ভোট গণনা শেষ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:৩৬, মার্চ ১৮, ২০১৯

সারাংশ

ভোট-গণনা-চলছে
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদ দিলে মোটামুটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ভোট শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ জুন) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এখন চলছে ভোট গণনা। বিভিন্ন কারণে সাতটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছেন রিটার্নিং অফিসার

১৭:৩৯, মার্চ ১১, ২০১৯

আমি বিব্রত: চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা

রাফসান জানি

ভোট বর্জনের ঘোষণা দেওয়া প্রার্থীদের সঙ্গে ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমানঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ঘটে যাওয়া নানা অনিয়মের অভিযোগের উত্তরে চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ‘আমি বিব্রত’। এসব ঘটনার জন্য হল প্রশাসনকে দায়ী করেন তিনি।

সোমবার (১১ মার্চ) বিকাল ৪টা ২৪ মিনিটে চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন নির্বাচন বর্জন করা বিভিন্ন প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তারা নির্বাচনে অনিয়মের কথা উল্লেখ করে ভোটের ফলাফল ঘোষণা না করার দাবি জানান। জবাবে মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমি কিছু বলবো না। তোমাদের কথা শুনেছি।’

কর্মী ও প্রার্থীরা তখন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ছাত্রলীগকে জিতিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আপনারা নিয়ে থাকলে আমাদের কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করালেন।’ তখন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘যেসব ঘটনা আজ ঘটেছে সেগুলোর জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে বিব্রত।’

স্যার আপনি বিব্রত হলে কী হবে? আপনার অধীনে থেকে ভোটে কারচুপি হবে আর আপনি বিব্রত হয়ে একটি পক্ষকে জেতানোর কাজ করবেন, তা কী করে হয়? এসব প্রশ্ন তোলেন প্রার্থীরা। জবাবে মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমার কী ক্ষমতা আছে বলো? আমি যথাযথ জায়গায় তোমাদের কথাগুলো জানাবো।’

কত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়া যাবে এমন প্রশ্ন করলে ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা বলন, ‘যার কাছে, যেখানে যেতে তোমাদের  মন চায়, তোমরা যাও। আমাকে সময় দাও। আমার কমিটি আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।’

প্রায় আধা ঘণ্টা কথা কাটাকাটির পর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ত্যাগ করেন প্রার্থীরা।

ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুপুরে ভোট বর্জন করেন ছাত্রলীগ ছাড়া সবকটি প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা মঙ্গলবার থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন। ২৮ বছল পর আজ বৃহস্পতিবার ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন- 



ডাকসুর ভোট গণনা চলছে

ছাত্রলীগ বাদে অন্যদের ভোট বর্জন, কাল থেকে ধর্মঘট

কেউ চাইলেই পর্যবেক্ষক হতে পারবে না: উপ উপাচার্য

দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ভোট হয়েছে : ভিসি

১৬:১২, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮

ময়মনসিংহের পাঁচটি আসনে বিএনপি প্রার্থীদের ভোট বর্জন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে ময়মনসিংহের পাঁচটি আসনের বিএনপির প্রার্থীরা ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

নির্বাচন বর্জন করেছেন ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনের ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন, ময়মনসিংহ-৫ মুক্তাগাছা আসনের জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনের ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-১১ আসনের ফখরুদ্দিন বাচ্চু। তারা চারজনই সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

এছাড়া ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জোটের বিএনপির প্রার্থী খুররম খান চৌধুরী। তিনি দুপুর দেড়টার দিকে সাংবাদিকদের ভোট বর্জনের কথা জানান। তার ছেলে আবু নাসের চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিএনপি প্রার্থীদের অভিযোগ, শনিবার রাত থেকেই কেন্দ্রে কেন্দ্রে মহাজোটের প্রার্থীর সমর্থকরা ব্যালট পেপারে নৌকা মার্কায় সিল মেরে বাক্স ভরে রাখে। তাদের দাবি, সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর বিএনপির এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

১৬:১০, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮

রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন

রাজশাহী প্রতিনিধি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে কারচুপি, কেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপি প্রার্থী আবু হেনা। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে ভোটগ্রহণ চলাকালে একপর্যায়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

আবু হেনার অভিযোগ, ‘আমার পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মারধর করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমার পক্ষে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ছাড়া কোনও উপায় নেই।’

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়ানো এই রাজনীতিবিদের দাবি, ‘এ আসনে তফসিল ঘোষণা ও প্রচারণা শুরুর পর থেকেই বিএনপির পক্ষ থেকে মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার হয়রানি, বিএনপির প্রচারে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বাধা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গণগ্রেফতারের ঘটনাও দেখা গেছে। কিন্তু প্রশাসন কোনও অভিযোগই আমলে নেয়নি।’

জানা গেছে, গত ২৬ ডিসেম্বর সবশেষ বাগামারা হাটগোঙ্গপাড়ায় নির্বাচনি প্রচারণা করেছেন আবু হেনা। এরপর আর এলাকায় প্রবেশ করেননি তিনি। কিছু কেন্দ্রে তার পোলিং এজেন্ট ছিল। কিন্তু প্রার্থীর কোনও উপস্থিতি ও দলীয় নেতৃত্ব না থাকার কারণে তারা সকাল থেকে দুপুর ১২টা মধ্যে ভোটকেন্দ্র ছেড়ে চলে যায়।

