ঢালচরের কৃষকদের ধান যায় ‘লুটেরাদের’ গোলায়

Send
শাহেদ শফিক, ঢালচর থেকে ফিরে
প্রকাশিত : ১৩:৫২, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৫, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৯

ঢালচরের কান্না পর্ব ০৪

জলবায়ুর পরিবর্তন আর মেঘনার করাল গ্রাসে সর্বস্ব হারিয়ে প্রতিবছর উদ্বাস্তু হচ্ছেন নদীপারের হাজার হাজার মানুষ। এসব ভাসমান মানুষের বেশিরভাগেরই ঠিকানা এখন মেঘনার বুকে জেগে ওঠা নতুন চর, বেড়িবাঁধ কিংবা আশ্রয়কেন্দ্রে। এমনই একটি চরের নাম ঢালচর। তবে এই চরে আশ্রয় নিলেও তাদের জীবনে স্বস্তি নেই, অর্ধশতাব্দী ধরে তাদের লড়াই করতে হচ্ছে দস্যু, লুটেরা, ভূমিখেকোদের সঙ্গে। নোয়াখালী ও ভোলার মাঝামাঝি মেঘনার বুকে জেগে ওঠা এই চরে নেই প্রশাসনের সরাসরি তদারকি। নামমাত্র পুলিশ ক্যাম্প থাকলেও প্রভাবশালীদের ইচ্ছায় চলে এখানকার আইন-কানুন।  চরটি সরেজমিন ঘুরে করা ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ পড়ুন চতুর্থ পর্ব।

ঢালচর বাসযোগ্য হয়েছে ৬০ বছরের বেশি নয়। এখানে নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে নদীভাঙা মানুষ এসে বসতি গড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছিল হালচাষ পর্বও। একদিকে জায়গা দখলের প্রতিযোগিতা যেমন ছিল, তেমনি অকৃষি জমিকে ফসল ফলানোর জন্য উর্বর করে তোলার জন্য কৃষকদের ছিল প্রাণান্ত চেষ্টা। কিন্তু, জমির মালিকানার কাগজ ছাড়া ফসল উৎপাদনের সেই শুরুতেই তাদের ফসলে ভাগ বসায় একটি সুবিধাবাদী শ্রেণি। এরপর জলদস্যু ও ডাকাতদের অত্যাচার তো ছিলই, সরকারিভাবে জমির ‘বন্দোবস্ত’ হওয়ার ফয়সালা যত বেড়েছে ততই বেড়েছে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ, আর জমি বন্দোবস্ত পাওয়া কৃষকদের ক্ষেত থেকে বিনাশ্রমে ধান দখল বা ধান লুটের মহড়া। জলদস্যু, ডাকাতদের পর এই ফসলের দিকে নজর পড়ে ঢালচরের অর্ধেক যারা জবর দখল করে আছে সেই চৌধুরীদের। তাদের সঙ্গে ভূমিহীনদের নেতা সাজা এক ব্যক্তিও নিজের খরচার হিসাব দেখিয়ে কৃষকদের উৎপাদিত ধান ভরছেন নিজের গোলায়।    

ঢালচরে কঠিন লড়াইয়ের জীবন

কৃষকদের উৎপাদিত ফসল লুট হবে- ৬০টি বছর ধরেই যেন এই অনিয়মই নিয়ম ঢালচরে। প্রতিকার চেয়েও কৃষকরা কোনো বিচার পাননি কখনও। নিজের কষ্টের ফসল রক্ষা করতে গিয়ে এই দীর্ঘ সময়ে থানার তালিকা অনুযায়ী অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুম হয়েছেন আরও ৩ জন। যাদের আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। নিহতের তালিকায় স্থানীয়দের দাবি আরও বেশি, ১৮ থেকে ৩০ জনের মতো।

