ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৮:২১, মার্চ ১৮, ২০১৯

সারাংশ

ডাকসু নির্বাচন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন নুরুল হক নুর। তিনি ১১০৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। সোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ২টায়।

এবারের নির্বাচনে একেকজন ভোটার ৩৮টি ভোট দিয়েছেন। ডাকসুর কেন্দ্রীয় ২৫টি এবং হল সংসদের ১৩টি পদে ভোট দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।

ডাকসু নির্বাচনে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) ফর্মে ভোটগ্রহণ করা হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচনি কর্মকর্তা অধ্যাপক আব্দুল বাছির। 

ঢাবির উপ উপচার্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘রোকেয়া হল ও কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটাররা যতক্ষণ লাইনে থাকবে ততক্ষণ ভোট নেওয়া হবে।’

এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ৪২ হাজার ৯২৩ জন। নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে লড়েন ২২৯ জন।

 

১৩:০১, মার্চ ১২, ২০১৯

ডাকসুতে পুনর্নির্বাচন দাবি ছাত্রদলের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ডাকসু নির্বাচনে পুনঃতফসিলের দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ- ডাকসু’র পুনর্নির্বাচন এবং পুনঃতফসিলের দাবিতে সমাবেশ করেছে ছাত্রদল। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) অপরাজেয় বাংলা’র পাদদেশে অনুষ্ঠিত এই

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘পুনঃতফসিল ও পুনর্নির্বাচন দিতে হবে। প্রশাসন ছাত্রলীগের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যেতে পারে না। এই নির্বাচন মানি না, আমাদের আন্দোলন চলবে।’

ডাকসু নির্বাচনের আগে ছাত্রদলের দেওয়া সাত দফা দাবি বহাল রেখে পুনঃনির্বাচন ও ভোটকেন্দ্র হল থেকে একাডেমিক ভবনে নেওয়ার দাবি জানানা হয়।

সমাবেশ শেষে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা একদিনের সর্বাত্মক ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছিলাম। সফলভাবে এই ধর্মঘট পালিত হচ্ছে, এতে সাধারণ ছাত্ররা সাড়া দিয়েছেন। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যে আঘাত হেনেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন— ঢাবি ছাত্রদল সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, ছাত্রদল মনোনীত ডাকসুর ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে ছাত্রলীগ ছাড়া বামজোটসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে মঙ্গলবার ধর্মঘট এবং ক্লাস বর্জনের ডাক দেয়।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। তিনি ১১০৬২ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি পেয়েছেন ১০৪৮৪ ভোট।  সোমবার দিবাগত রাতে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর দুইটায়।

নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১৩ জন। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। 

আরও পড়ুন:

ভিসির বাসার সামনে ছাত্রলীগের অবস্থান, ক্যাম্পাস থমথমে

ঢাবিতে চলছে ক্লাস বর্জন

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর

পাঁচটি ছাত্রী হলের চারটিতেই ভিপি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা

প্রহসনের নির্বাচন মানি না, স্লোগান ছাত্রলীগের

নুরকে ভিপি ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ (ভিডিও)

প্রশাসন তৎপর থাকায় নির্বাচিত হতে পেরেছি: ফজিলাতুন্নেছা হল ভিপি

লিটন নন্দী-নুরুর বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে শাহবাগ থানার লুকোচুরি!

‘নীল নকশার নির্বাচন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন’ (ভিডিও)

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন
ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 

 

 

১২:১৮, মার্চ ১২, ২০১৯

ডাকসু নির্বাচন বাতিল চায় বামজোট

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

 

টিএসসিতে অবস্থান নিয়েছেন বামজোট সমর্থিত বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন বাতিল ও পুনঃতফসিলের দাবি জানিয়ে টিএসসিতে (ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র) অবস্থান নিয়েছেন বামজোট সমর্থিত বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।  মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে তারা টিএসসিতে অবস্থান নেন। এসময় ‘জালিয়াতির নির্বাচন মানি না, মানবো না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি চলছে। আমরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়েছি। আমরা নির্বাচন বাতিল করে পুনঃতফসিল চাই।’

ডাকসু’র নবনির্বাচিত ভিপি নূরুল হক নুরের সঙ্গে কথা হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ওরা আমাদের সঙ্গেই আছে। ওদের কোটা আন্দোলনের ছেলেরা আমাদের কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসছে।’

প্রসঙ্গত, সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে ছাত্রলীগ ছাড়া বামজোটসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে মঙ্গলবার ধর্মঘট এবং ক্লাস বর্জনের ডাক দেয়।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। তিনি ১১০৬২ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি পেয়েছেন ১০৪৮৪ ভোট।  সোমবার দিবাগত রাতে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ২টায়।

নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১৩ জন। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। 

আরও পড়ুন:

ভিসির বাসার সামনে ছাত্রলীগের অবস্থান, ক্যাম্পাস থমথমে

ঢাবিতে চলছে ক্লাস বর্জন

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর

পাঁচটি ছাত্রী হলের চারটিতেই ভিপি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা

প্রহসনের নির্বাচন মানি না, স্লোগান ছাত্রলীগের

নুরকে ভিপি ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ (ভিডিও)

প্রশাসন তৎপর থাকায় নির্বাচিত হতে পেরেছি: ফজিলাতুন্নেছা হল ভিপি

লিটন নন্দী-নুরুর বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে শাহবাগ থানার লুকোচুরি!

‘নীল নকশার নির্বাচন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন’ (ভিডিও)

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন
ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 




 

১১:০০, মার্চ ১২, ২০১৯

ভিসির বাসার সামনে ছাত্রলীগের অবস্থান, ক্যাম্পাস থমথমে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

 

ভিসির বাসভবনের সামনে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অবস্থানঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ফল কারচুপির অভিযোগ এনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপাচার্যের (ভিসি)  বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।  মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সকালে প্রথমে ছাত্রলীগের কর্মীরা ভিসির বাড়ির সামনের সড়কে মানববন্ধন করেন। পরে তারা সেখানে রাস্তার ওপরে  অবস্থান নেন।  ভিসির বাসভবনের সামনে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়   থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় রাস্তার ওপরে বিচ্ছিন্নভাবে টায়ার জালিয়ে প্রতিবাদ জানান ছাত্রলীগের কর্মীরা। তারা বলছেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠ হলেও ফল কারচুপি করা হয়েছে। আমরা এই ফল প্রত্যাখ্যান করছি।’

এদিকে, নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সোমবার ছাত্রলীগ ছাড়া অন্যান্য প্যানেলের প্রার্থীরা  মঙ্গলবার ঢাবিতে ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করেছিল। সরেজমিন দেখা গেছে, ধর্মঘট নয়, তবে ক্লাস বর্জন চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশের মুখে প্রতিটি গেট  বন্ধ করে দিয়ে গাড়ি ও সাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মানববন্ধননির্বাচনে বিজয় একাত্তর হল সংসদে সদস্য পদে বিজয়ী রেজাউল রায়হান বলেন, ‘চক্রান্ত করে ফল কারচুপির মাধ্যমে ভিপি পদ দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের বিজয়ী করতে চক্রান্ত করা হয়েছে। এই ফল মানি না।’

বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফল কারচুপি করা হয়েছে। এই ফল প্রত্যাখ্যান করছি।’

টায়ারে আগুন দিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের প্রতিবাদসোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান। নুরকে ভিপি ঘোষণার পর সিনেট ভবনের অডিটোরিয়ামে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা সেখানে ‘ফল মানি না’ বলে স্লোগান দেন। এছাড়া, ‘নুরের চামড়া তুলে নেবো আমরা’, ‘ভুয়া ভুয়া’ বলেও স্লোগান দেন। এসময় অডিটোরিয়ামে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে তারা ভিসির বাসভবনের সামনে মিছিল নিয়ে জড়ো হন।

আরও পড়ুন:

ঢাবিতে চলছে ক্লাস বর্জন
ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর

পাঁচটি ছাত্রী হলের চারটিতেই ভিপি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা

প্রহসনের নির্বাচন মানি না, স্লোগান ছাত্রলীগের

নুরকে ভিপি ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ (ভিডিও)

প্রশাসন তৎপর থাকায় নির্বাচিত হতে পেরেছি: ফজিলাতুন্নেছা হল ভিপি

লিটন নন্দী-নুরুর বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে শাহবাগ থানার লুকোচুরি!

