জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে উৎসবমমুখর ক্যাম্পাস

Send
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:০০, জুলাই ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:২০, জুলাই ১৯, ২০১৯

শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে জবি ছাত্রলীগের দ্বিতীয় সম্মেলন।


পদপ্রত্যাশীদের ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে ক্যাম্পাস। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও জোর আলোচনা চলছে কারা থাকতে যাচ্ছে সুপার ইউনিট খ্যাত জবি শাখা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে। সম্মেলন ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছে পদপ্রত্যাশীরা। আসন্ন কমিটিতে স্থান পেতে প্রার্থীরা ক্যাম্পাসে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সব মিলিয়ে বেশ জমে উঠেছে জবি ছাত্রলীগের রাজনীতির মাঠ।  
এর আগে গত ৬ জুলাই সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। জবি শাখা ছাত্রলীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। অন্যান্য অতিথিদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ খান বিপু, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী নজীবুল্লাহ হীরু, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, নজরুল ইসলাম বাবু এমপিসহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
জবি ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক সাবেকসহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটন, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসনে মুবারক রিশাদ, যুগ্ম আহবায়ক সাবেক সহ সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ফরাজি , সাবেক উপমুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ পারভেজ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আফসার, সাবেক সসংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মাহামুদ হোসাইন পারভেজ। 
ইতিমধ্যে সম্মেলনের জন্য ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান অনুষদে তৈরি করা হয়েছে মঞ্চ। সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটন বলেন, ‘প্রস্তুতির কাজ প্রায় সম্পন্ন। ক্যাম্পাসের সর্বত্র ব্যানার, ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। স্টেজের কাজ আগামীকালের মধ্যে শেষ হবে। এছাড়া কঠিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি তুচ্ছ ঘটনায় শাখা সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জবি ছাত্রলীগের  কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্রীয় কমিটি।
পরবর্তীতে ১৮ ফেব্রুয়ারি আবারও ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দিনভর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তরিকুল-রাসেল ও শোভন-রাব্বানীর সমর্থকরা। এতে সাংবাদিকসহ ৪০ জন আহত হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে।

/এনএ/

লাইভ

টপ