উপজেলা ভূমি অফিস ও বন বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চল্লিশের দশকের দিকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার পশ্চিম পাশে ভোলার মনপুরা উপজেলার উপকূল সংলগ্ন মেঘনার বুকে নতুন একটি চর জেগে ওঠে। স্থানীয়রা এর নাম দেন ঢালচর। প্রায় সাড়ে সাত হাজার একর আয়তনের চরটিতে চার হাজার একরেই ধান হয়। এখানে বসবাস করছে সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া দুই হাজার ৫৫৩ পরিবারের পাশাপাশি আরও দুই হাজার পরিবারের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। বর্তমানে চরের আয়তনের পাশাপাশি বাড়ছে জনসংখ্যাও।

ভূমি মন্ত্রণালয়, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের একাধিক গেজেট ও প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায়, ১৯৬০-৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বোর্ড অব রেভিনিউর কাছ থেকে এক হাজার ১৫৩ এবং ১৯৯৭ সালে এক হাজার ৪০০ পরিবার চার হাজার ২৮২ দশমিক ৫০ একর জমি বন্দোবস্ত পেয়ে সেখানে বসবাসের পাশাপাশি চাষাবাদ করে আসছেন। কিন্তু কোনও বছরই কৃষকরা তাদের কষ্টের ফসল সোনালি ধানের সবটা ঘরে তুলতে পারেন না।

এসব জমির ফসলে ভাগ বসায় সুবিধাবাদী শ্রেণিভূমিহীনদের অভিযোগ, ভোলার মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা সাবেক সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ও তার চাচা কামাল উদ্দিন চৌধুরী এবং ভূমিহীনদের কথিত নেতা হাতিয়া উপজেলার আকতার হোসেন তানসেন কৃষকদের জমির ধান কেটে নিয়ে যান। এরমধ্যে কামাল উদ্দিন চৌধুরীর লোকজন তার ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ধান কেটে নিয়ে থাকলেও তানসেন ঢালচর ও তার বাসিন্দা ভূমিহীনদের বিরুদ্ধে দায়ের করার বিভিন্ন মামলা পরিচালনার কথা বলে তাদের কাছ থেকে পরিবারপ্রতি ২-৪ মণ করে ধান কৌশলে সংগ্রহ করে আসছেন। তানসেনের আগে তার বাবা আজরুদ্দি মিয়া ধান আদায় করতেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী নিজেই ৭০০ একর জমি দখল করে রেখেছেন। আর কামাল উদ্দিন চৌধুরীর দখলে ১০০ একরের মতো জমি রয়েছে।

তারা জানান, বর্তমানে চরে ধান লুটের জন্য বেশ কয়েকটি দস্যু গ্রুপ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে কুখ্যাত বনদস্যু নবীর বাহিনী, বাদশাহ বাহিনী ও আশরাফ বাহিনী। তাদের সদস্যরাই এসব প্রভাবশালীর ইন্ধনে কৃষকদের ধান লুট করে নিয়ে যায়।

ঢালচরে চাষযোগ্য জমিউপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্র জানায়, মনপুরার কামাল উদ্দিন চৌধুরী ভুয়া মামলার বেড়াজালে চরটির দক্ষিণাংশের প্রায় ৭০০ একর জমি দখল করে রেখেছেন। তার সব মামলাই আদালতে মীমাংসা হয়ে গেছে। কিন্তু এরপরেও চরটি তাদের দখলে রয়েছে।

তবে ধান লুটের বিষয়ে জানতে চাইলে কামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা কারও ধান লুট করিনি। আমাদের জমির ধান আমরা নিয়েছি। তবে বিভিন্ন সময় দুই পক্ষের (হাতিয়া ও মনপুরা) মধ্যে মারামারি হয়েছে।

ঢালচরে জমি বন্দোবস্ত পাওয়া কৃষক নাসির উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, মনির মাঝি, আসমা খাতুন, বিলকিছ বিবিসহ একাধিক ভূমিহীন জানান, ঢালচরে খাস জমি পাওয়াদের কেউ কেউ মূল ভূখণ্ড হাতিয়ায় থাকেন। সেখান থেকে এসে তারা ঢালচরে চাষাবাদ করেন। বাকিরা সবাই চরেই বসবাস করেন। তারা অভিযোগ করেন, প্রতিবছরই তাদের আবাদ করা হাজার হাজার মণ ধান কামাল উদ্দিন চৌধুরী, সচিব নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ও হাতিয়ার জমিদার পরিবারের লোক তানসেনের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা লুটে নেয়। এ বছরও ব্যতিক্রম হয়নি। 

