‘এমপিও না নিয়ে এবার ঘরে ফিরবো না’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:২৭আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২২, ১৯:০৩

শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি এমপিও ভুক্তির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর ) সকাল থেকেই জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন তারা। তাদের কথা একটাই, ‘এমপিও না নিয়ে ঘরে ফিরবো না।’
সাত হাজারেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারী অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলেছেন, ‘দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ৯৮ শতাংশ বেসরকারি ব্যবস্থাপনা নির্ভর। বিভিন্ন স্তরে সাত হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক লাখেরও বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন। তবে এসব শিক্ষক কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন পান না। দীর্ঘদিন এ কথা বললেও তাতে কেউ তাতে কান দেয়নি। আশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা অনেকবার কর্মসূচি স্থগিত করছি। তবে এবার দাবি আদায় না করে রাজপথ ছাড়বো না।’

অবস্থান কর্মসূচি নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিও ভুক্ত করা না হলে সেগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী।

তিনি বলেন, ‘এগুলো বন্ধ হয়ে গেলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।’
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বিনয় ভূষণ রায় বলেন, ‘এক অনিশ্চিত ভবিষ্যত আমাদের তাড়া করছে। দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আমরা এবার কোনও অবস্থাতেই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বো না।’


/এসও/এসটি/
সম্পর্কিত
এমপিওভুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থান
৩৩ বছরের বঞ্চনা: ঈদের আগেই সুরাহা চান ১৭১৯ স্কুল-কলেজের শিক্ষকেরা  
এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারিএকজন শিক্ষক কর্মজীবনে তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন
সর্বশেষ খবর
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ধারণা ভেঙে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ধারণা ভেঙে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রীকে দুই হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে পাঠানো হলো ঢাকায়
দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রীকে দুই হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে পাঠানো হলো ঢাকায়
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে শ্রমিকের অধিকারও নিশ্চিত করা জরুরি: শিমুল বিশ্বাস
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে শ্রমিকের অধিকারও নিশ্চিত করা জরুরি: শিমুল বিশ্বাস
কারারক্ষী ও আইনজীবীর ছদ্মবেশে প্রতারণা: সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
কারারক্ষী ও আইনজীবীর ছদ্মবেশে প্রতারণা: সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করায় সাংবাদিকের বাড়িতে এসিল্যান্ডের ‘মাদক উদ্ধারের’ অভিযান
দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করায় সাংবাদিকের বাড়িতে এসিল্যান্ডের ‘মাদক উদ্ধারের’ অভিযান
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’
২৮৬ দিন সমুদ্রে থাকা মার্কিন রণতরি দেখে ‘স্তম্ভিত’ পর্যবেক্ষকরা
২৮৬ দিন সমুদ্রে থাকা মার্কিন রণতরি দেখে ‘স্তম্ভিত’ পর্যবেক্ষকরা
ভারতে পৌঁছার আগেই গলে গেলো মোদির জন্য আনা বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার
ভারতে পৌঁছার আগেই গলে গেলো মোদির জন্য আনা বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ, ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়োগ, ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন