬ ভোট।

২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত করা হয়। কেন্দ্র তিনটি হচ্ছে ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, লবণছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাজি মালেক দারুলসুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা।

নির্বাচনে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিলিয়ে মোট ১৯১ জন প্রার্থী চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন। মেয়র প্রার্থী ৫ জন, ১৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন কাউন্সিলর এবং ১০টি সংরক্ষিত আসনে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সূত্র: বাসস।

আমাদের খুলনা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, কেসিসি’র নির্বাচনে পিটিআই কেন্দ্রে পুরুষ ভোটাররা এবং সোনাপোতা কেন্দ্রে নারী ভোটাররা ইভিএমে ভোট দিয়েছেন।


এখান থেকেই ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে (ছবি- প্রতিনিধি)

মঙ্গলবার (১৫ মে) সকাল ৮টায় মহানগরীর ভোটকেন্দ্রগুলোয় একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষ করার পরপরই গণনা শুরু হয়।

খুলনা সিটি করপোরেশনের ভোটাররা প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের ১৫৬১টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এবারের খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ জন এবং নারী ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।

আরও পড়ুন-
ইভিএমের দুই কেন্দ্রে এগিয়ে খালেক

 

১৬:০৭, মে ১৫, ২০১৮

ব্যালট সংকটের অভিযোগ

খুলনা প্রতিনিধি

ব্যালট সংকটের অভিযোগখুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যালট সংকটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় ভোটারদের পাশাপাশি বিএনপি নেতারাও এই অভিযোগ করেন। তবে ব্যালট সংকটের কারণ জানাতে পারেননি নির্বাচন কর্মকর্তারা।   

বিএনপির সহকারী দফতর সম্পাদক শামসুজ্জামান চঞ্চল অভিযোগ করেন, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিরালা স্কুল কেন্দ্রে দুপুর ১২টার পরই ব্যালট শেষ হয়ে গেছে। ১১ নম্বর ওয়ার্ডে প্লাটিনাম স্কুল কেন্দ্রে ব্যালট পেপার শেষ হয়ে গেলে  বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পুলিশ পরে এই কেন্দ্রে লাঠিচার্জ করে। সেখানে ৩৫ মিনিট ভোট স্থগিতও থাকে। তবে পরে ফের ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এক প্রার্থীর লোকজন কেন্দ্র দখল করে ভোট কাটতে থাকলে ভোটারদের লাইন সৃষ্টি হয়। প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাদের গুলি বিনিময় হয়। এই ঘটনায় সাড়ে দিনটার দিকে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুস আলী এই অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। কিছু কেন্দ্রের ভোট বাতিলসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ভোট উৎসবমুখর হয়েছে।’

আরও পড়ুন-






‘আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে...বাড়ি যান’ (ভিডিও)

ব্যালট ছিনতাই, ইকবালনগর কেন্দ্রের ভোট বাতিল (ভিডিও)

কেন্দ্র থেকে বিএনপি’র এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ (ভিডিও)

ইভিএমে নারীরা খুশি, পুরুষরা নাখোশ

ভ্যানে চড়ে ভোট দিতে এলেন হানিফ

বাড়ছে ভোটাদের উপস্থিতি, নারীরাই বেশি

ভোট দিলেন খালেক ও মঞ্জু

বিড়ম্বনায় কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রের ভোটাররা

কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের লম্বা লাইন

১৫:২৮, মে ১৫, ২০১৮

আরও দুটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল

খুলনা প্রতিনিধি

কেসিসি নির্বাচন

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আরও দুটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের ২৭৮ নম্বর কেন্দ্রের (ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়) ভোট বাতিল করা হয়। এই কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে জোর করে সিল মেরে বাক্সে ভরার অভিযোগ থাকায় ভোট বাতিল করা হয়েছে বলে জানান প্রিসাইডিং অফিসার আলী হোসেন। ভোট বাতিল হওয়া অপর কেন্দ্রটি হচ্ছে লবণচরা প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এর আগে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারার ঘটনায় খুলনা মহানগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০২ নম্বর ভোটকেন্দ্র ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়। কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ইউনুস আলী এ তথা জানান। এছাড়া কেন্দ্রের বাইরে বিএনপি’র ক্যাম্পে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইকবালনগর স্কুল কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নুরুল ইসলাম জানান, এই কেন্দ্রে সাতটি বুথ ছিল। বেলা ১১টার দিকে স্কুলের একাডেমিক ভবন-২-এর সাত নম্বর বুথে (দোতলায়) ১৫-২০ জনের একটি দল আসে। তারা তার কাছ থেকে ব্যালট বই ছিনিয়ে নিয়ে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে দেয়। এরপর তিনি বিষয়টি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারকে বিষয়টি জানান। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল করে দেন।

আরও পড়ুন-

২২ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট বাতিলের আবেদন

‘আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে...বাড়ি যান’ (ভিডিও)

ব্যালট ছিনতাই, ইকবালনগর কেন্দ্রের ভোট বাতিল (ভিডিও)

কেন্দ্র থেকে বিএনপি’র এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ (ভিডিও)

ইভিএমে নারীরা খুশি, পুরুষরা নাখোশ

ভ্যানে চড়ে ভোট দিতে এলেন হানিফ

বাড়ছে ভোটাদের উপস্থিতি, নারীরাই বেশি

ভোট দিলেন খালেক ও মঞ্জু

বিড়ম্বনায় কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রের ভোটাররা

কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের লম্বা লাইন

 

১৪:৪১, মে ১৫, ২০১৮

কেসিসি নির্বাচনে ৪০ কেন্দ্র দখলের অভিযোগ বিএনপির

রুহুল কবীর রিজভী (ফাইল ছবি)খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৯টি ওয়ার্ডের ৪০টি কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা মার্কায় জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সরকারি জয়োল্লাসের ধরন দেখে বোঝা যাচ্ছিল নির্বাচনের দিন ভোটের পরিণতি কী হবে। আজকে দেশবাসী সেই চিত্রই দেখছে। 

 

রিজভী বলেন, ‘আজ ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘হাসিনা মার্কা’ নির্বাচনের স্বরূপ আত্মপ্রকাশ করতে শুরু করেছে। ধানের শীষের এজেন্টদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, কয়েকদিন ধরে তাদের বাড়িতে বাড়িতে হুমকি, নারী ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করাসহ আওয়ামী লীগের রক্তাক্ত নির্বাচন বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকার সমর্থিত টিভি চ্যানেলগুলোতেও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট সন্ত্রাস ও ভোট জালিয়াতির চিত্র প্রচারিত হয়েছে।’

সব অভিযোগ স্থানীয় নির্বাচনি কর্মকর্তাদের গোচরে আনা হলেও তারা এক চোখ বন্ধ করে কাজ করছে বলে ভাষ্য রিজভীর। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিজেদের সাংবিধানিক স্বাধীনতা অস্বীকার করে সরকারের কাছে পরাধীন হওয়ার জন্য আত্মসমর্পণ করেছে। নির্বাচন কমিশন সরকারেরই ফটোকপি। 

এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তাণ্ডবের সংক্ষিপ্ত চিত্র। দৌলতপুরের ৪ নং ওয়ার্ডের, ২১ নং ওয়ার্ডের ২৪ নং ওয়ার্ডের ৩১ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র-২৭৭ ও ২৭৮, ২৪ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র-২০১ ও ২০২ ইকবাল নগর বালিকা ভোট কেন্দ্রসহ ১৯ টি কেন্দ্র নৌকা মার্কায় জাল ভোট চলছে।