আবু হেনা জানান, বাগমারার জোগিপাড়া ইউনিয়নের তাতিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯৪৭ নম্বব ভোটার তিনি। তবে ভোট দিতে পারেননি। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকার কারণে কয়েকদিন আগে থেকেই প্রচারণা বন্ধ করে দেন বলে দাবি তার।

১৫:৩৯, জুন ২৬, ২০১৮

গাজীপুরে শেষ মুহূর্তে ভোটারের উপস্থিতি কম

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

গাজীপুরে শেষ মুহূর্তে ভোটারের উপস্থিতি কমগাজীপুর সিটি নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে ভোটারের উপস্থিতি কমেছে বলে জানিয়েছেন রাণী বিলাসমণী সরকারি বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. সেলিম উল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এ কেন্দ্রের ভোটার ১ হাজার ৯২৭ জন। এখন পর্যন্ত ৭৭৮ জন ভোট দিয়েছেন।’ এ কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে ভোট নেওয়ায় দ্রুত ফল ঘোষণা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
সেলিম উল্লাহ বলেন, ‘ইভিএম মেশিন হওয়ায় দ্রুত ফল ঘোষণা সম্ভব হবে। ভোটাররাও আগ্রহ নিয়ে ভোট দিয়েছেন।’
এদিকে ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন অ্যান্ড কলেজের ৮টি কক্ষে পুরুষ ভোটকেন্দ্রে চলছে ভোটদান। এব অপর পাশের ভবনে ৯টি কক্ষে চলছে মহিলাদের ভোট দান। সকাল থেকে প্রচুর ভোট বাক্সে পড়লেও দুপুরে ভোটারদের আগমন কিছুটা কম। এই কেন্দ্রে পুরুষ ভোটার ৩ হাজার ৫৯৮টি এবং মহিলা ভোটার ৩ হাজার ৪৭টি।
ভোটকেন্দ্রে আসা এক ভোটার চঞ্চল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এবার ভোটগ্রহণ অনেক শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। আমার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। এখন সে জয়ী হলেই ভালো।’
এদিকে প্রার্থীদের কর্মীরা জানায়, এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণে কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি। যদি এমনভাবে চলে তবেই ভালো।
এদিকে, ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাররা ভোট দিচ্ছে। ভোটকেন্দ্রের বাইরে ও ভেতরে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে ‘
সরেজমিনে দেখা যায়, কেন্দ্রের বাইরে প্রার্থীদের কর্মীরা বাইরে অবস্থান নিয়েছে, তবে কোনও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।

১৪:২৭, জুন ২৬, ২০১৮

পুলিশ ও ডিবির সহযোগিতায় ছাত্রলীগ নৌকা মার্কায় ভোট দিচ্ছে: রিজভী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেছেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পুলিশ ও ডিবির সহযোগিতায় নৌকা মার্কায় সিল মারছে ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার (২৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভীর দাবি, ‘পুলিশ বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে বলছে গণমাধ্যমকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না। গণগ্রেফতার, কেন্দ্র দখল ও ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট বের করে দিয়ে চলছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। কেন্দ্রে যাওয়ার পথে ডিবি পুলিশ ধানের শীষের এজেন্ট ও কেন্দ্র কমিটির সদস্যদের গণহারে গ্রেফতার করছে। সকাল ৬টা থেকেই শুরু হয় পুলিশের এই গণগ্রেফতার।’
তিনি বলেন, সোমবার রাত ৮টায় ২ নম্বর ওয়ার্ড কাশিমপুর ইউনিয়নের পানিশাইল এলাকায় সাভার পৌরসভার আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র আব্দুল গণি ২ শতাধিক বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। কাশিমপুর ইউনিয়নের মাধবপুর কেন্দ্রে সরকার দলীয় মেয়রের ব্যালটে সিল মারতে ভোটারদের নির্দেশ দিচ্ছে পুলিশ।
নির্বাচনের দিন শ্রমিক দলের জেলা দফতর সম্পাদক বজলুর রহমান বাদল, বালুচাকুলী ভোটকেন্দ্রের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফজলুকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলেও তিনি জানান।
তিনি জানান, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড আঞ্জুমান হেদায়েতুল উম্মত কেন্দ্র এজেন্ট হাবীবুর রহমান, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড টিডিএইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের এজেন্ট ফারুক, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড ধীরাশ্রম জি. কে আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র এজেন্ট সেলিম রেজা, বিএনপি নেতা মানিক, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাহারা খাতুন কিন্ডারগার্টেন কেন্দ্রের এজেন্ট মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রমকল্যাণ কেন্দ্র থেকে সাবেক কমিশনার শরিফ মিয়া, ৩৪নং ওয়ার্ডের শরিফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে মনির হোসেন মোতাহার, ৩৬নং ওয়ার্ডের গাছা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের ধানের শীষের এজেন্ট গাজীউল হক ও মামুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তিনি জানান, ১ নম্বর ওয়ার্ডে চারটি কেন্দ্র, ২ নম্বর ওয়ার্ডের ৪টি কেন্দ্র দখল করে ভোট দিয়েছে নৌকার সমর্থকরা।