তাদের দাবি, ওই সন্ত্রাসীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় হাতিয়ার কৃষকদের ১৫-১৬ বার সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ১৮ জন নিহত ও সহস্রাধিক আহত হয়েছে।

তবে হাতিয়া উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার এক প্রতিবেদন নিহতের সংখ্যা ১১ জনের কথা স্বীকার করেছেন।

নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে অনেকের বাড়ি হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নে। এরা হলেন, জবিয়ল হকের ছেলে নওয়াব উদ্দিন (৪৫), রশিদ উদ্দিন (২৫) (নৌকার মধ্যে রেখে হত্যা করা হয়), আজমত আলী (৪৫), শফিক উদ্দিন পাটওয়ারী, আলাউদ্দিন, ওমর আলী ও আজমল উদ্দিন।

এদের মধ্যে রশিদ উদ্দিনকে বাসরঘর থেকে ধরে নৌকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে কেটে টুকরো টুকরো করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

তার ভাতিজা নাসির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নদী ভেঙে যাওয়ার পর আমরা এই চরে এসে আশ্রয় নিয়েছি। সেদিন হঠাৎ করেই মনপুরার লোকজন এসে আমাদের ওপর হামলা করে। আগের দিন রাতে আমার কাকা বিয়ে করে নতুন বৌকে ঘরে তোলেন। তাকে সেখান থেকে ধরে নদীর কূলে তাদের নৌকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভোরে সবার সামনে কেটে টুকরো টুকরো করে হত্যার পর নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। তার অপরাধ ছিল ঢালচরের জমিতে চাষ করা।

তিনি জানান, ওদের লোকজন বেশি। ধানের মৌসুমে আমাদের লোকজনকে ধরে নিয়ে গর্ত করে সেখানে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হতো। কোনও বিচার আচার পাইনি। বাকিদের মধ্যে আজমত আলী, শফিক উদ্দিন পাটওয়ারীকে গর্ত করে সেখানে হত্যা করা হয়। আলাউদ্দিন ভয়ে নদীতে ঝাঁপ দিলে সেখানে ট্রলার দিয়ে গিয়ে তাকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। ওমর আলী ও আজমল উদ্দিনকেও গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। সেসব ঘটনায় পুলিশ কোনো মামলাও নেয়নি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে কামাল উদ্দিন চৌধুরী হত্যার ঘটনাগুলো স্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিভিন্ন সময় দুই পক্ষের মারামারিতে ওই লোকগুলো মারা গেছে। মারামারির সময় টিকতে না পেরে কেউ নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে, আবার কেউ গোলাগুলিতে মারা গেছে। এর সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পৃক্ততা নেই।

ঢালচরের বাসিন্দাদের জীবন কঠিন লড়াইয়ের সম্প্রতি চরে গিয়ে দেখা গেছে, তথাকথিত ভূমিদস্যু আফতাব উদ্দিন তানসেন চরের নামে চলমান বিভিন্ন মামলা পরিচালনার কথা বলে সেখানকার পরিবারপ্রতি দুই থেকে চার মণ করে ধান চাঁদা ধরেছে। প্রতিবছরই তিনি এভাবে হাজার হাজার মণ ধান সংগ্রহ করেন। তার ধার্যকৃত ধান না দিলে ওই পরিবারের ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরের শত শত ভূমিহীন পরিবার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কামাল চৌধুরী ও তানসেন প্রতিবছর চরে ভূমিহীনদের ধান লুট করে নেন। এ বছরও তারা চাঁদা হিসেবে ২-৪ মণ করে ধান ধরেছেন, যা এরই মধ্যে আদায় করা হয়েছে।