১৪:১৬, মে ১৫, ২০১৮

২২ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট বাতিলের আবেদন

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট বাতিলের লিখিত আবেদন করেছেন কাউন্সিলর প্রার্থী মো. মাহবুব কায়সার। মঙ্গলবার (১৫ মে) ভোটের দিন দুপুরে কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলীর কাছে বিএনপি সমর্থিত এই কাউন্সিলর প্রার্থী অভিযোগ দায়ের করেন।

১২:৫৭, মে ১৫, ২০১৮

ব্যালট পেপার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ভোটারদের (ভিডিও)

১২:৪৮, মে ১৫, ২০১৮

ইকবাল নগর কেন্দ্রের ভোট বাতিল

ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারার ঘটনায় খুলনা মহানগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০২ নম্বর ভোটকেন্দ্র ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। রির্টানিং অফিসার ইউনুস আলী এ তথা জানিয়েছেন। এছাড়া কেন্দ্রের বাইরে বিএনপি’র ক্যাম্পে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নুরুল ইসলাম জানান, ইকবাল নগর স্কুল কেন্দ্রে সাতটি বুথ ছিল। বেলা ১১টার দিকে স্কুলের একাডেমিক ভবন-২ সাত নম্বর বুথে ১৫-২০ জনের একটি দল দোতলায় উঠে আসে। তার কাছ থেকে ব্যালটের বই ছিনিয়ে নিয়ে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে দেয়। এরপর তিনি বিষয়টি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারকে বিষয়টি জানান। তিনি ঘটনাস্থল পরির্দশণের পর তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল করে দেন।   

রির্টানিং অফিসার ইউনুস আলী বলেছেন, প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল করা হয়েছে। ভোট বাতিলের আগ পর্যন্ত ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২১২৪।

তিনি আরও জানান, ব্যালট বাক্সে ভরা ব্যালটের মধ্যে কাউন্সিল (সংরক্ষিত) পদপ্রার্থী লিভানা পারভীনের মগ মার্কা এবং সাধারণ কাউন্সিল পদপ্রার্থী মইনুল ইসলামের ঠেলাগাড়ি সিল পাওয়া গেছে। কোনও মেয়র পদপ্রার্থীর জন্য ভোট ব্যালট দেওয়া হয়েছে কিনা জানা যায়নি।

এর আগে বিএনপি’র পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ব্যালট পেপার কেড়ে নেওয়া এবং মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএনপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ‘তারা চাপে আছেন। ভয়ে গলায় কার্ড ঝুলাতে সাহস পাচ্ছেন না।’

সকালে রহিমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটদান শেষে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জু একই অভিযোগ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়েছি। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। খবর পেয়েছি ২২, ২৫, ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কোনও কেন্দ্রেই বিএনপি’র এজেন্ট নেই। তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। ৩০টি সেন্টারের খবর পেয়েছি যেখান থেকে আমার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আমার এজেন্টদের প্রবেশের ব্যবস্থা করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানাই।’ তবে তিনি নির্বাচনের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন বলে জানিয়েছেন।

 

১২:৪৬, মে ১৫, ২০১৮

ইভিএমে ভোট দিতে লম্বা লাইন (ফেসবুক পোস্ট)

১২:০৭, মে ১৫, ২০১৮

ইভিএমে নারীরা খুশি, পুরুষরা নাখোশ

খুলনা সিটি করপোরেশ (কেসিসি) নির্বাচনে দুটি মাত্র কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট নেওয়া হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া নিয়ে নারী ভোটারা খুশি হলে পুরুষ ভোটারা নাখোশ। মঙ্গলবার নগরীর সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সহরের পিটিআই কেন্দ্রে ঘুরে এবং ভোটাদের সঙ্গে কথা বলে এ প্রতিক্রিয়ার কথা জানা যায়।

 

সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বের হওয়া তানজিলা আক্তার অমি (২১)নামে এক ভোটার বলেন,‘লাইফে প্রথম ভোট দিয়েছি। খুব ভালো লাগছে। সেটাও আবার ইভিএম পদ্ধতিতে। বাটন চেপে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিলাম কোনও সমস্যা হয়নি। এটি (ইভিএম) অনেক সহজ একটি পদ্ধতি। ভুল ভোট দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’