‘নীল নকশার নির্বাচন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন’ (ভিডিও)

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন

ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 

 

 

 

১০:৪১, মার্চ ১২, ২০১৯

ঢাবিতে চলছে ক্লাস বর্জন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেইঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার থেকে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন সমর্থিত প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ক্যাম্পাসে ধর্মঘটের সমর্থনে ক্লাস বর্জন চলছে বলে জানা গেছে। এর আগে সোমবার ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয় তারা।

কলাভবন ঘুরে কোথাও ক্লাস হতে দেখা যায়নি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা কেউ ক্লাসে আসেনি। শিক্ষকরা সেভাবে আসেননি। তবে যারা কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল তাদের কাউকে ক্যাম্পাসে দেখা যায়নি। এদিকে ছাত্র ধর্মঘটের পক্ষে ক্যাম্পাসে মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।

ছাত্রদলের মিছিল সমাবেশছাত্রদল মনোনীত ডাকসুর জিএস প্রার্থী খন্দকার আনিসুর রহমান অনিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন,  'আমাদের পূর্বঘোষিত ধর্মঘট কর্মসূচি চলছে। সকাল থেকে আমরা একাধিকবার বিক্ষোভ করছি। আমাদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ধর্মঘটের সারা দিয়ে তারা ক্লাস বর্জন করেছে। আমাদের একদিনের ধর্মঘট পালিত হয়েছে।' পরবর্তী কর্মসূচি সবাইকে জানানোর হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর ডাকসু’র ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আন্দোলন করছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে ছাত্রলীগের একাংশ উপাচার্যের (ভিসি) বাসবভনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে তারা ভিডির বাড়ির সামনে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।

টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা

বিদ্যামন পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়য়ে প্রবোশের মুখে প্রতিটি গেটে গাড়ি ও সাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

 

 

০৬:২৬, মার্চ ১২, ২০১৯

পাঁচটি ছাত্রী হলের চারটিতেই ভিপি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংসদ নির্বাচনে পাঁচটি ছাত্রী হলের চারটিতেই স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। পাশাপাশি তিনটি হলের জিএস পদেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী— শামসুন্নাহার, কবি সুফিয়া কামাল ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ভিপি-জিএস উভয় পদেই জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এছাড়া বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের ভিপি পদটিও জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রিকি হায়দার আশা। এ সব হলের অন্যান্য পদেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকে জয়ী হয়েছেন।

শামসুন্নাহার হলে ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ ১৩টি পদের ৮টিতেই স্বতন্ত্র প্যানেল জয়ী হয়েছে। বাকিগুলোতে ছাত্রলীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। হলটিতে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি, জিএস পদে আফসানা ছপা ও এজিএস ফাতিমা আক্তার। জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্যানেলটি ৮ জনেরই ছিল। এরা সবাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্যানেলের শিক্ষার্থী।

ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী রিকি হায়দার আশা। তিনি ছাত্রলীগের প্রার্থী কোহিনুর আক্তার রাখিকে পরাজিত করেন। এই হলে সাধারণ সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের সারা বিনতে জামাল জয়ী হন। হলটিতে ১০ পদে ছাত্রলীগ জয়ী হলেও রিকির মতো সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তাসলিন হালিম মিম ও সাহিত্য সম্পাদক পদে খাদিজা জয়ী হন। এই দুজনও সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন।

বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের হল সংসদ নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদকসহ (জিএস) পাঁচ পদে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এই হলে ভিপি হয়েছেন সুস্মিতা কুণ্ডু, জিএস হয়েছেন সাগুফতা বুশরা। বাকি আট পদে জিতেছেন ছাত্রলীগের প্যানেলের প্রার্থীরা।নির্বাচনে সাতটি পদে প্রার্থিতা রেখে স্বতন্ত্র প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে জয় পেয়েছেন পাঁচ জন। স্বতন্ত্র থেকে বিজয়ী অন্যরা হলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুন্নী আক্তার, সাহিত্য সম্পাদক সাহরীন সুলতানা ইরা ও অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া সম্পাদক জয়নব আক্তার।

ছাত্রীদের বেগম রোকেয়া হলে ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। হলটির ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ইশরাত জাহান তন্বী। জিএস নির্বাচিত হয়েছেন সায়মা আক্তার প্রমি এবং এজিএস নির্বাচিত হয়েছেন ফাল্গুনি দাস তন্নি।

কবি সুফিয়া কামাল হলে ভিপি ও জিএস পদে জয় পেয়েছে স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরা। এই হলে ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থীকে হারিয়ে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন তানজিনা আক্তার সুমা। একইভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুনিরা শারমিন নির্বাচিত হয়েছেন জিএস।

তবে ছাত্রদের ১২টি হলের মধ্যে ১০টিতেই জিতেছেন ছাত্রলীগের প্রার্থীরা। অমর একুশে হল ও ফজলুল হক হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান সুমন ও মাহমুদুল হাসান তমাল।

আরও পড়ুন...

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর

 
 

 





 

০৫:৫২, মার্চ ১২, ২০১৯

প্রহসনের নির্বাচন মানি না, স্লোগান ছাত্রলীগের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভকোটা সংস্কার আন্দোলন ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হয়েছেন। তাকে ভিপি ঘোষণার পর, এই নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিচ্ছে ছাত্রলীগ। বিভিন্ন হল থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা উপাচার্যের (ভিসি) বাসবভনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন।

ছাত্রলীগের বিক্ষোভনেতাকর্মীরা এখন ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান করছেন। মিছিল থেকে ভিপি পদের ফল প্রত্যাখ্যান করেও স্লোগান দিচ্ছেন তারা। এর আগে ফল ঘোষণার পরপরই সিনেট ভবনের অডিটোরিয়ামে বিক্ষোভ শুরু করেন নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগের-বিক্ষোভসোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে সিনেট ভবনে ডাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এদিকে, ভোর পৌনে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর এলাকায় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে। তবে কে বা কারা গুলি চালিয়েছে তা জানা যায়নি।


আরও পড়ুন...

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর

 

নুরকে ভিপি ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ (ভিডিও)

ঢাবির ১৮টি হলে স্বতন্ত্র থেকে ভিপি ৬ জিএস ৪, বাকিগুলো ছাত্রলীগের

 

 

০৪:৩৫, মার্চ ১২, ২০১৯

শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

নুরুল হক নুর ও রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে এক হাজার ৯৩৩ ভোট বেশি পেয়ে সহসভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচিত হয়েছেন নুরুল হক নুর। তিনি পেয়েছেন ১১০৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন পান ৯ হাজার ১২৯ ভোট।

সোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে, নুরকে ভিপি ঘোষণার পর সিনেট ভবনের অডিটোরিয়ামে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীরা সেখানে ফল মানি না বলে স্লোগান দেন। এছাড়া ‘নুরের চামড়া তুলে নেবো আমরা’, ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দেন তারা। এসময় অডিটোরিয়ামে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে তারা ভিসির বাসভবনের সামনে মিছিল নিয়ে জড়ো হন।

নুরুল হক নুর সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। নুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়।

আরও পড়ুন:

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

রাত জেগে পাহারা দিয়ে শামসুন্নাহার জিতলেন ইমিরা

নুরকে ভিপি ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ (ভিডিও)

ঢাবির ১৮টি হলে স্বতন্ত্র থেকে ভিপি ৬ জিএস ৪, বাকিগুলো ছাত্রলীগের




 

০৩:৪৭, মার্চ ১২, ২০১৯

নুরকে ভিপি ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ (ভিডিও)

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

হট্টগোলঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেলের নুরুল হক নুরকে সহসভাপতি (ভিপি) ঘোষণার পরপরই সিনেট ভবনের অডিটোরিয়ামে বিক্ষোভ শুরু করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীরা সেখানে ফল মানি না বলে স্লোগান দিচ্ছেন। এছাড়া ‘নুরের চামড়া, তুলে নেবো আমরা’, ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন তারা। এতে অডিটোরিয়ামে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভের সময় ভাঙচুর করা হয়ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও কর্মীরা বিক্ষোভ করছেন। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, বিশ্বিবদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ সিনিয়র নেতারাও বিক্ষোভকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন।

ছাত্রলীগের বিক্ষোভএর আগে সোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে সিনেট ভবনের অডিটোরিয়ামে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ২টায়।



আরও পড়ুন: 

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর

রাত জেগে পাহারা দিয়ে শামসুন্নাহার জিতলেন ইমিরা

ঢাবির ১৮টি হলে স্বতন্ত্র থেকে ভিপি ৬ জিএস ৪, বাকিগুলো ছাত্রলীগের

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

০৩:২৩, মার্চ ১২, ২০১৯

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস রাব্বানী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট





নুরুল হক নুর ও গোলাম রাব্বানী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। তিনি ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ১২৯ ভোট। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা মো. রাশেদ খাঁন। তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৩ ভোট। 



ডাকসুর ফল ঘোষণা করছেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান

সোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ২টায়।


সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ফারুক হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৯৬ ভোট।
এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে সাদ বিন কাদের চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে আরিফ ইবনে আলী, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে লিপি আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে শাহরিমা তানজিম অর্নি, সাহিত্য সম্পাদক পদে মাজহারুল কবির শয়ন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে আসিফ তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক পদে শাকিল আহমেদ তানভীর, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে শামস-ঈ-নোমান ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে আখতার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।
১৩টি সদস্যপদে বিজয়ীরা হলেন- যোশীয় সাংমা চিবল (১২ হাজার ৫৬৮), মো. রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য (১১ হাজার ২৩২), তানভীর হাসান সৈকত (১০ হাজার ৮০৫), তিলোত্তমা সিকদার (১০ হাজার ৪৬৬), নিপু ইসলাম তন্বী (১০ হাজার ৩৯৩), রাইসা নাসের (৯ হাজার ৭৬৮), সাবরিনা ইতি (৯ হাজার ৪৫০), মো. রাকিবুল হাসান রাকিব (৮ হাজার ৬৭৩), নজরুল ইসলাম (৮ হাজার ৫০৯), মোছা. ফরিদা পারভীন (৮ হাজার ৪৮৯), মুহা. মাহমুদুল হাসান (৭ হাজার ৯৭৮), মো. সাইফুল ইসলাম রাসেল (৭ হাজার ৮১২) ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সবুজ (৫ হাজার ৫১৭)।

নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১৩ জন। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

আরও পড়ুন: 
শোভনের চেয়ে ১৯৩৩ ভোট বেশি পেলেন নুর 

রাত জেগে পাহারা দিয়ে শামসুন্নাহার জিতলেন ইমিরা

নুরকে ভিপি ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ (ভিডিও)

ঢাবির ১৮টি হলে স্বতন্ত্র থেকে ভিপি ৬ জিএস ৪, বাকিগুলো ছাত্রলীগের

০২:৪৭, মার্চ ১২, ২০১৯

লিটন নন্দী-নুরুর বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে শাহবাগ থানার লুকোচুরি!

