অনুমতি ছাড়া বিএডিসি’র জমি ব্যবহার করলে লাখ টাকা জরিমানা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:০১আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:১৮

বিএডিসি

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) অনুমতি ছাড়া তাদের জমিতে চাষাবাদ করলে বা স্থাপনা নির্মাণ করলে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন বিল-২০১৮’। এছাড়াও বিএডিসি’র নোটিশ অমান্য করলে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে বিলে। বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়।

গত ১৯ জুন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী। পরে সেটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

১৯৬১ সালের ‘বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন’  অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন আইন করতে বিলটি সংসদে পাস করা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, কেউ বিএডিসির নোটিশ অমান্য করলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। যদি কেউ এ অপরাধ দ্বিতীয়বার করে তবে প্রতিদিনের জন্য ৫০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে। আগে নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি থাকলেও তা অমান্য করলে কোনও দণ্ড ছিল না।

বিলে বলা হয়েছে, করপোরেশনের কোনও ভূমি বা স্থাপনা রক্ষার সীমানা প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করলে, দালান বা দেয়ালের ভার রক্ষার্থে ঠেস দেওয়ার জন্য স্থাপিত কোনও বস্তু অপসারণ, খনন করা বা ভেঙে ফেলা, কোনও সড়ক বা ভূমিতে স্থাপিত বাতি নিভিয়ে ফেললে, করপোরেশনের আদেশ না মেনে যাতায়াতের পথ বন্ধ করলে, করপোরেশনের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আগে এক্ষেত্রে শুধু ৫০ টাকা জরিমানা ছিল।

করপোরেশনের নিয়োগ করা ঠিকাদারকে বাধা এবং করপোরেশের কোনও সীমানা বা দিকনির্দেশক চিহ্ন অপসারণ করলেও ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

করপোরেশনের লিখিত অনুমোদন ছাড়া কোনও ব্যক্তি যদি করপোরেশনের মালিকানাধীন কোনও জমিতে চাষাবাদ করেন বা চাষাবাদের জন্য প্রস্তুত করেন বা ওই জমিতে কোনও ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করেন বা গাছ কাটেন বা ভূমি খনন করেন, তবে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আগের আইনে এসব অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ২০০ টাকা জরিমানা।

বিলে বলা হয়েছে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোনও পানি ব্যবহারকারী সেচ চার্জ দিতে ব্যর্থ হলে অনধিক ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার সম্মুখীন হবে।

অনুমোদন ছাড়া বিএডিসির জমিতে চাষ, স্থাপনা নির্মাণ, গাছ কাটলে ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়ছে।

/ইএইচএস/টিএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বাজেটে বরাদ্দ বেড়েছে যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের
বাজেটে বরাদ্দ বেড়েছে যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের
৪ বছরের মধ্যেই ১.৫ ডিগ্রি উষ্ণতার সীমা ছাড়াতে পারে বিশ্ব
৪ বছরের মধ্যেই ১.৫ ডিগ্রি উষ্ণতার সীমা ছাড়াতে পারে বিশ্ব
কবিতায় হেমন্তের ঘ্রাণ ।। পর্ব—৪
পোলিশ আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবকবিতায় হেমন্তের ঘ্রাণ ।। পর্ব—৪
ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা 
ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা 
সর্বাধিক পঠিত
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
বিএসএফের পুশইনের পর সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের পরিচয় মিলেছে
বিএসএফের পুশইনের পর সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের পরিচয় মিলেছে
লাশের গোপনাঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে নারী চিকিৎসক
লাশের গোপনাঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে নারী চিকিৎসক
৫৪ কেজিতে এক মণের দিন শেষ
৫৪ কেজিতে এক মণের দিন শেষ