নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবে ঢাকা ও টোকিও

Send
শেখ শাহরিয়ার জামান
প্রকাশিত : ০০:৪৩, মে ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:৪৬, মে ১৮, ২০১৯

২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সাত জাপানি নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে জাপান। ওই সতর্কতা এখনও বহাল রয়েছে। আগামী ২৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের মধ্যে টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চায় বাংলাদেশ।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। ফাইল ছবি
জাপানের সবচেয়ে বড় মিডিয়া প্রতিষ্ঠান নিকেই প্রতি বছরের মতো এবারও আগামী ৩০ ও ৩১ মে টোকিওতে ফিউচার অব এশিয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। সেখানে অংশগ্রহণের জন্য আগামী ২৮ মে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘২০১৬ সালের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনেক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু জাপান এখনও ভ্রমণ সতর্কতা বিষয়টি বজায় রেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘ওই সময়ে অনেক পশ্চিমা দেশ ভ্রমণ সতর্কতা জারি করলেও তারা পর্যায়ক্রমে বিষয়টি উঠিয়ে নিয়েছে।’

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ৫০ জনেরও বেশি নিহত হলেও ওই দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা দেয়নি জাপান। কিন্তু বাংলাদেশের বিষয়ে তারা এখনও উদ্বিগ্ন। ফলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বিষয়টি তুলে ধরা হবে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য আলোচনা করা হবে।

কানেক্টিভিটি

বিগ-বি প্ল্যানের আওতায় জাপান মাতারবাড়িতে একটি সমুদ্র বন্দর, বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং অন্যান্য অবকাঠামো তৈরি করছে। এখানে কিভাবে একটি শিল্পাঞ্চল তৈরি করা যায় সেটি নিয়ে আলোচনা করবে বাংলাদেশ।

আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই অঞ্চলে টোকিও প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করছে এবং আমরা সেখানে যোগাযোগের যাবতীয় সুবিধাসহ একটি শিল্পাঞ্চল তৈরি করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘শুধু জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির প্রস্তাব দিয়েছি আমরা। সেটি মাতারবাড়ির কাছে কোনও জায়গায় স্থাপিত হতে পারে।’

ওডিএ সহযোগিতা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপান ৪০তম ওডিএ প্যাকেজের জন্য আলোচনা করছে।’ এই প্যাকেজের আওতায় জাপান বাংলাদেশকে ২২০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে যা মাতারবাড়ি বন্দর ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে ব্যবহার হবে। এছাড়া ম্যাস র‍্যাপিড ট্রান্সপোর্ট-এর একটি অংশ বাস্তবায়নে এখান থেকে অর্থ ব্যয় করা হবে।

ওই কর্মকর্তা জানান, যদি সব কিছু ঠিক থাকে তবে আমরা আশা করছি আগামী ২৯ মে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে বৈঠকের পর আমরা এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরে সমর্থ হবো।

/এসএসজেড/এমপি/

লাইভ

টপ