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ডাকসু নির্বাচনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন করা ভিপি ও জিএস প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১১ মার্চ) ঢাবির নৃত্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মারজুকা রায়না এ মামলা দায়ের করেন। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র নিশ্চিত করলেও শাহবাগ থানা পুলিশ মামলার বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি করছে।

জানতে চাইলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এখনই আমি কিছু বলতে পারবো না। আমাকে খোঁজ নিতে হবে।’ শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবারের (১২ মার্চ) অবস্থান ধর্মঘট ঠেকাতে মামলার কৌশল নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এই মামলার কারণে পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। একারণেই মামলা দায়েরের বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি করা হচ্ছে।

ওই সূত্র জানায়, ডাকসু নির্বাচন চলাকালে রোকেয়া হলের ভোটকেন্দ্রের পাশের কক্ষ থেকে তিন বাক্স সাদা ব্যালট পেপার উদ্ধার করে বাম ও স্বতন্ত্র জোটের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে সেখানে অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্যানেল থেকে ডাকসুর ভিপি পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়া নুরুল হক নুর তাকে মারধরের অভিযোগ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই ঘটনার জের ধরে রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ জিনাত হুদাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা, মিথ্যা গুজব ছড়ানোসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মামলায় দুই ভিপি প্রার্থী কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর ও ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লিটন নন্দীসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যরা হলেন- জিএস প্রার্থী ঢাবির জহুরুল হক হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক খন্দকার আনিসুর রহমান, জিএস প্রার্থী ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি শাখার সভাপতি উম্মে হাবীবা বেনজীর ও রোকেয়া হল সংসদে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী শেখ মৌসুমী। এছাড়া মামলায় আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

২৩:০৫, মার্চ ১১, ২০১৯

রাত জেগে পাহারা দিয়ে শামসুন্নাহার জিতলেন ইমিরা

সুশোভন অর্ক

 

শাসনুন্নাহার হলে জিতলেন স্বতন্ত্র ৮ প্রার্থী। ব্যবহৃত ছবিটি ছিল তাদের নির্বাচনি পোস্টার। (ছবি: সংগৃহীত)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের একক প্রাধান্যের ভেতরেও একটি হলই জয় করে ফেলেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দলীয় ব্যানারের বাইরে বেরিয়ে স্বতন্ত্র প্যানেল দিয়ে শতভাগ সাফল্য পাওয়ার গল্প ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম। এই গল্প  ডাকসু নির্বাচনে শামসুন্নাহার হলের। এখানে ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ১৩টি পদের ৮টিতে প্রার্থী দিয়ে ৮টিতেই স্বতন্ত্র প্যানেল জয়ী হয়েছে। হলটিতে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি। জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন আফসানা ছপা। এজিএস ফাতিমা আক্তার। বাকি ৫টি পদে জিতেছে ছাত্রলীগের প্রার্থীরা। তবে এই ফল এমনি এমনি আসেনি বলে জানিয়েছেন হলের নব নির্বাচিত ভিপি শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি। 

সোমবার (১১ মার্চ) ডাকসু নির্বাচনে শামসুন্নাহার হলের ফল ঘোষণা শেষে বাংলা ট্রিবিউনের কথা হয় শামসুন্নাহার হলের নব নির্বাচিত ভিপি শেখ তাসনীম আফরোজ ইমির সঙ্গে। ক্ষমতাসীন দলের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের প্যানেলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করে ১০৭৬ ভোট পেয়ে জয়ী হওয়া ইমি জানান, এই জয় কাঙ্ক্ষিত ছিল। হলে তাদের বিপুল সমর্থন ছিল। তবে তা বের করে আনতে প্রচুম শ্রম-ঘাম ঝরাতে হয়েছে। কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। এজন্য তারা সবাই রাত জেগে ব্যালট বাক্সসহ ভোটের কক্ষ পাহারা দিয়েছেন। কোনও ধরনের অনিয়ম হয় কিনা তা সারাক্ষণ চোখে চোখে রেখেছেন।  তবে ফল পেয়ে সবাই এখন মহা খুশি। এই সাফল্যের জন্য হলের প্রতিটি ভোটারকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

ভিপি পদে বিজয়ী হয়েছেন শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি  

শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি জানান, তাদের স্বতন্ত্র প্যানেলটি ৮ জনেরই ছিল। হলে ১৩টি পদে লড়াই হলেও তারা কৌশলগত কারণে ৮টি পদেই প্রার্থী দিয়েছিলেন। ৮ জনই জয়ী হওয়ায় শতভাগ সাফল্য তাদের। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হলে যে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের সাহায্য করবে।

তবে তিনি জানান, অনিশ্চয়তায় থাকলেও আজ তাদের হলে ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু হয়েছে। ছাত্রীরা সবাই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন। কোনও ধরনের অনিয়ম হয়নি।

জয়ী হয়েছেন বলে এ কথা বলছেন কিনা জানতে চাইলে ইমি বলেন, ‘না, ভোটের ফল অন্য কিছু হলেও একই কথা বলতাম। আমাদের হলে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়নি। আসলে বিশৃঙ্খলা করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হয়নি। স্বাভাবিক যে ফল হওয়ার কথা সেটা আদায় করে নেওয়া হয়েছে। এজন্য হলে দায়িত্বরত শিক্ষকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।’

দায়িত্ব গ্রহণের পর কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন জানতে চাইলে নবনির্বাচিত ভিপি শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি বলেন, ‘আমাদের হলে পানির খুব সংকট। এই সমস্যাটিকে সবার আগে দূর করার চেষ্টা করবো। এছাড়াও হলে বহিরাগতদের উৎপাত বেশি। এটা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেবো।’

উল্লেখ্য, সচেতন শিক্ষার্থীদের সংগঠন স্লোগান ৭১ ও স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের সংগঠন বাধন এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি। গণ জাগরণ মঞ্চের সময় স্লোগান ৭১ এর কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। তবে ইমি আলোচনায় আসেন মূলত ২০১৮ সালের শুরুর দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রেখে। এই আন্দোলনের সামনের কাতারে থেকে শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ অন্য ক্যাম্পাসগুলোর শিক্ষার্থীদের কাছে পরিচিত মুখ হন তিনি। তবে এই আন্দোলনের কারণে তথ্য আদায়ের নামে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী  হলের সামন থেকে তাকে তুলে নিয়ে গেলে সবগুলো জাতীয় গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় নেত্রীতে পরিণত হন তিনি। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনেও তিনি অনলাইনে সোচ্চার ছিলেন। মূলত এই জনপ্রিয়তা তাকে শামসুন্নাহার হল সংসদের নির্বাচনে ভিপি পদে জয়ী হতে সাহায্য করেছে। তার প্যানেল থেকে বিজয়ী অন্যরা বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় থাকায় এই জয় পেয়েছেন। 

 

২২:৩১, মার্চ ১১, ২০১৯

‘অনিয়ম’ তুলে ধরে নির্বাচন স্থগিতের আহ্বান ঢাবির ৮ শিক্ষকের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

d054bf58e2bdf4e49698d8a283a7204b-5c85bf584e82cঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের বিভিন্ন ‘অনিয়ম’ তুলে ধরে এটি স্থগিত করে নতুন তফসিল ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন বিভাগের আট শিক্ষক। তারা বলছেন, ‘এত বছর পরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন সফলভাবে না করতে পারার ব্যর্থতার দায়ভার প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষক সবার। এই ব্যর্থতা সমগ্র শিক্ষক সমাজের নৈতিকতার মানদণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এই ব্যর্থতার একটি সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হোক। সেই সঙ্গে এই নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে অবিলম্বে নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হোক।’

সোমবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে সাতটি হলে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এক বিবৃতিতে তারা এ আহ্বান জানান।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ বিষয়ে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা কয়েকজন শিক্ষক নিজস্ব উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবামূলক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চিফ রিটার্নিং অফিসার মৌখিকভাবে অনুমতি দেন এই বলে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এই দায়িত্ব চাইলেই পালন করতে পারবো। আমরা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ছাত্রদের হল এসএম হল, সূর্যসেন হল, মহসিন হল, এফ রহমান হল, শহীদুল্লাহ্ হল এবং ছাত্রীদের হল রোকেয়া হল ও কুয়েত মৈত্রী হল পরিদর্শন করি।’

