তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘নির্বাচনি ফলাফল অনুযায়ী দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ এবং রওশন এরশাদ নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি। কাজেই আগামী সংসদে জাতীয় পার্টিই বিরোধী দলের আসনে বসবে। প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে সরকারের কাজে ভূমিকা রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। তারা যদি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে তাহলে তারা সরকারেও থাকবে। নতুবা তারা বিরোধী দলেই থাকবে।’
মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) সচিবালয়য়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ডিএসআরএস সংলাপে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আগামী সরকারের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, দুর্নীতি-বৈষম্য দূর করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কার্যকরী ও দক্ষ নেতাদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করবেন, এটি তার নিজস্ব এখতিয়ার।’
এসময় তিনি বলেন, 'দেশে ৭০ সালের নির্বাচন মুসলিম লীগের পতনের সূচনা করেছিল। আর ২০১৮ সালের নির্বাচন বিএনপি-জামাত ও জঙ্গিবাদের রাজনীতির পতনের সূচনা করবে।'
তিনি আরও বলেন, 'ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়ার যে অভিযোগ বিএনপি করেছে তা ভিত্তিহীন। নির্বাচনি আইন অনুসারে কোনও এজেন্টকে যদি ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয় তাহলে তাকে প্রিজাইডিং অফিসারকে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বের হতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের কোনও কেন্দ্রেই এমন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিএনপি হেরেছে তাদের আয়েশি মনোভাব, তাদের আয়েশি বাণিজ্য, আর তারা মাঠে ছিল না তাই।'








