কর্ণফুলী টানেলের বোরিং সেপ্টেম্বরে: সংসদে মন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:২৯, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৩২, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮

সংসদে সেতুমন্ত্রীআগামী সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিতব্য দেশের প্রথম টানেলের বোরিং কাজ শুরু হবে বলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কর্ণফুলীর টানেলের বিষয়ে  চট্টগ্রামের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, ২০১৪ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরের সময় এই টানেল নির্মাণে সেদেশের সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি হয়। পরবর্তী বছরের জুনে চীন সরকারের মনোনীত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করে বাংলাদেশ। একই বছরের ২৪ নভেম্বর প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (একনেক) অনুমোদিত হয়।
তিনি জানান, ঋণচুক্তিতে চীন সরকারের কাছ থেকে পাওয়া প্রথম কিস্তির ১৪১ দশমিক ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গত ডিসেম্বরে ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী গত ৭ ডিসেম্বর থেকে কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় ঠিকাদারের ক্যাম্প, আবাসন ও ব্যাচিং প্ল্যান্ট, গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাছাড়া, চীনে টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম) তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এ বছরের মে মাস নাগাদ এটি বাংলাদেশে এনে স্থাপনের কাজ শুরু হবে।

এর মাধ্যমে সেপ্টেম্বর নাগাদ টানেল বোরিং কাজ শুরু হবে বলে আশা করেন মন্ত্রী।

সংরক্ষিত আসনের পিনু খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সড়ক ও জনপদের রাস্তার পরিমাণ ২১ হাজার ৩০৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক তিন হাজার ৮১২ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক চার হাজার ২৪৬ দশমিক ৯৭ কিলোমিটার ও জেলা সড়ক ১৩ হাজার ২৪২ দশমিক ৩৩ কিলোমিটার।

যশোরের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, এ অর্থবছরে সারাদেশে সড়ক ও জনপদ অধিদফতরের ১২৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এর মধ্যে তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু নির্মাণ প্রকল্পও রয়েছে। 

 ঢাকায় বৃত্তাকার রেলপথ নির্মাণের সমীক্ষা অনুমোদিত: রেলমন্ত্রী

আবদুল লতিফের আরেক এক প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক সংসদে জানান, রাজধানী ঢাকায় যানজট নিরসনে রেলওয়ে ঢাকা শহরের চারদিকে বৃত্তাকার রেলপথ নির্মাণের একটি সম্ভাব্য সমীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদিত হয়েছে।

তিনি জানান, সমীক্ষা প্রকল্পের আওতায় পরামর্শক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে বৃত্তাকার রেলপথ নির্মাণের লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

এদিকে, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকার দলীয় বেগম শিরিন নাঈমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান,  ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মায়ানমার সীমান্তের কাছে গুনদুম পর্যন্ত এ লাইনটি বসবে।

 

 

 

/ইএইচএস/ এপিএইচ/

লাইভ

টপ