অনিয়মগুলো উল্লেখ করতে গিয়ে তারা বলেন, ‘ভোটারের আইডি চেক করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের সদস্যরাই বেশিমাত্রায় ভূমিকা রেখেছেন এবং অনাবাসিক ছাত্রদের ভোট দিতে বাধা প্রদান ও নিরুৎসাহিত করেন তারা;  ছাত্রলীগের কর্মীরা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করলেও, অন্য প্যানেলের প্রার্থী ও কর্মীরা ভোটকেন্দ্রের বাইরে বা ভোটারের সারির আশেপাশে অবস্থান গ্রহণ করতে বাধাগ্রস্ত হয়েছেন; ভোটকেন্দ্রের অবব্যহিত বাইরে কৃত্রিম জটলা করে রেখেছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া স্লথ হয় এবং বাকিরা ভোটদানে নিরুৎসাহিত হয়; অনেক ক্ষেত্রে বুথের ভেতরে আমরা সময় গণনা করে দেখেছি ৫ থেকে ২৩ মিনিট পর্যন্ত সময় ব্যয় করেছে কোনও কোনও ভোটার, যা ইচ্ছাকৃত মনে হওয়ার কারণ রয়েছে; ভোট চলাকালেই রোকেয়া হলের সামনে একটি সংগঠনের ২০-২৫ জন কর্মীকে বাইকের হর্ন বাজিয়ে শোডাউন করতে দেখা গেছে যা আচরণবিধির লঙ্ঘন।’

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, ‘একটি বড় অসঙ্গতি মনে হয়েছে, ব্যালট পেপারে কোনও সিরিয়াল নম্বর ছিল না। ৪৩ হাজার ভোটারের একটি নির্বাচনে ব্যালট পেপারে সিরিয়াল নম্বর না থাকাটা আমাদের কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ এতে নির্বাচনের ফলাফলে গুরুতর অনিয়ম ঘটানো অনেক সহজ হয়ে যায়। কোন হলে কোন সিরিয়াল গেল, তারও ট্র্যাক রাখার উপায় থাকার কথা নয়।’

বিবৃতিদাতা শিক্ষকরা হলেন– গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা খানম ও অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অতনু রব্বানী।

 

২১:১৩, মার্চ ১১, ২০১৯

সাংবাদিকের ওপর হামলা, দায়িত্ব পালনে বাধা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

Dakshuঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা এবং নানাভাবে কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকেও দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার চেষ্টার কথা জানা গেছে। সোমবার (১১ মার্চ) ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিনভর নানা অনিয়ম-অভিযোগের মধ্যে এটি ছিল অন্যতম।

এদিন সকালে দৈনিক আমাদের সময়ের স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান (হাবিব রহমান) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলে দায়িত্ব পালনের সময় লাঞ্ছনার শিকার হন। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কি করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান সোমবার এক বিবৃতিতে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।          

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে ডয়চে ভেলের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হারুন উর রশীদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হলে বেলা দেড়টার দিকে লাইভ সম্প্রচার করার জন্য প্রবেশ করলে প্রথমে বলা হয়, “সাংবাদিকরা নির্ধারিত সময়ে ছবি তুলে চলে গেছে, এখন আর ঢোকা যাবে না।” এরপর আবার প্রবেশের চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ নিষেধ করেন। এ সময় যেকোনও সময় সাংবাদিকরা কোন পর্যন্ত প্রবেশ ও তার কাজ করতে পারবেন জানানোর পরও বারবারই তাদের বাধাগ্রস্ত করা হয়।’

এসএম হলে সকাল থেকেই সাংবাদিকদের প্রবেশে কয়েক দফা বাধা দেওয়া হয়। দায়িত্বপালনরত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি হলে প্রবেশে এবং তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া হলেও কয়েকটিতে কোনও বাধার মুখোমুখি হননি তারা। রোকেয়া হলের সামনে থেকে বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের সাংবাদিক শাহনাজ রুমা সন্ধ্যা ৭টায় জানান, তারা শেষ পরিস্থিতি জানতে রোকেয়া হলের প্রভোস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। এ সময় প্রভোস্ট সাংবাদিকদের সামনে দিয়েই হল ত্যাগ করেন।

সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মতান্ত্রিকভাবে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হওয়া প্রসঙ্গে সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাংবাদিকরা সেখানে পেশাদারিত্বের কারণেই দায়িত্ব পালন করতে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে নিয়ম বেঁধে দিয়েছে এবং যে শৃঙ্খলা বেঁধে দিয়েছে তার ভেতরে থেকেই সাংবাদিকরা কাজ করেছেন। আমি খুবই অবাক হয়েছি যে, কোনও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকার পরেও বেশ কয়েকজন সাংবাদিক নিগৃহীত হয়েছেন, অথচ এই কারণে চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কেউই টুঁ শব্দ করেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা সাংবাদিকদের নিগৃহীত করেছে তারা জানে সাংবাদিক নির্যাতন করলে কোনও বিচার হয় না। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি তাদেরকে দুর্বীনিত করে তুলেছে। যারা নিজেদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে দাবি করেন, সেই শিক্ষকদের সামনে দুর্বৃত্তরা গণমাধ্যমকর্মীদের লাঞ্ছিত করেছে কিন্তু তারা কোনও ব্যবস্থা নেননি।’

 

১৯:৩৪, মার্চ ১১, ২০১৯

ঢাবির ১৫ হলে স্বতন্ত্র থেকে ভিপি ৩ জিএস ২, বাকিগুলো ছাত্রলীগের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ঢাবি’র হলগুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন

 

 



ডাকসু নির্বাচনে ১৫টি হল সংসদ নির্বাচনের ফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শামসুন্নাহার হলের ফল পাল্টে দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এখানে ভিপি, জিএস এজিএসসহ ১৩টি পদের ৮টিতেই স্বতন্ত্র প্যানেল জয়ী হয়েছে। এছাড়াও ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের ভিপি পদটি গেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দখলে। আবার সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ভিপি পদে জয়ী হলেও জিএস পদে ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হেরে গেছেন। একুশে হলেও ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান সুমন।
সোমবার (১১ মার্চ) ডাকসু নির্বাচন শেষে হলগুলোর নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা হল সংসদ রিটার্নিং অফিসাররা এই ফল ঘোষণা করেন।
শামসুন্নাহার হল 

শামসুন্নাহার হল
শামসুন্নাহার হলের ফল পাল্টে দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এখানে ভিপি, জিএস এজিএসসহ ১৩টি পদের ৮টিতেই স্বতন্ত্র প্যানেল জয়ী হয়েছে। বাকিগুলোতে ছাত্রলীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। হলটিতে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি, জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন আফসানা ছপা, এজিএস ফাতিমা আক্তার। জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্যানেলটি ৮ জনেরই ছিল। এরা সবাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্যানেলের শিক্ষার্থী।

অমর একুশে হল

অমর একুশে হল
অমর একুশে হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান সুমন। এই হলে জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগের প্যানেলের আহসান হাবীব।

ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল


ফলে চমক এসেছে ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলেও। এতে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী রিকি হায়দার আশা। তিনি ছাত্রলীগের প্রার্থী কোহিনুর আক্তার রাখিকে পরাজিত করেন। এই হলে সাধারণ সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের সারা বিনতে জামাল জয়ী হন। এই হলে ১০ পদে ছাত্রলীগ জয়ী হলেও রিকির মতো সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তাসলিন হালিম মিম ও সাহিত্য সম্পাদক পদে খাদিজা জয়ী হন। এই দুজনও সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন।
সার্জেন্ট জহুরুল হক হল

সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে সাইফুল্লাহ আব্বাসী অনন্ত। তিনি পেয়েছেন ১২৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোলায়মান ইসলাম পেয়েছেন ১২৬ ভোট। এই হলে জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌফিকুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৮৩৬ ভোট। তার নিকটতম রিফাত উদ্দিন পেয়েছেন ৬৮০ ভোট।

জহুরুল হক হল






জসীম উদ দীন হল


জসিম উদ দীন হল ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগ সমর্থিত প্যানেলের ফরহাদ আলী। এই হলে জিএস নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের ইমাম হাসান।কবি জসিমউদদীন হল

 

হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল

হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগ সমর্থিত প্রার্থী শহিদুল হক শিশির। তিনি পেয়েছেন ৭৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাকিল মিয়া পেয়েছেন ২১৭ ভোট। জিএস নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের মেহেদী হাসান মিজান। তিনি পেয়েছেন ৬২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজান রহমান পান ২৫১ ভোট।

মুহসীন হল

 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল 


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদে ভিপি পদে ছাত্রলীগের আকমল হোসেন ও জিএস পদে মেহেদি হাসান শান্ত নির্বাচিত হয়েছেন। আকমল হোসেন পেয়েছেন ৯৭৯ ভোট ও জিএস পদে মেহেদী হাসান শান্ত পেয়েছেন ৯৯৫ ভোট। এই হলের ১১টি ছাত্রলীগ জয়ী হলেও দুটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এরা হচ্ছেন সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ইয়াসির আরাফাত ও সদস্য পদে আতাউল্লাহ আরমান। 



শেখ মুজিবুর রহমান হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হল

 

জিয়াউর রহমান হল


জিয়াউর রহমান হলে পূর্ণ প্যানেলে জিতেছে ছাত্রলীগ। এখানে ছাত্রলীগ থেকে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন শরিফুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৮২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তারেক হাসান পেয়েছেন ১৬৯ ভোট। এই প্যানেল থেকে জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন হাসিবুল হোসেন শান্ত। তিনি পেয়েছেন ৬৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রায়হানুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট। 

জিয়াউর রহমান হল

বিজয় একাত্তর হল


বিজয় একাত্তর হলে ১৩টি পদের সব কটিতেই জয়ী হয়েছে ছাত্রলীগ প্রার্থীরা। এই হলে ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন সজিবুর রহমান এবং জিএস পদে জয়ী হয়েছেন নাজমুল হাসান নিশান।বিজয় একাত্তর হল ২

সলিমুল্লাহ্ মুসলিম হল

সলিমুল্লাহ্ মুসলিম হলেও পূর্ণ প্যানেলে জয়ী ছাত্রলীগ। এই হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন  মোজাহীদ কামাল উদ্দীন (এম এম কামাল)। জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন জুলিয়াস সিজার ও এজিএস পদে জিতেছেন নওশের।



সলিমুল্লাহ হল,

জগন্নাথ হল

জগন্নাথ হলে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে ছাত্রলীগ জয়ী হয়েছে। এই হলে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগ উৎপল বিশ্বাস। জিএস পদে জয়ী হয়েছেন কাজল দাস। 

জগন্নাথ হল
















সূর্যসেন হল


সূর্যসেন হলে ভিপি পদে জিতেছেন ছাত্রলীগের মারিয়াম জামান খান সোহান। জিএস পদে জিতেছেন একই প্যানেলের সিয়াম রহমান। প্যানেলের বাইরে বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক পদে জুলহাস সুজন, সাহিত্য আল সাদী।
সূর্যসেন হল

এ এফ রহমান হল
এ এফ রহমান হলে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল জয়ী হয়েছে। এই হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল আলীম খান ও জিএস পদে জয়ী হয়েছেন আব্দুর রহীম।এফ রহমান হল

শহীদুল্লাহ হল
শহীদুল্লাহ হলে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন হোসাইন আহমদ সোহান। জিএস পদে জয়ী হয়েছেন ইরফানুল হাই সৌরভ। এই হলে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে জয়ী হয়েছে ছাত্রলীগ।শহীদুল্লাহ হল

 


ফজলুল হক হল

ফজলুল হক হলে ভিপিসহ পাঁচটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদুল হাসান তমাল। জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন মাহফুজুর রহমান। এই হলে স্বতন্ত্র থেকে বিজয়ী অন্যরা হচ্ছেন বহিরাঙ্গন ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার বাপ্পী, পাঠকক্ষ বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাকীব, সদস্য শামিম এবং মাহবুব। ফজলুল হক মুসলিম হল













ছাত্রলীগ থেকে নির্বাচিতরা হলেন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাহফুজুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) শাহিনুর, অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রওনক ইসলাম, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক রানা আরাফাত, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক আবু হাসিব ও দুজন সদস্য কাইছার ও রাফসান।























































































































 




আরও পড়ুন: 

‘নীল নকশার নির্বাচন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন’ (ভিডিও)

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন

ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 




১৯:৩১, মার্চ ১১, ২০১৯

রাজু ভাস্কর্যে ভোট বর্জনকারী প্যানেলের অবস্থান ধর্মঘট মঙ্গলবার

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

single pic template-1 copyঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট বর্জনকারী ছয়টি প্যানেল ও স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা ভিসি কার্যালয় থেকে অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে তারা মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ক্লাস বর্জন করে রাজু ভাস্কর্যে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এতে সবাইকে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়ে তারা বলেছেন, ‘ডাকসু এই নির্বাচনের ফল প্রকাশ করলে এবং এই নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় তফসিল না দিলে ভিসির পদত্যাগ চাওয়া হবে।’

সোমবার (১১ মার্চ) বিকাল সোয়া ৫টায় বামজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী এই হুঁশিয়ারি দেন।

এর আগে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে সাধারণ শিক্ষার্থী পরিষদ, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্য, ছাত্র ফেডারেশনসহ বিভিন্ন পদের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন। এরপর ভিসির বাসভবন ও কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

ভোট বর্জনের পাশাপাশি মঙ্গলবার (১২ মার্চ) থেকে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা। এ সময় সব ক্লাস বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

লিটন নন্দী ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন,  ‘মঙ্গলবার থেকে আমাদের ছাত্র ধর্মঘট চলবে। ক্লাস বর্জন করে সবাই রাজু ভাস্কর্যে ছাত্র ধর্মঘটে অংশ নেবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করতে হবে। যদি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়, তাহলে আমরা ভিসির পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।’

এর আগে দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে লিটন নন্দী বলেন, ‘আমরা এই প্রহসন ও জালিয়াতির নির্বাচন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।’ তিনি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনের নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন, একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ করতে হবে।’

ছাত্রদলের প্রতিনিধিরাও এ সময় মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত থেকে তাদের সমর্থন দেন। পরে তারাও পৃথক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী মো. আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক এ ঘোষণা দেন ও নতুন নির্বাচনের দাবি জানান। 

পরে  ছাত্রমৈত্রী এবং সরকার সমর্থিত জাসদ ছাত্রলীগও সুষ্ঠু ভোট আয়োজনে প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং অনিয়ম ও নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের কারণে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পারেনি, এমন অভিযোগে ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে।

আরও পড়ুন:

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন

ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 

 
১৮:২৩, মার্চ ১১, ২০১৯

নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় তফসিল চান সাবেক শিক্ষার্থীরা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

হহ

ভোট ডাকাতির অভিযোগ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন বাতিল ও পুনরায় নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা। এ সময় ডাকসু নির্বাচনের নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরেন তারা।

সোমবার (১১ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে শাহবাগ মোড়ে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা এক সমাবেশে এসব অভিযোগ করেন।

সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জুলহাস নাইন বাবু বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন যে এই সরকারের পা-চাটা দলে পরিণত হয়েছে সেটা এবারের ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো।’
তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের সহায়তায় ডাকসু নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও ভোট চুরি হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলো থেকে ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হয়েছে। ছাত্র হলগুলোতে তা করা হয়নি। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলগুলো ক্ষমতাসীন সরকারের ছাত্র সংগঠনের দখলে। সেখানে সাধারণ ছাত্রদের মেরুদণ্ড ভেঙে অকার্যকর ও অচল করে রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিলের দাবি করছি। এই নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হোক।

‘শিক্ষার্থীরা যদি ঘুরে দাঁড়ায় এবং এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষা করা সম্ভব।’
সাবেক শিক্ষার্থী সুস্মিতা রায় সুপতী বলেন, ‘গত ৩০ ডিসেম্বর সারা দেশে যেভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ঠিক তেমনভাবেই ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। হলগুলোতে ভোট ডাকাতি ও ভোট চুরি করে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের ভোট জালিয়াতিতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও কলুষিত করেছেন এই সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আসুন আমরা সবাই ভোট জালিয়াতির এই ডাকসু নির্বাচনকে বর্জন করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াই।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতা মানবেন্দ্র দেব বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরেই আমরা আলোচনা করছিলাম, ডাকসু নির্বাচন ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে, নাকি ১০ মার্চ রাতে হবে। এরপর মনে হলো, না এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এখানে এমনটা হবে না। এরপর আগের রাত থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন ব্যারিকেড দিয়ে দিলো। তখন মনে হলো- না, বহিরাগতরা সেখানে প্রবেশ করতে পারবে না। সুষ্ঠু ভোট হবে। কিন্তু আমাদের ধারণা ভুল প্রমাণিত হলো। প্রশাসনের সহায়তায় নিরাপত্তা ব্যারিকেড দিয়ে ভোট চুরি করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ওই হল থেকে জালিয়াতি ও ডাকাতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করেছেন। ডাকসু নির্বাচনের এই ভোট ডাকাতি ও জালিয়াতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও কর্মচারী যুক্ত ছিলেন না। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিদ্যা পাঠ করান এবং আদর্শের কথা বলেন, সেসব শিক্ষক এই ভোট ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও ইতিহাসে কোনও পরাজয় নেই। সব সময় জয় হয়েছে। আমরা হারতে শিখিনি। ভোট জালিয়াত ও ডাকাতদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে আমরা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবারও জয়ী হবে।’

সাবেক শিক্ষার্থী বাকি বিল্লাহ বলেন, ‘যেভাবে আজকে ভোট ডাকাতি হয়েছে তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আমি লজ্জিত। তবে এরমধ্যেও আশার দিক হচ্ছে, ক্যাম্পাসে সাহসী শিক্ষার্থীরা এই ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে জবাব দিচ্ছেন। তাদের এই সাহসী আন্দোলনে সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের অংশগ্রহণ করা নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি। আমাদের সবাইকে তাদের আন্দোলনে শরিক হতে হবে।’
প্রসঙ্গত, রোকেয়া হল থেকে তিন ট্রাংক ব্যালট উদ্ধারের পর ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেলা ৩টার দিকে আবার ভোট শুরু হয়। এছাড়া কুয়েত মৈত্রী হলের প্রার্থী ও ভোটাররা জানান, ভোট শুরুর আগে থেকে হলের অডিটোরিয়ামে একটি কক্ষ বন্ধ ছিল। সকালে সেই কক্ষ থেকে প্রার্থী ও ভোটাররা এক বস্তা ব্যালট উদ্ধার করেন। তাতে ছাত্রলীগের প্রার্থীদের নামে সিল মারা ছিল। পরে প্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগে নির্বাচনি কর্মকর্তারা ভোট বন্ধ করে দেন। এক ঘণ্টা পর আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এর আগে সকাল ৮টা থেকে ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তবে বিভিন্ন হলে সিল দেওয়া ব্যালট উদ্ধারের ঘটনা এবং ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ বাধাদানের অভিযোগ এনে দুপুরে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন প্রার্থীরা। ছাত্রলীগ বাদে অন্য সব প্যানেলের প্রার্থীরাই ভোট থেকে সরে দাঁড়ান। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষার্থী পরিষদ, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্য, ছাত্র ফেডারেশনসহ বিভিন্ন পদের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নতুন ভোট গ্রহণের পাশাপাশি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘটের ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন- 





