আগামী নির্বাচনে সব দলকে পেতে চায় নতুন ইসি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৩১, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২৭, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭

 

সিইসি কে এম নূরুল হুদাআগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সব রাজনৈতিক দলকে পেতে চায় নতুন নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে কমিশন দল-মত নির্বিশেষে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে চায়। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত-বিনিময়কালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা তার লক্ষ‌্যের বিষয়ে এমন অভিমত ব্যক্ত করেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ সময় সিইসি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন বলেও  আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সূত্র জানায়, অতীতের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে ও কর্মকর্তাদের বক্তব্যের জের ধরে সিইসি বলেন, ‘এই বাংলাদেশ কিছু সফল নির্বাচন উপহার দিয়েছে, আর যে নির্বাচনগুলো বিতর্কিত ছিল, তা কেন বিতর্কিত ছিল, তা বিশ্লেষণে আমি যাব না। একটা কথাই বলতে পারি, আপনারা অনেকেই বলেছেন যে ইনক্লুসিভ নির্বাচন ছিল না বলেই বিতর্কিত ছিল।

সব দলের অংশগ্রহণে আশাবাদ ব্যক্ত করে সিইসি বলেন, ‘যদি সবাই নির্বাচনে অংশ নেয় করে, তবে তা ব্যালেন্সড হয়ে যায়। আর যদি যোগ্য প্রার্থীরা অংশ নেন, তবে ভোটাররাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারেন। নির্বাচন যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক না হয়, যদি সব দলের অংশগ্রহণ না থাকে, তাহলে নির্বাচন বিতর্কিত হবেই। সুতরাং আমরা আশা করব, সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে।

ইসির দিকে দেশের নাগরিক, পৃথিবীর সব দেশ ও হাইকমিশনগুলো তাকিয়ে রয়েছে বলে সিইসি এ সময় মন্তব্য করেন।

সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে কেএম হুদা বলেন, ‘আমাদের একটাই কথা, দল-মত নির্বিশেষে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করব।’

বৈঠকে কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে সিইসি বলেন, ‘আমরা সব কমিশনার একমত হয়েছি। নির্বাচনে জিরো টলারেন্স বজায় রাখতে কাউকে রেহাই দেব না। নির্বাচন যেগুলো হবে তা সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। কাউকে কোনও পর্যায়েই রেহাই দেওয়া হবে না।’

এ সময় ইসির সাবেক কর্মকর্তা জেসমিন টুলীর প্রশংসা করে নুরুল হুদা বলেন, ‘আগে জেসমিন টুলী থেকে শুরু করতে চাই। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন একেবারে নিরপেক্ষতার ও সাফল্যের সঙ্গে একটি নির্বাচন উপহার দিলেন, তখন দেশবাসী তার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তাকে কেউ প্রভাবিত করতে পারেননি। সিদ্ধান্ত থেকে কোনও রকম কেউ বিব্রত বা বিচলিত করতে পারেননি।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। ইসির সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে দুপুর ১২টার দিকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় বৈঠকে মিলিত হন কমিশন।

এরআগে নির্বাচন কমিশনাররা ভোরে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আসার পর ৮টার দিকে তারা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফের ইসিতে আসেন।

/ইএইচএস/ এমএনএইচ/

লাইভ

টপ