পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:৫২, মে ১৪, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:০৯, মে ১৪, ২০১৮

মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক (ছবি: ফোকাস বাংলা)পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিপরিষদ। এখন এই মন্ত্রণালয়ের নাম হবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৪ মে) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনের ১৩ তলায় মন্ত্রিপরিষদের নতুন সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আজকের সভায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এই প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। এই মন্ত্রণালয়ের নতুন নাম হবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। ইংরেজিতে হবে মিনিস্ট্রি অব অ্যানভায়রনমেন্ট ফরেস্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মোরিং প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় পাহাড় মৌজায় বন অধিদফতরের নামে রেকর্ডভুক্ত সংরক্ষিত বনভূমির ১৯১.২৫ একর জমি লিজ দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এই বনভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ১৭০১টি  গাছ আছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বট, লালি, বাদাম, কাউফল, বাঁশ, সোনালু গাছসহ অন্যান্য প্রজাতির গাছ। সেখানে ঝোপঝাড়ও রয়েছে।  এসব গাছ ও ঝোপ কেটে ফেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

তবে গাছ কাটার জন্য কিছু শর্তও দেওয়া হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, ‘প্রতি বছর একর বাবদ দুই হাজার ৪০০ টাকা করে রাজস্ব দেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। পাশাপাশি গাছগাছালি কাটার ক্ষতিপূরণ বাবদ বনবিভাগকে এক কোটি ৩৬ লাখ ৭৪ হাজার ৯২৯ টাকা ১০ পয়সা পরিশোধ করতে হবে বিপিসিকে। এছাড়া কেটে ফেলা গাছের পাঁচ গুণ গাছ রোপণ করতে হবে এবং তা আগামী পাঁচ বছর সংরক্ষণ করতে হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য সংরক্ষিত বনভূমির গাছপালা কাটা ও অপসারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এখানে বনবিভাগের আওতায় সংরক্ষিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৪ শতাংশ। আর এই জমিতে গাছপালা লাগানো হয়েছে সামাজিক বনায়নের আওতায়। এখানে গাছের সংখা ১ হাজার ৫৪৬ টি। এর মধ্যে আকাশমনি গাছ রয়েছে ১৪০০টি। বাকি গাছের মধ্যে কাঁঠাল, বাঁশ, জাম, বাদাম ও মুলি গাছ।’

স্টেডিয়ামের জন্য গাছ কাটার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ স্টেডিয়ামের জন্য গাছ কাটার ক্ষতিপূরণ বাবদ ২৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৬ টাকা বন বিভাগকে দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এই টাকার ৩০ শতাংশ বনবিভাগ রাখবে এবং ৭০ শতাংশ সামাজিক বনায়নের দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা পাবে।’

আরও পড়ুন- শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব গৃহীত

/এসআই/এসএসএ/এফএস/

লাইভ

টপ