ডাকসুর ভোট গণনা চলছে

ছাত্রলীগ বাদে অন্যদের ভোট বর্জন, কাল থেকে ধর্মঘট

কেউ চাইলেই পর্যবেক্ষক হতে পারবে না: উপ উপাচার্য

দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ভোট হয়েছে : ভিসি

 

১৭:৩৪, মার্চ ১১, ২০১৯

ভোট গণনা চলছে ওএমআর স্ক্যানারে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ববঅপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) স্ক্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। এই স্ক্যানার দ্রুত গণনা করতে পারে।

সোমবার (১১ মার্চ) ভোট গ্রহণে শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন জহুরুল হক হলের রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, ‘অপটিক্যাল মেশিনে ভোট গণনা চলছে। দ্রুত এই মেশিন ভোট গণনা করতে সক্ষম।’

সোমবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট শুরু হয়। একযোগে ১৮টি হলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল ও রোকেয়া হলে অনিয়ম ধরার পড়ায় সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিলো। এ কারণে সেখানে সময় বৃদ্ধি করে ভোট নেওয়া হচ্ছে। বাকি ১৬টি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলছে।

প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এসএম মাহফুজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচন শেষে এখন ভোট গণনার কাজ চলছে।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর সোমবার  (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ( ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ২২৯ জন প্রার্থী। ডাকসুর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, মোট ভোটার সংখ্যা ৪২ হাজার ৯২৩ জন। তবে অনিয়মের অভিযোগ এনে ছাত্রলীগ ছাড়া সব প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট বর্জন করে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ছবি : নাসিরুল ইসলাম

 

১৭:৩৩, মার্চ ১১, ২০১৯

মুহসীন হলে সব পদে ছাত্রলীগের জয়

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

 

মুহসীন হল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসিন হলের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছে ছাত্রলীগ। এই হলে সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগ সমর্থিত প্রার্থী শহিদুল হক শিশির। তিনি পেয়েছেন ৭৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাকিল মিয়া পেয়েছেন ২১৭ ভোট।

অন্যদিকে,  জিএস নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের মেহেদী হাসান মিজান। তিনি পেয়েছেন ৬২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজান রহমান পান ২৫১ ভোট। অপর দুই প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আরেফিন ১১৩ ভোট ও মো. মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ২৩ ভোট।

এজিএস নির্বাচিত হয়েছেন মো. সাদিল আব্বাস। তিনি পেয়েছেন ৭০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মাহবুব আলম পেয়েছেন ২০৩ ভোট। 

অন্য ১০টি পদেও ছাত্রলীগ প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে সাহিত্য সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি পেয়েছেন ৬৮৪ ভোট।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ হিল বাকি পেয়েছেন ২২৮ ভোট। সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন ইমরান হাসান। তিনি পেয়েছেন ৫২৬ ভোট। তার নিকটতম মো. মাহবুবুর রহমান পান ৩৭৬ ভোট। রিডিং রুম সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন মো. বিল্লাল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৫৪৯ ভোট। তার নিকটতম মেহেদী আনজাম হাবীব পেয়েছেন ২৭০ ভোট। অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. শাহরিয়ার সনেট সর্বাধিক ৮৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক পদে বিজয়ী জাহিদুল  ইসলাম পেয়েছেন ৬৩২ বোট। তার নিকটতম এ বি এম মাইনুল হাসান পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৬৭২ ভোট। তার নিকটতম মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ২৭৭ ভোট।  

সদস্য পদে নির্বাচিতরা হচ্ছেন মো. আব্দুর রহমান (৭৪১ ভোট), শাহ ইবনে সোয়াদ (৬৮১ ভোট),  মো. জাহাঙ্গীর আলম ( ৬৭৬ ভোট) এবং মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৬৫০ ভোট)। 

সোমবার (১১ মার্চ) বিকাল সোয়া পাঁচটায় হলটির দায়িত্বে থাকা হল সংসদ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ এই ফল ঘোষণা করেন।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ- ডাকসু’র নির্বাচনে সোমবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, এরপর দুপুরে ভোট বর্জন করেন ছাত্রলীগ ছাড়া সবক’টি প্যানেলের প্রার্থীরা।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর আজ  (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ( ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে  ও হলগুলোতে মোট ১৩টি পদে লড়ছেন সর্বমোট ২২৯ জন প্রার্থী। ডাকসুর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ৪২ হাজার ৯২৩ জন।

 

১৬:৪২, মার্চ ১১, ২০১৯

নূর নাটক করেছে দাবি রাব্বানীর

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

(বামে) ডাকসু নির্বাচন নিয়ে মধুর ক্যান্টিনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্যানেল থেকে ভিপি প্রার্থী নূরুল হক নূরের সংবাদ সম্মেলন, (ডানে) ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু জিএস প্রার্থী গোলাম রাব্বানীর সংবাদ সম্মেলন

রোকেয়া হলে ব্যালট উদ্ধারের নামে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্যানেল থেকে সহ সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী নুরুল হক নূর নাটক করেছে বলে দাবি করেছেন ছাত্রলগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু জিএস প্রার্থী গোলাম রাব্বানী। আজ সোমবার (১১ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর মধুর ক্যান্টিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি একথা বলেন। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে ফাঁকা ব্যালট পাওয়া গেলেও এতে সংশ্লিষ্টদের কোনও দায় দেখছেন না তিনি। তবে এই ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর সেখানে গিয়ে এসব ব্যালট উদ্ধার নিয়ে নূর যা বলেছেন তাতে আপত্তি এই ছাত্রলীগ নেতার।  তিনি বলেছেন, ‘যা ঘটেছে তা মোটেই কাম্য ছিল না। ডাকসু নিয়ে এত স্বপ্ন ছিল, আমরা এতো শ্রম দিয়েছি। ব্যালট ছিনতাইয়ের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের সেই স্বপ্ন ছিনতাই হয়েছে। নূর হচ্ছে সেই ছিনতাইকারী। 

রোকেয়া হলে নুরুল হক নূরের ওপর হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সেখানে ব্যালেট রয়েছে বলা হলে আমরা হলে যাই। নূর সঙ্গে ছিল। সে নিজে পরীক্ষা করে দেখেছে ওই ব্যালটগুলো ব্ল্যাঙ্ক (ফাঁকা) ছিল। তখন আমরা তাকে বলি, এগুলো ব্ল্যাঙ্ক সেই স্টেটমেন্ট দিতে হবে। যেহেতু সাজানো নাটক, তারা ধরা খাবে তখন উল্টো হামলার একটা অভিযোগ করলো। আমি দেখেছি, সে পানি খেয়ে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে ল্যাবএইড এর চিকিৎসক জানিয়েছে, পানিশূন্যতার জন্য তাকে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে।’

এই নেতা আরও বলেন, ‘‘আমরা ধৈর্য ধরেছি। ‘ছাত্রলীগ ঠেকাও বলে’ তারা সবাই মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। আমরা সেই চেষ্টা রুখে দিয়েছি।’’

 

১৬:৩৮, মার্চ ১১, ২০১৯

‘উদ্ধার হওয়া’ ব্যালটগুলো ভুয়া: গোলাম রাব্বানী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ননন

রোকেয়া হলে যে ব্যালটগুলো দেখানো হচ্ছে সেগুলো ভুয়া, মূল ব্যালটের সঙ্গে তার কোনও মিল নেই। এমনকি যে ক্রস চিহ্নগুলো দেখা যাচ্ছে, সেটাও মূল ক্রসের সঙ্গে মেলে না বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী গোলাম রাব্বানী।

সোমবার (১১ মার্চ) বিকাল ৪টার পরে মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘কীভাবে ব্যালট হাতছাড়া হওয়ার ঘটনা ঘটানো ঘটলো, পুরো জাতি তা দেখলো। দরজা ভেঙে আমাদের শিক্ষিকাদের লাঞ্ছিত করে তারা সেটা বাইরে নিয়ে গেছে। এই ব্যালটগুলো ভুয়া ব্যালট, মূল ব্যালটের সঙ্গে এর মিল নেই। যারা ভোট বর্জনের কথা বলছেন তারা নাটকটি সুন্দর করে মঞ্চস্থ করতে চেয়েছিলেন। তাদের প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন নেই বুঝে তারা একটি সেফ এক্সিট খুঁজছিল।’

