১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্র স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র: শিক্ষামন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২৩:২৭, এপ্রিল ১০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৪০, এপ্রিল ১০, ২০১৯

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, ‘১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল যে ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়েছিল, তা একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ দলিল। ১০ এপ্রিল হলো স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র।’ এই ঘোষণাপত্রের মধ্যে আন্তর্জাতিক আইনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র: বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। 

তিনি আরও বলেন, ‘জয় বাংলা ও বঙ্গবন্ধু স্লোগানটি কুক্ষিগত করে রাখা হয়নি বরং উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে যুগ যুগ বাঁচিয়ে রাখার জন্য। কারণ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পেতে বঙ্গবন্ধুর যে অবিস্মরণীয় অবদান, তা ভবিষ্যত প্রজন্মসহ বিশ্ববাসীকে জানাতে হবে। রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুর গুরুত্ব ও কর্মপরিধি যে কতো, তা এই প্রজন্মকে জানাতে এবং বোঝাতে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আরও বলেন, ‘উন্নয়নমূলক বাস্তবতার সঙ্গে থাকতে হলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকুন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকুন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের সঙ্গে থাকুন, নৌকার সঙ্গে থাকুন।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের কতো উচ্চ শিখরে নিয়ে গেছেন তা বিএনপি-জামায়াতের অন্ধরা দেখবে না। বিএনপির ফখরুল আর রিজভীকে যদি পদ্মার ওপারে শিবচর উপজেলায় নেওয়া যেতো, তাহলে তারা দেখতে পেতেন দেশ আজ উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছেছে। বাস্তব দেখেও তারা হয়তো অন্য কিছু বলতে দ্বিধা-সংকোচ করবেন না কিন্তু তাতে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আআমস আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের কাছে যদি বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সঠিকভাবে উপস্থান করা যায়, তাহলে তারা বঙ্গবন্ধুকে চিনবে এবং বুঝবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য তারা দেশ প্রেম নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যায়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.) এবং সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। 

 

 

/এইচএন/এএইচ/

লাইভ

টপ