আইনি সহায়তার কল সেন্টারে চারটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

Send
পাভেল হায়দার চৌধুরী
প্রকাশিত : ১৮:২২, এপ্রিল ২৮, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৩০, মে ০১, ২০১৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাআইনি সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কল সেন্টারে ফোন করে চারটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) কল সেন্টারটি উদ্বোধনের পর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন থেকে বেইলী রোডে অবিস্থত আইনি সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কল সেন্টারে নিজের মোবাইলফোন থেকে কল করে এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি প্রথম প্রশ্ন করে বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আইনি সহায়তা প্রদান সংস্থার কাছে কী কী সুবিধা পেতে পারি? যদি কোনও আইনগত সহযোগিতা চাই?’
প্রথম প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় প্রশ্ন করেন, ‘এছাড়া আর কী ধরনের পরামর্শ পাওয়া যাবে? বিশেষ করে, যারা অসহায়-দরিদ্র, সব থেকে বেশি অসহায়ত্ব বোধ করে আমাদের দেশের মেয়েরা, এই মেয়েরা সাহায্য-সহযোগিতা পায় না। তো সেক্ষেত্রে এই হেল্পলাইনের মাধ্যমে কী ধরনের পরামর্শ তারা পেতে পারেন?’
তৃতীয় প্রশ্নটি ছিল, ‘অনেকেই মামলা-মোকদ্দমা করতে চায় না। সমঝোতায় আসতে চায়। হেল্পলাইন কী সেভাবে তাদের কোনও পরামর্শ দেবেন?’
চতুর্থ প্রশ্নটি ছিল, ‘কোনও তথ্যের কারণে, যেমন- অনেকের ডিএনএ টেস্ট করতে হতে পারে, তাদের অনেকেই খরচ দিতে পারবে না। সেক্ষেত্রে এই হেল্পলাইন কী ধরনের সাহায্য করবে?’

এসব প্রশ্নের উত্তর সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী কল সেন্টারের অপারেটরদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রশ্নগুলো করলাম এ কারণে যে- আমি চাই দেশের মানুষ বিষয়গুলো জানুক। আমি ১৯৯৬ সালে সরকারে এসে এই উদ্যোগ নিয়েছিলাম যাতে অসহায়, দরিদ্র, গরিব মানুষ অন্তত আইনি সহায়তা পায়। তবে পরবর্তীতে অন্য সরকার এসে তা বন্ধ করে দেয়। যাইহোক এখন প্রযুক্তির যুগ, অনলাইনে সবাই হেল্প নিতে পারবেন।’

তিনি বলেন, ‘এখানে ফোন করে আমি চমৎকারভাবে উত্তরগুলো পেয়েছি। এজন্য কল সেন্টারের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’

আইনি সহায়তা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

/এফএস /এএইচ/

লাইভ

টপ