কুয়েত মৈত্রী হলসহ বিভিন্ন ঘটনায় ভোট দিতে না পারা এবং বাধা দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে রাব্বানী বলেন, ‘কোন হলে কাকে বাধা দেওয়া হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে বলতে হবে। আমরা শতভাগ ভোট কাস্ট হোক সেটা চেয়েছি। সবাই যেন ভোট দিতে পারে সেজন্য আমরা আন্তরিক ছিলাম। যেখানেই অভিযোগ শুনেছি, আমরা ছুটে গিয়েছি এবং সমাধানের চেষ্টা করেছি।’
প্রসঙ্গত, রোকেয়া হল থেকে তিন ট্রাংক ব্যালট উদ্ধারের পর ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেলা ৩টার দিকে আবার ভোট শুরু হয়। এছাড়া কুয়েত মৈত্রী হলের প্রার্থী ও ভোটাররা জানান, ভোট শুরুর আগে থেকে হলের অডিটোরিয়ামে একটি কক্ষ বন্ধ ছিল। সকালে সেই কক্ষ থেকে প্রার্থী ও ভোটাররা এক বস্তা ব্যালট উদ্ধার করেন। তাতে ছাত্রলীগের প্রার্থীদের নামে সিল মারা ছিল। পরে প্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগে নির্বাচনি কর্মকর্তারা ভোট বন্ধ করে দেন। এক ঘণ্টা পর আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এর আগে সকাল ৮টা থেকে ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তবে বিভিন্ন হলে সিল দেওয়া ব্যালট উদ্ধারের ঘটনা এবং ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ বাধাদানের অভিযোগ এনে দুপুরে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন প্রার্থীরা। ছাত্রলীগ বাদে অন্য সব প্যানেলের প্রার্থীরাই ভোট থেকে সরে দাঁড়ান। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষার্থী পরিষদ, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্য, ছাত্র ফেডারেশনসহ বিভিন্ন পদের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নতুন ভোট গ্রহণের পাশাপাশি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘটের ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন- 





ডাকসুর ভোট গণনা চলছে

ছাত্রলীগ বাদে অন্যদের ভোট বর্জন, কাল থেকে ধর্মঘট

কেউ চাইলেই পর্যবেক্ষক হতে পারবে না: উপ উপাচার্য

দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ভোট হয়েছে : ভিসি

 
১৬:২৪, মার্চ ১১, ২০১৯

‘রোকেয়া ও কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট চলবে লাইন শেষ না হওয়া পর্যন্ত’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ডাকসু নির্বাচনরোকেয়া হল ও বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল ছাড়া আর সব হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। রোকেয়া ও মৈত্রী হলে ভোটগ্রহণ এখনও চলছে।  ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, এই দুই হলে যতক্ষণ পর্যন্ত হল গেটের ভেতরের সব ভোটার ভোট দেওয়া শেষ না করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

বাংলা ট্রিবিউনকে অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন প্রায় শেষের দিকে। আমাদের যে টিমকে ভোট গণনায় নিয়োজিত করেছি, তারা তাদের মেশিনপত্র নিয়ে এরই মধ্যে ১০টি হলে অবস্থান করছে। কুয়েত মৈত্রী হলের ঘটনায় আমরা ১ ঘণ্টা স্থগিত রেখেছিলাম। সেটা আবার চালু হয়েছে। আর রোকেয়া হলের ঘটনায় আমরা বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরপরই সেখানে গিয়েছি এবং আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে ৩টায় নতুন করে নির্বাচন শুরু হয়েছে। সেখানে ভোট গ্রহণ চলবে যতক্ষণ পর্যন্ত হল গেটের ভেতরের সব ভোটার ভোট দেবেন।  তাদের সবার ভোট নেওয়া হবে যতক্ষণ সময় লাগে।’

তিনি আরও জানান, ‘হলেই ভোট গণনা হবে। গণনা শেষে ফলাফল হল থেকে এবং চূড়ান্ত ফলাফল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঘোষণা করা হবে।’

উল্লেখ্য, কুয়েত মৈত্রী হলের প্রার্থী ও ভোটাররা জানান, ভোট শুরুর আগে থেকে হলের অডিটোরিয়ামে একটি কক্ষ বন্ধ ছিল। সকালে সেই কক্ষ থেকে প্রার্থী ও ভোটাররা এক বস্তা ব্যালট উদ্ধার করেন। তাতে  ছাত্রলীগের প্রার্থীদের নামে সিল মারা ছিল। পরে প্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগে নির্বাচনি কর্মকর্তারা ভোট বন্ধ করে দেন। এক ঘণ্টা পর আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

রোকেয়া হল থেকে তিন ট্রাঙ্ক ব্যালট উদ্ধারের পর ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেলা ৩টার দিকে আবার ভোট শুরু হয়।

আরও পড়ুন- 



ডাকসুর ভোট গণনা চলছে

ছাত্রলীগ বাদে অন্যদের ভোট বর্জন, কাল থেকে ধর্মঘট

কেউ চাইলেই পর্যবেক্ষক হতে পারবে না: উপ উপাচার্য

দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ভোট হয়েছে : ভিসি

১৫:৪৬, মার্চ ১১, ২০১৯

ডাকসুর ভোট গণনা চলছে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ডাকসুর ভোট গণনা চলছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট গণনা চলছে। রোকেয়া হল ও কুয়েত মৈত্রী হল ছাড়া প্রায় সব হলেই ভোট গণনা চলছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা। অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) স্ক্যানার মেশিনে এই ভোট গণনা চলছে।

চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচন প্রায় শেষের দিকে। আমি বিভিন্ন হল থেকে খবর যেভাবে পাচ্ছি তাতে ৭-৮টি হলে ভোট গ্রহণ প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে। হয়তো এর মধ্যে আরও কয়েকটি হলে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। এই ৭-৮ টি হলের মধ্যে আমার ধারণা ৪-৫টি হলে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। আমাদের যে টিমকে ভোট গণনায় নিয়োজিত করেছি, তারা তাদের মেশিনপত্র নিয়ে এরই মধ্যে ১০টি হলে অবস্থান করছে।’ডাকসুর ভোট গণনা চলছে

স্থগিত কেন্দ্রের বিষয়ে চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘কুয়েত মৈত্রী হলের ঘটনায় আমরা ১ ঘণ্টা স্থগিত রেখেছিলাম। সেটা আবার চালু হয়েছে। আর রোকেয়া হলের ঘটনায় আমরা বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরপরই সেখানে গিয়েছি এবং আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে ৩টায় নতুন করে নির্বাচন শুরু হয়েছে।সেখানে ভোট গ্রহণ চলবে যতক্ষণ পর্যন্ত হল গেটের ভেতরের সব ভোটার ভোট দেবেন।  তাদের সবার ভোট নেওয়া হবে যতক্ষণ সময় লাগে।’

তিনি আরও জানান, ‘হলে ভোট গণনা হবে। গণনা শেষে ফলাফল হল থেকে এবং চূড়ান্ত ফলাফল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঘোষণা করা হবে।’

জহুরুল হক হলের রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার হলে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে। আমার জানা মতে রোকেয়া ও কুয়েত মৈত্রী ছাড়া অন্য হলগুলো ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। তারাও গণনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।’ডাকসু নির্বাচন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আব্দুর রহিম জানান, ‘রোকেয়া হলে ভোট গ্রহণ আবার শুরু হয়েছে।’

এদিকে ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুপুরে ভোট বর্জন করেন ছাত্রলীগ ছাড়া সবকটি প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা মঙ্গলবার থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন। ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবি তারা ভিসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।ডাকসুর ভোট বাতিলের দাবিতে আন্দোলন

তবে দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান। ২৮ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ( ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২২৯ জন প্রার্থী। ডাকসুর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ৪২ হাজার ৯২৩ জন।

আরও পড়ুন- 


ছাত্রলীগ বাদে অন্যদের ভোট বর্জন, কাল থেকে ধর্মঘট

কেউ চাইলেই পর্যবেক্ষক হতে পারবে না: উপ উপাচার্য

দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ভোট হয়েছে : ভিসি

 

১৫:২৯, মার্চ ১১, ২০১৯

দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ভোট হয়েছে : ভিসি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

 




ঢাবি ভিসি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান (ছবি সংগৃহীত)দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান। সোমবার (১১ মার্চ) ভোটগ্রহণ শেষে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি এ কথা বলেন। ভিসি বলেন, ‘দুই-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে এবং গণতন্ত্রের মূল্যবোধের বিশ্বাসে ভোট হয়েছে।’

ভোটগ্রহণ শেষে এর আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাই। তারা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। তারা গণতন্ত্রের রীতিনীতি অনুসরণ করেই ভোট দিয়েছে। আমি অনেক কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। সেখানে দেখেছি শিক্ষার্থীরা লাইন দিয়ে ভোট দিয়েছে।’
বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কালক্ষেপণ না করে, কোনও শৈথিল্য না দেখিয়ে প্রভোস্টকে সরিয়ে দিয়েছি। নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করে দিয়েছি। কমিটি মূলত খতিয়ে দেখবে কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত। এই নীতিবহির্ভূত কাজের সঙ্গে যারা জড়িত, যেটা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। এর বিরুদ্ধে আমরা কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করবো, যাতে ভবিষ্যতে কেউ নীতিবিরোধী এ ধরনের কাজ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত না হয়। সেটা আমরা দেখবো। রিপোর্ট পাওয়ার পর আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ডাকসুর রীতিনীতি, গঠনতন্ত্র রয়েছে। তা মেনেই সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা দেখলাম, আমাদের শিক্ষার্থীদের যে সুশৃঙ্খলা এবং তাদের গণতন্ত্রের যে মূল্যবোধ রয়েছে তা দেখে আমি খুশি। তাদের এই মূল্যবোধ আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। সামনের দিনগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
ভিসি বলেন, ‘যে বা যারা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠিন থেকে কঠিনতর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে সকাল ৮টা থেকে ডাকসুর ভোট গ্রহণ শুরু হয়। তবে বিভিন্ন হলে সিল দেওয়া ব্যালট উদ্ধারের ঘটনা এবং ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ বাধাদানের অভিযোগ এনে দুপুরে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন প্রার্থীরা। ছাত্রলীগ বাদে অন্য সব প্যানেলের প্রার্থীরাই ভোট থেকে সরে দাঁড়ান। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষার্থী পরিষদ, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্য, ছাত্র ফেডারেশনসহ বিভিন্ন পদের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নতুন ভোট গ্রহণের পাশাপাশি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘটের ঘোষণা দেন।

১৫:১৫, মার্চ ১১, ২০১৯

কেউ চাইলেই পর্যবেক্ষক হতে পারবে না: উপ উপাচার্য

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ডাকসু নির্বাচনে জাল ভোটের অভিযোগঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট চলার সময় বিভিন্ন কেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের দশ জন শিক্ষক পর্যবেক্ষক হিসেবে যাওয়ার বিষয়ে কোনও কথা শুনতে রাজি নন উপ উপাচার্য ড. মুহাম্মদ সামাদ। রোকেয়া হলে ব্যালটভর্তি বাক্স পাওয়ার অভিযোগ ওঠায় পর্যবেক্ষকরা এলাকা পরিদর্শন করেছেন জানানো হলে তিনি বলেন, ‘নিজেরা নিজেরা পর্যবেক্ষক ঘোষণা দিলে হবে না। আমরা কোনও পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেই নাই। কেউ চাইলেই পর্যবেক্ষক হতে পারবে না।’উপ উপাচার্য ড. মুহাম্মদ সামাদ

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শিক্ষকরা ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করতে পারেন কিনা এবং তারা মতামত দিতে পারেন কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ঢাকসু নির্বাচনে কোনদিন কোনও আচরণবিধি ছিল না। আমরাই এই প্রথম সেটি তৈরি করেছি। আমি ৮০ সালে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন রঙিন পোস্টার ছিল, এখন এসব কিছুই নাই। আমি ডাকসুতে নির্বাচন করেছি, কোনদিন কোনও পর্যবেক্ষকের নিয়ম ছিল না।’ডাকসু নির্বাচনে জাল ভোটের অভিযোগ

এর আগে রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক বিবৃতি দেন। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা অঙ্গীকার করছি, নির্বাচনের দিনে স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক দল হিসেবে ভোটকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করবো এবং আমাদের অভিজ্ঞতা জাতির সঙ্গে শেয়ার করবো।’

পর্যবেক্ষক শিক্ষক দলের পক্ষে অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অনুমতি চেয়েছিলাম। তিনি আমাদের মৌখিকভাবে জানিয়েছেন পর্যবেক্ষণ করতে কোনও সমস্যা নেই। উপউপাচার্য হয়তো বিষয়টি অবহিত নন।’ডাকসু নির্বাচন

পর্যবেক্ষক হিসেবে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া শিক্ষকরা হলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অতনু রব্বানী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা খানম এবং শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাজ্জাদ এইচ সিদ্দিকী।

উল্লেখ্য,দীর্ঘ ২৮ বছর পর আজ  (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ( ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২২৯ জন প্রার্থী। ডাকসুর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ৪২ হাজার ৯২৩ জন।

আরও পড়ুন:

‘নীল নকশার নির্বাচন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন’ (ভিডিও)

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন

ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 

১৫:০৬, মার্চ ১১, ২০১৯

ডাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা ইশা ছাত্র আন্দোলনের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ই শা ছাত্র আন্দোলনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির ঘটনায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নির্বাচন বর্জন করেছে। সোমবার (১১ মার্চ) দুপুর দুইটারি দিকে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সমর্থিত আতায়ে রাব্বী-মাহমুদ-শরীয়ত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এস.এম.আতায়ে রাব্বী ও জিএস প্রার্থী মাহমুদুল হাসান এক যৌথ বিবৃতিতে ভোট বর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর পর ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে আশার সঞ্চার হয়েছিল, ভোট ডাকাতির এই ঘৃণ্য তাণ্ডবে তা নিমিষেই নিঃশেষ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন ইশা ছাত্র আন্দোলন সমর্থিত আতায়ে রাব্বী-মাহমুদ-শরীয়ত প্যানেল।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে এধরনের কার্যক্রম শিক্ষার মান ক্ষুণ্ন করেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা কিছুতেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না। সুতরাং, এই প্রহসনমূলক ভোট ডাকাতির নির্বাচন বাতিল করে ডাকসুতে পুনরায় সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন।

 

১৪:৩৫, মার্চ ১১, ২০১৯

উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বামজোট সমর্থিত প্যানেলের বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ- ডাকসু’র নির্বাচনে সোমবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, এরপর দুপুরে ভোট বর্জন করেন ছাত্রলীগ ছাড়া সবক’টি প্যানেলের প্রার্থীরা। একইসঙ্গে  তারা ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল বের করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ভিসির বাসভবনের সামনে গিয়ে সেখানে অবস্থান নেন। এসময় তারা উপাচার্যের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। তারা বলেন— প্রহসনের নির্বাচন ছাত্রসমাজ মানে না। এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন, যে ভিসি ছাত্রলীগের সেই ভিসি চাই না।

ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলডাকসু নির্বাচনে প্রগতিশীল জোট ও স্বতন্ত্র জোটের নেতাকর্মীরাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মিছিল নিয়ে প্রদক্ষিণ করে।

এর আগে বামজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী, কোটাবিরোধী আন্দোলনের নেতা ও ভিপি প্রার্থী নূরুল হক নূর ও স্বতন্ত্র জোটের ভিপি পার্থী অরণি সেমন্তি খান তাদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেন।

ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন কোটাবিরোধী আন্দোলনের নেতারাএছাড়া, রোকেয়া হল ও মুহসিন হলেও হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে কুয়েক মৈত্রী হল, সূর্যসেন হল ও রোকেয়া হলে কয়েক ঘণ্টার জন্য ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়।

নির্বাচন বন্ধের ঘোষণাএদিকে, নূরুল হক নূর, অনিক ও লিটন নন্দীর প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সমর্থিত জিএস প্রার্থী ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি অভিযোগ করেন, ‘ওরা প্রশাসনকে জিম্মি করে এবং ব্যালট পেপার ছিনতাই করে তা ছড়িয়ে দেয়। এ কারণে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করে মামলা করা হোক।’

ভোটারদের লাইনউল্লেখ্য,দীর্ঘ ২৮ বছর পর আজ  (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ( ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ২২৯ জন প্রার্থী। ডাকসুর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ৪২ হাজার ৯২৩ জন।

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

আরও পড়ুন:

‘নীল নকশার নির্বাচন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন’ (ভিডিও)

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন

ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 

 

 

১৪:২৬, মার্চ ১১, ২০১৯

ডাকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে অনিয়মের কারণে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী ও রোকেয়া হলে দেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কুয়েত মৈত্রী হলের ভোট ৫টা ১০ মিনিট পর্যন্ত চলবে। আর রোকেয়ার হলের স্থগিত থাকা ভোট ৩টার সময় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়ও যেসব ভোটকেন্দ্র এখনও ভোটার রয়েছে সেখানে ভোট নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (১১ মার্চ) সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় বেলা ২টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে একেকজন ভোটার ৩৮টি ভোট দিয়েছেন। ডাকসুর কেন্দ্রীয় ২৫টি এবং হল সংসদের ১৩টি পদে ভোট দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।

ডাকসু নির্বাচনে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) ফর্মে ভোটগ্রহণ করা হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচনি কর্মকর্তা অধ্যাপক আব্দুল বাছির। 

ঢাবির উপ উপচার্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘রোকেয়া হল ও কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটাররা যতক্ষণ লাইনে থাকবে ততক্ষণ ভোট নেওয়া হবে।’

এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ৪২ হাজার ৯২৩ জন। নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে লড়েন ২২৯ জন।

আরও পড়ুন:

সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা (ভিডিও)

 

ছাত্রলীগ বাদে অন্যদের ভোট বর্জন, কাল থেকে ধর্মঘট

এবার রোকেয়া হলে ভোট বন্ধ

 

তিন ঘণ্টা পর কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটগ্রহণ শুরু

 

ব্যালটে সিল, কুয়েত মৈত্রীর প্রভোস্ট অপসারণ

 

‘নীল নকশার নির্বাচন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন’ (ভিডিও)

প্রবেশ গেটের নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের হাতে: ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ছাত্রলীগ ছাড়া শঙ্কিত সবাই

সিল মারা ব্যালট উদ্ধার, কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট স্থগিত

এক ঘণ্টা দেরিতে রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ শুরু
প্রথম ভোট দিতে সময় লেগেছে ৪ মিনিট
ডাকসু নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই লাইন

ডাকসুর ভোটগ্রহণ শুরু 

 

টপ