পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কোরীয় কোম্পানির মধ্যে চুক্তি সই

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৯:০২, এপ্রিল ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৫, এপ্রিল ২৪, ২০১৯





চুক্তিপত্র সইপায়রাবন্দর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের লক্ষ্যে পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কোরিয়ার তিনটি কোম্পানির (জয়েন্ট ভেঞ্চার) মধ্যে একটি চুক্তিপত্র সই হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই চুক্তি সই হয়।

কোরিয়ার কোম্পানি তিনটি হলো— কুন হা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসালটিং কোম্পানি লিমিটেড, দায়ে ইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড ও হেরিম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড প্ল্যান আর্টস কোম্পানি লিমিটেড।

মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় সরকার ২০২১ সালের মধ্যে পায়রাবন্দরের জন্য ৬টি বার্থসহ কমপক্ষে দু’টি টার্মিনাল নির্মাণ এবং ১০ দশমিক ৫০ মিটার গভীরতার চ্যানেল সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ পরিকল্পনার আওতায় পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য প্রথম পর্যায়ে তিনটি বার্থসহ একটি টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মিত হবে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে একনেক সভায় ৩৯৮২ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের লক্ষ্যে মঙ্গলবার পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কোরিয়ার তিনটি কোম্পানির (জয়েন্ট ভেঞ্চার) মধ্যে একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এম জাহাঙ্গীর আলম, কুন হা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসালটিং কোম্পানির প্রেসিডেন্ট জিয়ং লানোহ, দায়ে ইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের ডিরেক্টর তায়ে জিনকিম এবং হেরিম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড প্ল্যান আর্টস কোম্পানি লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার ইয়ুন স্যাঙ জো। অনুষ্ঠানে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পায়রাবন্দর বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে বাস্তবায়নাধীন ১০টি প্রকল্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। দেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের ফলে বন্দরের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় পায়রা সমুদ্রবন্দরের উদ্বোধন করেন।

/আইএ/

লাইভ

টপ