এসব বিষয়ে কৃষকরা বিভিন্ন সময়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও দুর্গম চর হওয়ায় তারা প্রতিকার পান না। প্রশাসনের কেউ ওই চরে গিয়ে আইনি সহায়তাও দিতে পারেন না। এরপরেও বিভিন্ন সময় এসব লুটেরার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ।

ঢালচরের কৃষকদের দেওয়া তথ্যমতে, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে কামাল উদ্দিন চৌধুরীর সন্ত্রাসীরা জমির পাকা ধান লুট করে নিয়ে যাচ্ছিল। সে সময় হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল হাশেম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মদ কবীর, হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান ঢালচরে এক অভিযান পরিচালনা করেন। সেদিন ধানের বস্তা নিয়ে পালাতে গিয়ে ১৩ জন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। ওই চরের একটি অংশে মনপুরা পুলিশের একটি ক্যাম্প থাকলেও তারা হাতিয়ার ভূমিহীনদের কোনও সহযোগিতা করেননি বলে অভিযোগ ভূমিহীনদের। ফলে দস্যুরা ভূমিহীনদের ধান সহজেই লুট করে নিয়ে যায়।

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া কৃষক রমজান আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গত ৪০ বছর ধরে এই চরে বসবাস করে আছি। প্রতিবছরই যখন ধান কাটার সময় হয় তখন মনপুরার লোকজন লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে আমাদের ধান কেটে নিয়ে যায়। বাধা দিতে পারি না। একবার বাধা দিতে গিয়ে বাহিনীদের আঘাতে কোমর ভেঙে যায়। এখনো ঠিকমতো সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি না। সম্প্রতি তাদের অত্যাচার একটু কমলেও গত কয়েক বছর ধরে হাতিয়ার এক জমিদার বংশের ছেলে (তানসেন) মামলা-মোকদ্দমার কথা বলে ধান কালেকশন করছে। না দিয়েও পারি না। কিন্তু কোনো বছরই মামলার কোনও অগ্রগতি আমরা দেখি না।

জানতে চাইলে নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, চরটিতে নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে আসা মানুষরা বন্দোবস্ত পেয়েছেন। আর যেসব লোক মারা গেছে সেগুলো অনেক আগের ঘটনা। মনপুরার কোনও লোক তাদের ওপর কখনও নির্যাতন করেনি।

এই চরটির বিষয়ে অনেক তথ্য জানেন হাতিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সভাপতি মানিক মজুমদার। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পেশাগত কাজের কারণে এই চরটির অনেক তথ্য আমার জানা রয়েছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি যা দেখেছি, মনপুরার প্রভাবশালী যে পরিবারটি এখন এই চরের মালিকানা দাবি করে আসছে তারা কখনও সরকারি বিভিন্ন বৈঠকে সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। অথচ তারাই জবরদখল করে আছে। ভূমিহীনদের ওপর যে অমানুষিক নির্যাতন চলছে তা বর্ণনা করার মতো না। বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। প্রশাসনের অনেক প্রতিবেদনে এসব স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

হাতিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব মোরশেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঢালচরের ভূমিহীনদের ওপর অনেক নির্যাতন হয়েছে। মনপুরার একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী ও সরকারের কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে চরটি ও তার বাসিন্দাদের এমন দুরবস্থা। আমরা প্রশাসনিকভাবে উদ্যোগ নিয়েছি ঢালচরের সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করা যায় তার উপায় খুঁজে বের করার জন্য।

আগামীকাল পড়ুন: ঢালচরই কি চরডেমপিয়ার?

আরও পড়ুন:


ভূমিহীন উচ্ছেদে ‘সরকারি’ কৌশল!

ভূমিহীনের চরে সাবেক সচিবের অট্টালিকা!

ভূমিহারা মানুষের আশ্রয়ের আকুতি! (ভিডিও)

 

/টিএন/এমওএফ/

লাইভ

টপ