অন্যদিকে বয়স্ক নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার ব্যাপারটা তাদের কাছে প্রথমে কিছুটা জটিল মনে হলেও বুঝিয়ে দেওয়ার পর আর সমস্য হচ্ছে। তারা এ পদ্ধতি নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট।

ইকবাল নগরী এলাকা থেকে আসা ভোটার নাজমা বেগম (৫০) বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতিতে এই প্রথম ভোট দিলাম। প্রথম কঠিন মনে হচ্ছিল। বুঝিয়ে দেওয়ার পর আর সমস্যা হয়নি। খুব ভালোভাবে ভোট দিয়েছি।’ 

সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মামুন অর রশীদ জানান, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এই কেন্দ্রে ১০৯৯ জন নারী ভোটার ইভিএম পদ্ধতিতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ভোট নিরপেক্ষ করতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই পদ্ধতিতে ভোটাররা দ্রুত ভোট দিতে পারছেন। কারও বুঝতে সমস্যা হলে আমাদের পক্ষ থেকে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মোবাইল নিয়ে কাউকে ভোট কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট দিচ্ছেন। 

অন্যদিকে নগরীর পিটিআই কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারা ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিচ্ছেন। এ পদ্ধতিতে ভোট দিতে গিয়ে পরুষ ভোটারা অসোন্তষ। তারা বলছেন এ পদ্ধতিতে ভোট দিতে সময় বেশি লাগছে, ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

এ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা পূর্ববানিয়া খামার এলাকার সুমন হোসেন ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতিতে সময় বেশি লাগে। তাই আমাদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। আঙুলের ছাপ না মেলায় বার বার চেষ্ট করা হচ্ছে। এ কারণে সময় বেশি লাগছে। ’

একই এলাকা থেকে আসা প্রদীপ জানান, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে। আমার আগুলের ছাপ না মিলায় আবার বাসায় গিয়ে ন্যাশনাল আইডি কার্ড আনতে হয়েছে। আমার কাছে ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়াই সহজ  মনে হয়।

পিটিআই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. মামুন সরদার বলেন, ‘নতুন পদ্ধতি এ কারণে ভোটারদের বুঝতে সময় লাগছে। দুই ঘণ্টায় ৩শ’ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোট শান্তিপূর্ণ হচ্ছে।

কেন্দ্র দুটোতেই সকালে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ছে।

১১:৫৯, মে ১৫, ২০১৮

কেন্দ্র থেকে বিএনপি’র এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ

একটি ভোটকেন্দ্র

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (কেসিসি) বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিএনপি’র পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএনপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ‘তারা চাপে আছেন। ভয়ে গলায় কার্ড ঝুলাতে সাহস পাচ্ছেন না।’

আমাদের প্রতিনিধি তৌহিদ জামান, আসাদুজ্জামন সরদার ও সামসুর রহমান বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে, ভোটার ও ধানের শীষের এজেন্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথা জানিয়েছেন।

প্রিসাইডিং অফিসার আতিউর রহমান বলেছেন, ‘সিরাজুল ইসলাম নামে এক পোলিং এজেন্ট আমার কাছে অভিযোগ করেছেন, নৌকার কর্মীরা তাকে মারধর করেছেন।’

২২ নম্বর ওয়ার্ডের ১১৯ নম্বর কেন্দ্রে থেকে ধানের শীষের এক পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজন্য ওই কেন্দ্রে ধানের শীষের কোনও পোলিং এজেন্টকে পাওয়া যানি।

এর আগে সকালে রহিমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটদান শেষে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জু একই অভিযোগ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়েছি। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। খবর পেয়েছি ২২, ২৫, ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কোনও কেন্দ্রেই বিএনপি’র এজেন্ট নেই। তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। ৩০টি সেন্টারের খবর পেয়েছি যেখান থেকে আমার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আমার এজেন্টদের প্রবেশের ব্যবস্থা করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানাই।’ তবে তিনি নির্বাচনের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন বলে জানিয়েছেন।

