সড়কে নেমে সিএনজি মিটারে চলে কিনা জানতে চাইলেন ওবায়দুল কাদের

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:৫১, জানুয়ারি ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৪৬, জানুয়ারি ১২, ২০১৯

সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তা মিটারে চলে কিনা জানতে চাইলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

দীর্ঘদিন পর আবারও সড়কে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বাস, সিএনজি অটোরিকশা এমনকি প্রাইভেট কার থামিয়ে কাগজ পরীক্ষা করেন তিনি নিজে। এসময় তিনি বাসের যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি জানতে চান–বাস ভাড়া বেশি নিচ্ছে কিনা, সিএনজি অটোরিকশা মিটারে চলছে কিনা। এসময় অনেক যাত্রী বাস থেকেই ছবি তোলা শুরু করেন। এমনকি কয়েকজন যাত্রী বাসের জানলা দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দন করেন। আবার কিছু কিছু যাত্রীকে অভিযোগ করতেও দেখা যায়।

এরকম এক এক করে কয়েকটি বাস, সিএনজি অটোরিকশা র কাগজপত্র এবং ড্রাইভারের লাইসেন্স পরীক্ষা করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। এসময় এক ড্রাইভারের কাছে ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সও পাওয়া যায়। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ির কাগজ রেখে দিতে বলেন এবং যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে আসতে বলেন চালককে।

বাস

এদিকে মানিক মিয়া রোডের দুই পাশেই সকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। সেতুমন্ত্রী রাস্তার দুই পাশেই গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করেন। বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, মাঝখানে নির্বাচন থাকায় বিআরটিএর অভিযান স্থগিত ছিল। যে কারণে অনিয়ম বেড়ে গেছে। আজকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা ৮টি গাড়ির জব্দ এবং তিন জনের জেল ও ৪২টি মামলা করা হয়েছে। এই অভিযান নিয়মিত চলবে। বিআরটিএকে এই অভিযান আরও জোরদার করতে বলা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বেড়েছে,১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট যুক্ত হয়েছে। যার কারণে আমরা লাইসেন্সবিহীন গাড়ি, ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আগের চেয়ে আরও বেশি সক্রিয় হয়েছে।’

যাত্রীর সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর করমর্দন

তিনি আরও বলেন,‘এক রাতে তো আর পরিবর্তন হবে না। সামগ্রিকভাবে আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করা জরুরি। আইনকানুন মানার সময় যে অবস্থার সৃষ্টি হয়,রাস্তায় চলন্ত গাড়ির সামনে দৌড়াদৌড়ি। শুধু যান চলাচলের ক্ষেত্রেই এরকম ঘটছে না,রাস্তা পারাপারের সময় ট্রাফিক আইন কানুন কিছুই কেউ মানতে চায় না। আমাদের পাবলিক রাস্তায় বেপরোয়া ড্রাইভারের মতো মাঝেমধ্যে বেপরোয়া হয়ে যায়। রাস্তায় চলাচলের সময় এপার থেকে ওপারে যায় এবং এক্সিডেন্ট করে। শুধু যে চালকের জন্য এক্সিডেন্ট হয় তা নয়,যাত্রীর জন্য এক্সিডেন্ট হয়,পথচারীর জন্য এক্সিডেন্ট হয়। কাজে এসব বিষয়গুলো সাংবাদিকদেরও ক্যাম্পেইনে আনা উচিত। সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে,তা না হলে আমরা রাস্তায় অনিয়ম বিশৃঙ্খলা দূর করতে পারবো না। এই সচেতনতা গড়ে তুলতে আমি সবার সহযোগিতা চাই।’

/এসও/টিএন/

লাইভ

টপ