১৩:৫১, জুন ২৬, ২০১৮

পুলিশের বাধায় কেন্দ্র দখলের চেষ্টা ব্যর্থ

চৌধুরী আকবর হোসেন, গাজীপুর থেকে

জাঝর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলের চেষ্টাগাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে জাঝর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১৪ নম্বর কেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী পাঞ্জা আলী লোকজন নিয়ে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের সরিয়ে দেয়।জাঝর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলের চেষ্টা

এই কেন্দ্রের ভোটার আব্দুল করিম জানান, সকাল ১১টার দিকে কিছু লোক কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছিল। একারণে কিছু সময় ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. আসাদ উজ জামান বলেন, ‘সাময়িক কিছুটা উত্তেজনা ছিল। পুলিশ বিশৃঙ্খলাকারীদের সরিয়ে দিয়েছে। এক কাউন্সিলর প্রার্থী উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন।’জাঝর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলের চেষ্টা

ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে আসাদ উজ জামান বলেন, ‘ভোট দিতে আসছেন সবাই। ১২টা পর্যন্ত  ৩২৪৫ ভোটারের মধ্যে প্রায় ১২শ’ জন ভোট দিয়েছেন।’

এ কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন দেখা গেছে।জাঝর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র

উল্লেখ্য, সকাল ৮টা থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন। 

আরও পড়ুন- 

গাজীপুরে ভোটের লড়াই চলছে

জনগণেই আস্থা হাসান ও জাহাঙ্গীরের

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে যত নিষেধাজ্ঞা

ইভিএমে ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটাররা

গাজীপুরের রাস্তায় যানবাহন কম, নেই যানজট

উৎসবমুখর পরিবেশে গাজীপুরে ভোটগ্রহণ চলছে

কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন

ইসিকে ভোট বন্ধের আহ্বান হাসান সরকারের

কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত, কর্তৃপক্ষের দাবি ব্যালট সংকট



১৩:৩৭, জুন ২৬, ২০১৮

ভোট বন্ধের দাবি হাসান সরকারের

আদিত্য রিমন, গাজীপুর থেকে

সংবাদ সম্মেলনে হাসান সরকারগাজীপুর সিটি নির্বাচন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, ‘প্রায় ১০০ কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে ভোট বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।’

মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুরে বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। তবে কোন ১০০ কেন্দ্র থেকে তার পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি তিনি।

ইসির পদত্যাগ দাবি করে তিনি বলেন, ‘যদি তারা ভোটগ্রহণ বন্ধ না করে, তাহলে আমি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে লড়ে যাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বন্ধের জন্য আমি লিখিত আবেদন করতে যাচ্ছি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে।’

নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবি করে তিনি বলেন, ‘ভোটে কী হয়েছে তা জাতি দেখেছে, সমগ্র বিশ্ব দেখেছে। নির্বাচন কমিশনের যদি লজ্জা থাকে তাহলে তারা পদত্যাগ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে এ পর্যন্ত শতাধিক কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দিয়ে সিল মারা হয়েছে। তাই নির্বাচন বন্ধ করতে হবে।’

নির্বাচন বর্জন করবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি নির্বাচন বর্জন করবো না। তবে নির্বাচন কমিশনকে বলছি, তারা যেন নির্বাচন বন্ধ করে। নইলে তাদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত।’

আরও পড়ুন:

উৎসবমুখর পরিবেশে গাজীপুরে ভোটগ্রহণ চলছে

গাজীপুরের রাস্তায় যানবাহন কম, নেই যানজট

 
 

 

 

 

১২:৪৯, জুন ২৬, ২০১৮

কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত, কর্তৃপক্ষের দাবি ব্যালট সংকট

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

সংঘর্ষের পর ভোটারদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছে পুলিশগাজীপুরে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত রয়েছে। ওইসব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ব্যালট শেষ হয়ে গেছে। তাই ভোট গ্রহণ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েটি কেন্দ্রে বিএনপির কোনও পোলিং এজেন্ট পাওয়া যায়নি। বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের অভিযোগ, তাদের এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। কোথাও কোথাও তাদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

কোনাবাড়ীর গ্রেটম্যাট প্রাইমারি স্কুল ৬২ নম্বর কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। এ কেন্দ্রে চারটি ভোটার বুথ রয়েছে। এ কেন্দ্রে বিএনপির কোনও পোলিং এজেন্ট দেখা যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্যালট পেপার শেষ হওয়ায় ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। এ কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৫২ জন। এরমধ্যে ৩০০‘র মতো ভোট পড়েছে।’ কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট নেই কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কেন তারা কেন্দ্রে আসেনি এটা তো আমি বলতে পারবো না।’

হাসান সরকার জানান, তিনি ৪টি কেন্দ্রে ঘুরে বিএনপির কোনও পোলিং এজেন্ট খুঁজে পাননি। এরমধ্যে একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ। আরেকটি কেন্দ্রের দুটি বুথেও ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে।

আব্দুর রহমান (৪০) নামে এক ভোটার বলেন, ‘প্রায় দেড়ঘণ্টা পর্যন্ত ভোট দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু বলা হচ্ছে ব্যালট পেপার নেই।’

গাজীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইনকোনাবাড়ীর আইডিয়া হাইস্কুল কেন্দ্রে ৬০ নম্বর কেন্দ্রের দুটি বুথেও ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। জানা গেছে, এই দুই বুথের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে যাওয়ায় ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মাহমুদুল আমিন বলেন, ‘ঝামেলা হওয়ায় দুটি বুথের ভোট গ্রহণ বন্ধ আছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছে। কেন্দ্রের ২ হাজার ১৬২ ভোটের মধ্যে পড়েছে ২৮২টি।’

৪৮নং পারিজাত কোনাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫৭ নম্বর কেন্দ্রে বিএনপির কোনও পোলিং এজেন্ট দেখা যায়নি। তবে এ কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোট চলছে। এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমিও এসে বিএনপির কোনও পোলিং এজেন্ট পাইনি। এ কেন্দ্রে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৩ হাজার ৪১৫টি ভোটের মধ্যে ৬৬৪ ভোট কাস্ট হয়েছে।’

ভোটারদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছে পুলিশ

মোহাম্মদীয়া ইসলামিয়া কওমি মাদ্রাসা ৫৮ নম্বর নারী কেন্দ্রেও বিএনপির কোনও পোলিং এজেন্ট পাওয়া যায়নি। এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা রাহাতুল ইসলাম বলেন, ‘এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ১১৮ জন। এরমধ্যে ৫০০ মতো ভোট কাস্ট হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সকালে বিএনপির তিনজন পোলিং এজেন্ট এসেছিল। কিন্তু পরে কেন তারা থাকেনি আমি তো বলতে পারবো না।’

১৭নং ওয়ার্ডের মোগরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ করেন ভোটার গোলাপী বেগম। তিনি জানান, ১০টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে সোয়া ১২টায় ভোট দিতে পেরেছেন তিনি।

কাউন্সিলর আবুল কাশেমের (লাটিম) এজেন্ট আব্দুল কুদ্দুস অভিযোগ করেন, নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা তাকেসহ বিএনপির সব এজেন্টকে বের করে দেয়।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হাসানুল করিম কামাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ব্যালট পেপার দিতে দেরি হওয়ায় বাইরে অপেক্ষমাণ ভোটাররা হইচই শুরু করেন। এ সময় ভোটাররা আতঙ্কে দৌড়াতেও শুরু করে। তখন আধঘণ্টা থেকে পৌনে এক ঘণ্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসে ভোট গ্রহণ চালু করেন।’

একই কেন্দ্রের ১১৪নং ভেনু নারী বুথের প্রিজাইডিং অফিসার জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘বাইরে উচ্ছৃঙ্খল পরিবেশ দেখে এক ঘণ্টার জন্য ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। পরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসার পর এক ঘণ্টা পর আবার ভোট গ্রহণ শুরু করা হয়।’

রাজ্জাক মাস্টার দাখিল মাদ্রাসার ১১০ এ ১১১ নম্বর ভোটকেন্দ্রের ১০টি বুথের একটিতেও বিএনপির পোলিং এজেন্ট পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগের পোলিং এজেন্টের পাশাপাশি ইসলামি আন্দোলনের মেয়রের পোলিং এজেন্ট দেখা গেছে।

১১০ নম্বর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নুরুল হুদা বলেন, এ কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের ৫, বিএনপির ৫ এবং ইসলামী আন্দোলনের ৫ জন পোলিং এজেন্ট কার্ডের ফরম নিয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগ ও ইসলামী আন্দোলনের এজেন্টরা ফরম পূরণ করে জমা দিলেও বিএনপির এজেন্টরা দেয়নি।

এদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা নাসির উদ্দিন (হাতপাখা) অভিযোগ করেছেন, বেশ কিছু কেন্দ্রে তার এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘১, ২, ৩, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলো থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে আগে থেকেই সিল মারা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:

উৎসবমুখর পরিবেশে গাজীপুরে ভোটগ্রহণ চলছে

গাজীপুরের রাস্তায় যানবাহন কম, নেই যানজট

 

 

 

১২:২৩, জুন ২৬, ২০১৮

কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন

রায়হানুল ইসলাম আকন্দ, গাজীপুর

গাজীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইননানা চড়াই-উৎরাই পার হয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোট হচ্ছে আজ। সকাল ৮টায় মহানগরীর ভোট কেন্দ্রগুলোয় একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রের সামনে রয়েছে ভোটারদের লম্বা লাইন। নির্বাচন উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরুর অনেক আগে থেকেই কেন্দ্রগুলোর সামনে ভিড় জমতে থাকে ভোটারদের। নারী-পুরুষরা আলাদা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন ভোট কেন্দ্র খোলার। তাদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে।গাজীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন

মঙ্গলবার (২৬ জুন) মহানগরের সালনা নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ইভিএম কেন্দ্র), চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, রাণী বিলাসমণী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (ইভিএম কেন্দ্র), সালনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে ভোটার উপস্থিতর একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে।

গাজীপুর সিটিতে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনের বছরে এ ভোট এমনিতেই বাড়তি তাৎপর্য বহন করছে। তারওপর দলীয় প্রতীকে ভোট হওয়ায় মহানগরে বিরাজ করছে ভিন্ন আবহ। সংসদ নির্বাচনের দিকে চোখ রেখে মেয়রের চেয়ার জয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জন্য হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রেস্টিজ ইস্যু।গাজীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন

বড় দুটি দলের দুই মেয়র প্রার্থীই জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। তারা দুজনেই প্রচারণায় বারবার বলে এসেছেন, গাজীপুর মহানগরবাসী তাদের মেয়র নির্বাচিত করবেন। দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পাল্টপাল্টি অভিযোগ থাকলেও নির্বাচনি প্রচারের দিনগুলোয় তাদের মধ্যে উৎসাহ-উত্তেজনা কম ছিল না। তবে বিএনপির মেয়র প্রার্থী গত কয়েকদিন পুলিশের বিরুদ্ধে তার কর্মী-সমর্থকদের গণগ্রেফতারের অভিযোগ তুলেছেন।  গাজীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন

হাইকোর্টের নির্দেশে নির্বাচনি বাধা উঠে যাওয়ার পর এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৮জুন থেকে দিনরাত এক করে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ছুটেছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণির ভোটারের মন জয়ের চেষ্টা করেছেন তারা। গত এক সপ্তাহ মিছিল ও মাইকের শহরে পরিণত হয়েছিল নগরীর অলিগলি।

২৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হান্নান মিয়া হান্নু জানান, ‘আমার ওয়ার্ডের দুইটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে নারী ভোটারদের কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।’গাজীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন

মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের (ইভিএম কেন্দ্র) প্রিজাইডিং অফিসার মো. শরীফুর রহমান কাউন্সিল প্রার্থীর অভিযোগের জবাবে বলেন, ‘ইভিএম পদ্বতিতে ভোট দেওয়ায় পুরুষ ও নারী ভোটাররা সবাই খুশি। বিড়ম্বনার অভিযোগ যদি কেউ করে থাকে তাহলে সেটা ঠিক নয়।’

গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. তারিফুজ্জামান জানান, ‘সকালের দিকে আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকলেও এক ঘণ্টা পর তা কেটে যায়। এই মধ্যে স্রোতের মতো বিভিন্ন কেন্দ্রে উপস্থিত হচ্ছেন ভোটাররা।’

আরও পড়ুন- 

গাজীপুরে ভোটের লড়াই চলছে

জনগণেই আস্থা হাসান ও জাহাঙ্গীরের

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে যত নিষেধাজ্ঞা

ইভিএমে ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটাররা

গাজীপুরের রাস্তায় যানবাহন কম, নেই যানজট

উৎসবমুখর পরিবেশে গাজীপুরে ভোটগ্রহণ চলছে




১২:০৫, জুন ২৬, ২০১৮

উৎসবমুখর পরিবেশে গাজীপুরে ভোটগ্রহণ চলছে

চৌধুরী আকবর হোসেন ও রায়হানুল ইসলাম আকন্দ

কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনউৎসাহ, উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। দিনের শুরুতে কেন্দ্রগুলোয় ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোয় ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে। মহানগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। নারী ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। শান্তিপূর্ণভাবে তারা ভোটা দিচ্ছেন। এখনও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

রওশন এরশাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ১১টা পর্যন্ত ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ছানাউল্লাহ সরকার। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পরিবেশ শান্ত ও স্বাভাবিক।  কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনএকই কেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন ষাটোর্ধ্ব  মমতাজ বেগম। নাতির হাত ধরে  লাঠিতে ভর করে তিনি ভোট দিতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘ভোট দিতে আসছি। যাতে ভালো কেউ যেন জিতে।’

ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছিলেন আসমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘লাইন একটু বেশি লম্বা। আরও বুথ থাকলে সুবিধা হতো। ভোট দিতে এসে কোনও ঝামেলায় পড়তে হয়নি।

ভোট দিচ্ছেন একজন নারী ভোটারমহানগরের সালনা এলাকার ১৯ নং ওয়ার্ডের সালনা নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুস সালাম সরকার জানান, সকাল পৌনে ৮টা থেকে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়াতে শুরু করেন। খুব সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। 

সালনা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘ভোট শুরুর আগে থেকেই বৃষ্টি শুরু হওয়ায় উপস্থিতি কম ছিল। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে।’

বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশবিদ্যালয়ের উচ্চমান সহকারী রহিমা আক্তার বলেন, ‘খুব সুন্দরভাবে ভোট দিয়ে আসছি। কোনও ঝামেলা পোহাতে হয়নি। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সহযোগিতা করেছেন।’

বোর্ডবাজারের কলমেশ্বর এলাকার (৩৫ নম্বর ওয়ার্ড) হাজী আহম্মদ আলী পাবলিক স্কুল নারী ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।  এই কেন্দ্রে নারী ভোটারদের প্রচণ্ড চাপ দেখা গেছে।

ভোটাররা জানিয়েছেন,  ‘কোনও সমস্যা নেই। শান্তিপূর্ণভাবেই আমরা ভোট দিচ্ছি।’

কেন্দ্রে বাইরে অপেক্ষা করছেন নারী ভোটাররাআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বরত এসআই হাসান জানান, এখানে কোনও সমস্যা নেই। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।

ভোটার নাজমা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ১ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কেন্দ্রে আসতে কোনও ঝামেলা হয়নি।

খাইলকৈর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে  ভোটারদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জামাল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত কোনও বিশৃঙ্খলা ঘটেনি।’

 ছবি: সাজ্জাদ হোসেন।

আরও পড়ুন:

গাজীপুরের রাস্তায় যানবাহন কম, নেই যানজট

 

জনগণের রায় মেনে নিতে প্রস্তুত: জাহাঙ্গীর আলম

গাজীপুরে ভোটের লড়াই শুরু

 

১১:৩৩, জুন ২৬, ২০১৮

সংঘর্ষের ঘটনায় একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িক স্থগিত

নাদিম হোসেন, গাজীপুর থেকে

ভোটারদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছে পুলিশজাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের কাসেমপুরের ৫নং ওয়ার্ডের বাগবাড়ী হাক্কানিয়া ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসায়  দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ। এতে ৫ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোটগ্রহণ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

ভোটারদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছে পুলিশ

কাউন্সিলর প্রার্থী দবির উদ্দিন সরকার ও সোরহাব উদ্দিন সরকার প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ।

এই কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার  সালাউদ্দিন জানান, কেন্দ্রের একটি কক্ষে এক কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজন প্রবেশ করে সিল মারার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর কেন্দ্রের ভেতরে থাকা ভোটারসহ সবাইকে বের করে দেওয়ায় কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন:

গাজীপুরের রাস্তায় যানবাহন কম, নেই যানজট

জনগণেই আস্থা হাসান ও জাহাঙ্গীরের

জনগণের রায় মেনে নিতে প্রস্তুত: জাহাঙ্গীর আলম

গাজীপুরে ভোটের লড়াই শুরু

 

১১:১৩, জুন ২৬, ২০১৮

গাজীপুরের রাস্তায় যানবাহন কম, নেই যানজট

রায়হানুল ইসলাম আকন্দ,গাজীপুর

গাজীপুরের রাস্তায়ন যানবাহন কমগাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে মহানগরের অধিকাংশ রাস্তায় খুব একটা যানবাহন চলাচল করছে না। ফলে কিছুটা দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গাড়ি না পেয়ে অনেকে হেঁটেই গন্তব্যে যাচ্ছেন। তবে নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকায় রাস্তায় খুব মানুষও নেই। যানবাহন কম থাকায় থাকায় রাস্তায় যানজটও নেই।    

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য দিনের মতো আজ মহানগরের রাজপথে দেখা মেলেনি ইজিবাইকের। অনেকেই দাঁড়িয়ে আছেন যানবাহনের জন্য।

রাস্তায় যানবাহন কমনগরীর শিববাড়ী মোড়ে রিকশার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষিকা মমতাজ বেগম জানান, তিনি যাবেন চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায়। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে তিনি দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কিন্তু রিকশা পাচ্ছেন না। দু-একটি রিকশা আসলেও তাতে যাত্রী রয়েছে।

জয়দেবপুর বাজার থেকে রাজবাড়ী এলাকায় যাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন কেয়া খাতুন। তিনি জানান, যানবাহনের অপেক্ষায় অনেক সময় দাঁড়িয়ে থেকে না পেয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছি।

রাস্তায় যানবাহন কমঅটোচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভোট দিতে গেছেন অনেকে। তাই তিনি অটো নিয়ে রেব হননি। অনেকে আবার আজ ছুটি মনে করে যাত্রী পাবেন না ভেবে রিকশা নিয়ে বের হননি।

মহানগরের রাজবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন জানান, শিববাড়ী মোড় থেকে জোড়পুকুর পাড় মোড় পর্যন্ত যানজট লেগে থাকতো। দুই কিলোমিটার এ সড়ক পার হতে সময় লাগতো এক ঘণ্টা। আজ সেই যানজট নেই। তাই রাস্তায় হাঁটতেও ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে ঈদের ছুটিতে সব শ্রেণি পেশার লোক শহর ছেড়েছে।রাস্তায়ন যানবাহন কমগাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আফরোজা আক্তার বলেন, ‘আমার বাসা ছায়াবিথী থেকে কর্মস্থলে যেতে পৌনে এক ঘণ্টা সময় লাগে। আজ সেই রাস্তা খুব কম সময়ে পার হয়েছেন।’

মহানগরের একটি পোশাক কারখানার প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘গাজীপুর মহানগরের রেলক্রসিং পার হতে সময় লাগতো এক ঘণ্টা। আজ রেল আসা-যাওয়া করলেও যানজট নেই। এভাবে যদি প্রতিদিন যানজট ছাড়া শহরের রাস্তা ফাঁকা থাকতো তাহলে নগরবাসী তাদের নির্বাচিত প্রার্থীকে মনে রাখতো।’

আরও পড়ুন:

জনগণেই আস্থা হাসান ও জাহাঙ্গীরের

জনগণের রায় মেনে নিতে প্রস্তুত: জাহাঙ্গীর আলম

গাজীপুরে ভোটের লড়াই শুরু

 

 

১০:৫১, জুন ২৬, ২০১৮

ইভিএমে ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটাররা

গাজীপুর প্রতিনিধি

মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট চলছেগাজীপুর মহানগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড এর মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে  ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হয়েছে। মোট দুই হাজার ৫৬২ ভোটার এই কেন্দ্রে ভোট দেবেন। ভোটাররা জানিয়েছেন, ভোট দিতে কিছুটা দেরি হলেও তারা পদ্ধতিতে খুশি।  

মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার রীনা রহমান জানান, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিতে পেরে তিনি আনন্দিত। টেকপাড়া মারিয়ালী এলাকার আব্দুল জলিল (৬৫) ও স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৫৫) জানান, জীবনে প্রথম ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে তাদের। রেহেনা আক্তার বলেন, ‘আমিও স্বামীর সঙ্গে ভোট দিতে এসেছি। এই পদ্ধতিতে ভোট নেওয়ায় একটু দেরি হলেও সিস্টেমটা ভালো লাগছে। আমার মনে হয় এই পদ্ধতিতে ভোট চললে সবাই খুশিই হবে।’২৬ নং ওয়ার্ড এর মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র

তবে একই কেন্দ্রের আরেক ভোটার প্রফেসর কফিল উদ্দিন বলেন, ‘আমি ভোট দিতে গেছি। আমার ভোট নাকি দেওয়া হয়ে গেছে। বাড়ি থেকে আশা নিয়ে আসলাম জীবনে প্রথম ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেব। আমার সে আশা পূরণ হলো না। এখন কী আর করা। বাড়ি চলে যাই।’২৬ নং ওয়ার্ড এর মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র

প্রিজাইডিং অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ভোটাররা কোনও প্রকার ঝামেলা ছাড়াই ভোট দিতে পারছে। একটু দেরি হলেও ভোটাররা এ পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ায় খুশি।’ তবে একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে চলে গেছে এই অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এরকম কিছু ঘটেছে বলে শুনিনি।’

আরও পড়ুন- 

গাজীপুরে ভোটের লড়াই চলছে

জনগণেই আস্থা হাসান ও জাহাঙ্গীরের

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে যত নিষেধাজ্ঞা

১০:০৫, জুন ২৬, ২০১৮

জনগণের ওপর আস্থা রাখছেন হাসান ও জাহাঙ্গীর

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই মেয়র পদপ্রার্থীগাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (জিসিসি) প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী জনগণের ওপর আস্থা রেখেছেন। জনগণ যে রায় দেবে তারা তা মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ জুন) সকালে ভোট দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী বলেন,  ‘ভোটের পর দেশের জনগণ ফলাফল মেনে নিলে আমিও ফলাফল মেনে নেবো।’

হাসান সরকার বলেন, ‘আমি রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনকে বলেছি আপনাদের নির্দেশ থাকার পর কেন আমার পোলিং এজেন্টদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি আমাকে বলেছেন, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিন্তু তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি।’

এদিকে, ভোট দেওয়ার পর ভোট দেওয়ার পর জাহাঙ্গীর বলেন, ‘জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে যে রায় দেবে  সেই রায় আমি মেনে নিতে প্রস্তুত আছি। জয়কে জয় আর পরাজয়কে পরাজয় মেনে নিতে আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি গাজীপুরের মানুষ আমাকে ভোট দেবে। গাজীপুরে নৌকার বিজয় আনতে পারবো বলে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

০৮:৪৩, জুন ২৬, ২০১৮

‘দেশের জনগণ ফল মেনে নিলে আমিও নেবো’

আদিত্য রিমন, গাজীপুর থেকে

ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হাসান সরকারটঙ্গীর ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের বসির উদ্দিন উদয়ন একাডেমি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। মঙ্গলবার  সকাল ৮টা ২০ মিনিটে তিনি ভোট দেন।  ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন,  ‘ভোটের পর দেশের জনগণ ফলাফল মেনে নিলে আমিও ফলাফল মেনে নেবো।’

ভোট দিলেন হাসান সরকার

হাসান সরকার বলেন, ‘আমি রাতে প্রধান নির্বাচন কশিমনকে বলেছি আপনাদের নির্দেশ থাকার পর কেন আমার পোলিং এজেন্টদের গ্রেফতার করা হচ্ছ। তিনি বলেছেন, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিন্তু তিনি কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।’

তার অভিযোগ, অনেক কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। অনেক এজেন্টদের সাদা পোশাকের পুলিশ গ্রেফতার করছে। তারপর আমি শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবো। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। এখন পর্যন্ত ১০টি কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। কয়েটি কেন্দ্রের এজেন্টদদের গ্রেফতার করেছে। কয়েক কেন্দ্রের পোলিং এজেন্টদের মারধর করা হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে ফোন করে পাওয়া যাচ্ছে না।

গাজীপুর সিটিতে মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ জন আর নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন।

 

 

০৮:০০, জুন ২৬, ২০১৮

গাজীপুরে ভোটের লড়াই চলছে

গাজীপুর প্রতিনিধি

ভোটগ্রহণ শুরু, লাইনে ভোটাররা (ছবি- প্রতিনিধি)

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।

নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মণ্ডল জানিয়েছেন, উৎসবের আমেজে ৪২৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজর রাখছে প্রশাসন।

আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় সিটি গাজীপুরে এবার মোট ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ জন ও নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন। এ সিটিতে এবার নতুন ভোটার একলাখ ১১ হাজার। এ ছাড়া, শ্রমিক ভোটার দুই লাখের বেশি। সিটির ৫৭টি ওয়ার্ডের ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ৮৮টিকে সাধারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন ভোটাররা (ছবি- প্রতিনিধি)

নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা আগেই শেষ হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর থেকে পিকআপে করে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পুলিশি পাহারায় ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স পাঠানো হয়। ভোটের আগের দিন এখানে-সেখানে প্রার্থীদের পোস্টার ছাড়া বাড়তি কোনও উচ্ছ্বাস-উত্তেজনা দেখা যায়নি।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সাত জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা), বিএনপি মো. হাসান উদ্দিন সরকার (ধানের শীষ), ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান (মিনার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাসির উদ্দিন (হাতপাখা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. জালাল উদ্দিন (মোমবাতি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমিন (কাস্তে) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমদ (টেবিল ঘড়ি)। ভোটাররা বলছেন, প্রার্থী সাত জন হলেও মূল লড়াই হবে জাহাঙ্গীর আলম ও হাসান সরকারের মধ্যে।

৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠিত। এসব ওয়ার্ডে কাউন্সিল পদে ৩৩৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৫৬টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৫৪ জন। এ ছাড়া, সংরক্ষিত ১৯টি ওয়ার্ডে ৮৪ নারী কাউন্সিলর নির্বাচন করছেন।

ভোটগ্রহণ শুরু আগে কেন্দ্রের সামনে ভোটাররা (ছবি- প্রতিনিধি)

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ নির্বাচনে পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসারের প্রায় সাড়ে ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এর মধ্যে কেন্দ্র পাহারায় রয়েছেন পুলিশ, আনসার ও আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে কয়েক হাজার সদস্য। কেন্দ্রের বাইরে ২৯ প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ৫৮টি টিম এবং পুলিশের ৫৭টি মোবাইল ও ২০টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

ভোটার সচেতন এবং শিক্ষিত ও শহরকেন্দ্রীক ৬ কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে। যান্ত্রিক জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ যাতে বুঝে-শুনে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সেজন্য নগরীর ওই দু’টি ওয়ার্ডকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিবেচনায় সিটির কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার সহায়তায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এসব প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য আইটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল (ছবি- প্রতিনিধি)

এ নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার (ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৮ হাজার ৭০৮ জন। এর মধ্যে প্রতি কেন্দ্রে একজন প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ৪২৫ জন, প্রতিটি কক্ষে একজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ২ হাজার ৭৬১ জন এবং প্রতিটি কক্ষে দু’জন পোলিং অফিসার হিসেবে ৫ হাজার ৫২২ জন রয়েছেন। ভোটার শনাক্ত এবং ব্যালট দিয়ে ভোট কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এসব কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ যেমন জয়ের প্রত্যাশা করছে, তেমনি জয়ের আশায় বুক বেঁধেছে বিএনপিও। তবে বিএনপি আশঙ্কা করছে ভোট কারচুপির; যদিও আওয়ামী লীগসহ অন্য দলগুলোর আশা নির্বাচন সুষ্ঠুই হবে।

এদিকে, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে। ভোটারদের একটা অংশ বলছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আবার অন্য অংশটা বলছে, একজনের ভোট আরেকজন দিলেও কারও কিছু করার নেই।

 

০৪:০৯, জুন ২৬, ২০১৮

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে যত নিষেধাজ্ঞা

গাজীপুর প্রতিনিধি







গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকাগাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন, গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ নানাবিধ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সাংবাদিকরা কী করতে পারবেন, আর কী করতে পারবেন না– সে সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জেলা প্রশাসন। বিষয়টির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনও একমত পোষণ করেছে।

নির্বাচন প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে– নির্বাচনী এলাকায় ২৫ জুন রাত ১২টা থেকে ২৬ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত  সাত ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে, বেবিট্যাক্সি/অটোরিক্সা, ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, বাস, ট্রাক ও টেম্পো।

সাংবাদিকদের বিধিনিষেধ

নির্বাচন কমিশন থেকে গত দুইদিন ধরে সাংবাদিক অনুমোদন ও পরিচয়পত্র প্রদান সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়েছে– নির্বাচনি সংবাদ কাভার করার সময় প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া ভোট কক্ষে প্রবেশ করা যাবে না। তবে অনুমতি সাপেক্ষে স্বল্প সময়ের জন্য ভোট কক্ষের ভেতর প্রবেশ করতে পারবেন এবং ভোট গ্রহণ কার্যক্রমের ছবি ভিডিও করতে পারবেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। কোনও প্রকার নির্বাচনী উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করতে পারবেন না। নির্বাচনে প্রার্থী বা কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যে কোনও ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবেন।

কমিশন থেকে আরও বলা হয়, নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তার জন্য সাংবাদিকরা সংবিধান, নির্বাচনি আইন ও বিধিবিধান মেনে চলবেন। কোনোক্রমেই ভোট দানের গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না এবং এর ভেতরে কোনও ছবি তুলতে বা ভিডিও করতে পারবেন না। ভোট কেন্দ্রের ভিতরে নির্বাচনের দায়িত্বপালনরত কোনও কর্মকর্তা/কর্মচারী, পোলিং এজেন্ট বা দায়িত্বরত/কর্মরত কারো সাক্ষাৎকার নিতে পারবেন না। ভোট কক্ষের ভেতর থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না। ভোট গণনার কার্যক্রমের ছবি সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না। একইসঙ্গে একাধিক সাংবাদিক একই কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না।

 

 

সম্পর্কিত

 
 
 
 
টপ