আর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২১৭ নম্বর কেন্দ্রে (সিদ্দিকীয়া) ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে নৌকার সমর্থকরা সিল মেরে বলে অভিযোগ করেছেন একজন ভোটার।

তবে এখন পর্যন্ত নগরীর কোনও কেন্দ্র থেকে সহিংসতার কোনও খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটোরদের অপেক্ষা করছেন। একইসঙ্গে ভোটার উপস্থিতিও বেশ ভালো।

এদিকে, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২১৭ নম্বর কেন্দ্রে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে নৌকার সিল মারা অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভোটার বলেন, সকাল  সাড়ে ১০টার পর এখানকার পুরুষ ভোটার বিশেষ করে ধানের শীষ,  লাঙলের ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে নৌকার সিল মেরেছে।

আব্দুস সোবহান নামে এক যুবক বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে কেন্দ্র থেকে সামান্য দূরে এসে বলেন, ‘ভাই, আমার ব্যালটটি তারা (নৌকার লোকজন) কেড়ে নেয়। এরপর তাতে তাদের মার্কার সিল মারে। আমি আমার কাঙ্ক্ষিত মার্কায় ভোট দিতে পারিনি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নৌকার এক  কর্মী সাংবাদিকদের  বলেন, ‘এই কেন্দ্রে রাজাকারদের ভোট বেশি। আপনারা আছেন বলেই কাউকে বের করে দিতে পারছি না।’

এই কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর আকবর জানান, ‘সকালে অনেক ভোট কাস্ট হয়েছে। এখন একটু কম। দুপুরের পর ফের বাড়বে মনে হয়।’

ব্যালট পেপার কেড়ে নেওয়ার বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হচ্ছে।’

আজ মঙ্গলবার (১৫ মে) সকাল ৮টায় খুলনায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচন উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

১০:৩০, মে ১৫, ২০১৮

ভ্যানে চড়ে ভোট দিতে এলেন হানিফ

মঙ্গলবার সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। উৎসাহ, উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে খুলনার ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন। এদেরই একজন হানিফ মোল্লা (৫০)। কোমরের হাড় ভাঙা বলে তিনি হাঁটা-চলা করতে পারেন না। তাই বলে ভোট না দিয়ে থাকতে পারেননি। তিনিও ভোট দিতে এসেছেন, ভ্যানে চড়ে।

নগরীর ১৮ নম্বর ওয়োর্ডের তালিমুল মিল্লাত মাদ্রাসা কেন্দ্র ভোট দিয়েছেন হানিফ। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে সন্তুষ্ট তিনি।

এদিকে, ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম দুই ঘণ্টায় ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের খুলনা কলেজ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার তুষার কান্তি রায় জানান, তার কেন্দ্রে মোট ভোটের ২০ শতাংশ দেওয়া হয়েছে। একই কথা জানিয়েছেন পল্লী মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অমল কুমার।

১০:২০, মে ১৫, ২০১৮

ভোট দিতে ঢাকা থেকে খুলনায় সাবেক ফুটবলার আসলাম

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে ভোট দিতে ঢাকা থেকে খুলনা এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার শেখ মো. আসলাম। তিনি সকাল পৌনে ১০টার দিকে ১৯ নম্বর খুলনা কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

১০:০১, মে ১৫, ২০১৮

বাড়ছে ভোটার উপস্থিতি, নারীরাই বেশি

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। সকালে ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এখন পর্যন্ত নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি দেখা গেছে।

০৯:২৯, মে ১৫, ২০১৮

ভোট দিলেন খালেক ও মঞ্জু

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক এবং বিএনপি’র মেয়র পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পরপরই তারা ভোট দেন।

টপ