বাকৃবিতে চার দফা দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন শিক্ষার্থীদের

Send
বাকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২২:৩৯, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৪০, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

চার দফা দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে ৭ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীরা। গত সোমবার থেকে তারা এ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। দাবি আদায় না পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রেখে আন্দোলন চালানোর ঘোষণা দেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়, বিসিএসের মাধ্যমে টেকনিক্যাল ক্যাডারে কৃষি প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিতে প্রতিটি উপজেলায় নতুন পদ সৃষ্টি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কৃষি প্রকৌশলীদের জন্য আলাদা উইং চালু,  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) কৃষি প্রকৌশলীদের নিজস্ব পদ নিরূপন করা, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের অধীনে কৃষি বিষয়ে সরকারি স্কুল-কলেজের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কৃষির পাশাপাশি কৃষি প্রকৌশলীদেরও সুযোগ প্রদানে তারা আন্দোলন করছেন।

চলমান আন্দোলনের ধারাবাহিকায় রবিবার  দুপুরে অনুষদের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। এটি  ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এক পর্যায়ে উপাচার্যের কার্যালায়ের  সামনে এসে শেষ হয়।  সেখানে বক্তারা বলেন, যান্ত্রিকীরণের যুগে বিপুল জনসংখ্যার বিপরীতে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ খুবই কম। অল্প জমিতে অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকদের অবশ্যই প্রযুক্তি নির্ভর হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু কৃষিতে প্রযুক্তির ছোঁয়া না লাগায় কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াসহ অনেক অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। এ থেকে উত্তোরণের জন্য বিসিএসে টেকনিক্যাল ক্যাডার চালুর মাধ্যমে প্রত্যেক উপজেলায় কৃষি প্রকৌশলীদের জন্য নিয়োগের ব্যবস্থা করা দাবি জানান।

এদিকে দুই দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন পশুপালন অনুষদের ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার থেকে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রস্তাবিত নতুন অর্গানোগ্রাম থেকে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারে প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারিত কর্মকর্তা (এলইও) পদটি অর্থ মন্ত্রণালয় বাদ দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই অনুষদের শিক্ষার্থীরা। রবিবার বেলা ১২ টার সময় আয়োজিত এক মানববন্ধনে পদটি পুনর্বহাল এবং অধিদপ্তরে ডাইরেক্টর পৃথকীকরণের দাবি জানান তারা।

 

/এফএএন/

লাইভ

টপ