প্রধানমন্ত্রীসহ দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ওবায়দুল কাদের

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৫৯, মে ১৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৫৪, মে ১৫, ২০১৯

বিমান থেকে নামছেন ওবায়দুল কাদের


সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সন্তানের সংকটের সময় মা যেমন করে এগিয়ে আসে, আমার অসুস্থতার সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই পরম মমতা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। তিনি একজন মমতাময়ী মা। তিনি সত্যিই মাদার অব হিউম্যানিটি। তার কাছে আমার ঋণের বোঝা আরও বেড়ে গেল। সবার দোয়ায় আমি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছি।

দেশে ফিরলেন ওবায়দুল কাদের

বুধবার (১৫ মে) সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে ভিআইপি লাউঞ্জে এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদেশের মানুষ এবং দলের সব নেতাকর্মীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যারা হাসপাতালে আমার ওই দুঃসময়ে ছুটে এসেছিলেন। ওই সময় আমার মধ্যে আমি ছিলাম না, আমি জানতাম না আমার কী হয়েছে। শুনেছি আমার জীবন ছিলো চরম অনিশ্চয়তার অন্ধকারের মধ্যে। আমি বাঁচবো কী বাঁচবো না সেই সংশয় ছিল।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা। আমি জানতাম না তখন কী হয়েছিল। শুনেছি আপনজন যখন এই সময়ে কাছে এসে নাম ধরে ডাকে তখন নাকি মৃত্যুপথযাত্রীও সাড়া দেয়। মমতাময়ী শেখ হাসিনা যখন হাসপাতালে এসে আমার নাম ধরে ডেকেছেন তখন আমি সাড়া দিয়েছিলাম।’

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমে ভিআইপি লাউঞ্জের দিকে আসছেন আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

কাদের আবারও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নেতাকর্মী ও দেশবাসীর দোয়ায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ থেকে ফিরে এসেছি। আমার বাকি জীবন আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নত বাংলাদেশ গড়ার যুদ্ধে সামিল থাকবো।
তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তিনি কোরআন শরীফ পড়ে আমার জন্য দোয়া করেছিলেন।

বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী

প্রসঙ্গত, সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা নিয়ে দুই মাস ১১ দিন পর আজ দেশে ফিরেছেন ওবায়দুল কাদের। গত ২ মার্চ ভোরে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। সেখানে দ্রুত এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে তিনটি বড় ব্লক ধরা পড়ে। এরমধ্যে একটি ব্লক স্টেন্টিংয়ের (রিং পরানো) মাধ্যমে দ্রুত অপসারণ করেন চিকিৎসকরা। ৪ মার্চ বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। গত ২০ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। সার্জারি করেন তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিনিয়র সদস্য কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি। ডা. ফিলিপ কোহে এই চিকিৎসা বোর্ডের নেতৃত্বে ছিলেন। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান ওবায়দুল কাদের। তবে পরবর্তী চিকিৎসার জন্য মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের কাছেই একটি ভাড়া নেওয়া অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন তিনি।

আরও খবর: দেশে ফিরলেন ওবায়দুল কাদের 

 

 

 

/এমএইচবি/টিএন/এমওএফ/

লাইভ

টপ